channel 24

সর্বশেষ

  • মানবাধিকার কমিশনের নতুন চেয়ারম্যান নাছিমা বেগম

  • পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ সামর্থ্য বাড়াতে...

  • সাময়িক তারল্য সুবিধা দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপন

  • খুলনা জিআরপি থানার সাবেক ওসি উছমান গনিসহ...

  • ৫ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে গণধর্ষণ মামলা দায়েরের আবেদন

  • ক্যাসিনো অবৈধ, কাউকে বেআইনি ব্যবসা করতে দেয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • অনিয়ম, দুর্নীতি রোধে ব্যর্থতায় সরকারের পদত্যাগ করা উচিত: ফখরুল

  • নাব্যতা সংকটে বন্ধ শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচল

  • টেকনাফে পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে রোহিঙ্গা দম্পতি নিহত

  • উগান্ডায় প্রশিক্ষণ নিতে যাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনেকেই প্রকল্প সংশ্লিষ্ট নন; অনিয়মে বারবারই অভিযুক্ত চট্টগ্রাম ওয়াসা।

  • দখল-দূষণে অস্তিত্ব সংকটে বেশিরভাগ নদী; দখলদারদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ ও খননের দাবি পরিবেশবাদীদের।

  • গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ে চতুর্থ দিনের মতো আমরণ অনশনে শিক্ষার্থীরা; ভিসি পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালানোর ঘোষণা

খাসোগির চোখে যুবরাজ একজন ‘নরখাদক’ ও ‘জানোয়ার’

খাসোগির চোখে যুবরাজ একজন ‘নরখাদক’ ও ‘জানোয়ার’

নিহত সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগিরের চোখে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ছিলেন একজন ‘নরখাদক’ ও ‘জানোয়ার’। সৌদি থেকে কানাডায় নির্বাসিত বন্ধু ওমর আবদুল আজিজের কাছে হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে খাসোগির পাঠানো বার্তা থেকে এমনটাই জানা গেছে।

ওমর আবদুল আজিজের সঙ্গে খাসোগির পাঠানো চার শতাধিক বার্তা বিশ্লেষণ করে সোমবার সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে। আর এসব বার্তার সূত্র ধরেই খুলতে পারে হত্যাকাণ্ডের জট।

যুবরাজের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বিষয়ে আজিজের সঙ্গে আলোচনা করতেন খাসোগি। প্রায়ই তার পাঠানো বার্তায় যুবরাজকে ‘জানোয়ার’ ও ‘প্যাক-ম্যান’ বলে উল্লেখ করতেন। আজিজ নিজেই ওই বার্তাগুলো প্রকাশ করেছেন।

গত মে মাসে সৌদি মানবাধিকার কর্মীদের ধরপাকড়ের বিষয়ে পাঠানো এক বার্তায় খাসোগি বলেছিলেন, যত লোক তার ক্ষতি করবে, তত লোককেই সে (যুবরাজ) ‘খেয়ে’ ফেলবে। আমি অবাক হব না, তার গুণগান গেয়েছে এমন ব্যক্তিরাও যদি তার অত্যাচারের শিকার হন।

খাসোগি আরও বলেন, তিনি (যুবরাজ) এমন একজন ব্যক্তি যে তার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে তাকেই তিনি নিশ্চিহ্ন করে দেন। এমনকি ওইসব ব্যক্তি তার সহযোগী কিংবা ঘনিষ্ঠ হলেও মাফ পান না।

সিএনএনের হাতে আসা ওইসব বার্তার মধ্যে ভয়েস রেকর্ডিং, ছবি এবং ভিডিও রয়েছে। সৌদি রাজতন্ত্রের ক্ষমতাধর যুবরাজ সালমান একজন ব্যক্তিকে কতটা সমস্যায় ফেলতে পারেন তার চিত্র পাওয়া যায় এসব বার্তায়।

ওমর আবদুল আজিজ সিএনএনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, তারা সৌদি রাজতন্ত্রকে জবাবদিহিতার মুখোমুখি করাতে অনলাইনে যুবকদের নিয়ে আন্দোলন শুরু করার পরিকল্পনাও করছিলেন। খাসোগি বিশ্বাস করত, সালমানই সৌদির প্রধান সমস্যা। এই ধাপ্পাবাজকে থামাতে হবে।

চলতি বছরের আগস্টে তারা বুঝতে পারেন তাদের বার্তা আদান-প্রদানের ওপর সৌদি কর্তৃপক্ষ নজরদারি করছে। তখন খাসোগি বিপদের পূর্বলক্ষণ অনুধাবন করেন।

তিনি তার বন্ধু আবদুল আজিজকে বলেন, ‘ভয় পেও না, আল্লাহ আমাদের পাশে আছে।’ আর এ ঘটনার ঠিক দুই মাস পর সৌদির পাঠানো ১৫ সদস্যের কিলিং স্কোয়াডের হাতে নির্মমভাবে খুন হন খাসোগি। হত্যার দু’মাস পার হয়ে গেলেও সেই হত্যাকাণ্ডের সঠিক কোনো তথ্য বেরিয়ে আসেনি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর