channel 24

সর্বশেষ

  • বিরোধীরা চাইলে নির্বাচনকালীন সরকার ছোট হবে, না চাইলে নয়...

  • রাজনীতিতে যেকোনো জোটকে স্বাগত জানায় আওয়ামী লীগ...

  • নির্বাচনি অঙ্গীকারের চেয়ে বেশি অর্জিত হয়েছে...

  • ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে সঠিক সময়েই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে...

  • বিদেশিদের কাছে নালিশ করে লাভ হবে না...

  • খুনি, দুর্নীতিবাজ ও নারী কটূক্তিকারীদের ঐক্য হয়েছে...

  • সড়ক দুর্ঘটনায় শুধু চালককে দোষারোপ নয়, পথচারীদেরও সচেতন হতে হবে...

  • সৌদি সফর নিয়ে গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

  • নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে আলোচনার দাবি অযৌক্তিক: সেতুমন্ত্রী

  • নাশকতার মামলায় বিএনপির মহাসচিবসহ শীর্ষ ৭ নেতার...

  • হাইকোর্টের দেয়া জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল

  • ব্যারিস্টার মঈনুল ও জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে মামলার ধরনে হাইকোর্টের অসন্তোস

  • ব্যারিস্টার মঈনুলের কাছে ক্ষমা চাইতে মাসুদা ভাট্টিকে লিগ্যাল নোটিশ

  • যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম

  • হত্যার আগ মুহূর্তে সাংবাদিক খাশোগিকে ফোন করেছিলেন...

  • সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান: তুর্কি পত্রিকা ইয়েনি সাফাক

রোহিঙ্গা নির্যাতনকে গণহত্যার স্বীকৃতি ইউকে এবং কানাডার পার্লামেন্টের

রোহিঙ্গা নির্যাতনকে গণহত্যার স্বীকৃতি ইউকে এবং কানাডার পার্লামেন্টের

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের উপর নির্যাতনকে গণহত্যা স্বীকৃতি দিয়ে প্রস্তাব পাস করেছে যুক্তরাজ্য এবং কানাডার পার্লামেন্ট। আর মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচির সাথে বৈঠক করে, রোহিঙ্গা নির্যাতনের সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন ব্রিটেনের পররাস্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্ট। তিনি বলেছেন, দোষীদের বিচারের আওতায় আনতে সুচি সরকার ব্যর্থ হলে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে এধরণের বিচারের সুযোগ রয়েছে।

রোহিঙ্গাদের উপর মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর নির্যাতন ছিলো গণহত্যা। এমন স্বীকৃতি দিয়ে পার্লামেন্টে সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাব পাস করেছে কানাডা আর যুক্তরাজ্য। কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে রোহিঙ্গা নির্যাতন প্রতিষ্ঠিত করতেও এমন পদক্ষেপ দরকার ছিলো।

রোহিঙ্গাদের ন্যায় বিচার ও নির্যাতনকারীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের নেতৃত্ব দিচ্ছে কানাডা। এর অংশ হিসেবে কানাডার পার্লামেন্টে সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাব পাস করা হয়েছে। তার মানে হচ্ছে, কানাডার ক্ষমতাসীন আর বিরোধী-সবাই রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিরুদ্ধে একমত। রোহিঙ্গাদের উপর হওয়া নির্যাতনের স্বীকৃতি স্বরূপ হলেও এটি দরকার ছিলো।

এর আগে দুই দিনের সফরে মিয়ানমারের রাখাইন ঘুরে দেখেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্ট। বৈঠক করেন স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচির সাথে। তিনি বলেন রোহিঙ্গা নির্যাতনের সাথে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি। আর এতে সুচি ব্যর্থ হলে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের মতো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের বিচারের সুযোগ রয়েছে।

সুচির সাথে কথা বলে দোষীদের শাস্তির বিষয়ে সোচ্চার হওয়ার দাবি জানিয়েছি। তবে সামরিক বাহিনীকে যেহেতু সুচি নিয়ন্ত্রন করতে পারেন না তাই সেনাপ্রধান মিং অং লাইংয়ের সাথে বৈঠক জরুরী ছিলো। তাকে আমি বলতে চাই, যেকোন ধরণের সহিংসতার জন্যই জবাবদিহিতা রয়েছে। রোহিঙ্গাদের ন্যায়বিচারের জন্য বিশ্ব তাকিয়ে রয়েছে। তিনি যদি তা করতে ব্যর্থ হন তাহলে তাকেও জবাবদিহি করতে হবে।

এদিকে আগামি সোমবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিষয়টি আলোচনার কথা রয়েছে। সুচি না গেলেও এতে যোগ দেয়ার কথা রয়েছে জেরেমি হান্টের।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর