channel 24

ব্রেকিং নিউজ

  • রাজধানীর চকবাজারে আগুনে মৃত্যুর মিছিল; নিহত ৬৭...

  • আগুন নিয়ন্ত্রণ কাজের সমাপ্তি ঘোষণা ফায়ার সার্ভিসের...

  • ৩৫ জনের মরদেহ শনাক্ত, চলছে ময়নাতদন্ত ও হস্তান্তর প্রক্রিয়া...

  • রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শোক...

  • শোক জানিয়েছেন স্পিকার, এরশাদ, ওবায়দুল কাদের ও ফখরুল...

  • নিহতদের পরিবার ও আহতদের সহযোগিতার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর...

  • কিছু মরদেহ মুখ দেখে শনাক্ত করা যাবে...

  • বাকিদের ডিএনএ পরীক্ষা: ঢামেক ফরেনসিক প্রধান...

  • আহত অর্ধশতাধিক; হাসপাতালে সর্বোচ্চ সেবা দিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্দেশ..

  • নিহত ও আহত শ্রমিকদের জন্য আর্থিক সহায়তার ঘোষণা শ্রম মন্ত্রণালয়ের...

  • স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ফায়ার সার্ভিসের আলাদা তদন্ত কমিটি গঠন...

  • এক সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট দিতে স্বরাষ্ট্র সচিবের নির্দেশ...

  • ঘটনাস্থলে কেমিক্যালের অবৈধ মজুদ ছিল: বিস্ফোরক অধিদপ্তর...

  • পুরান ঢাকা থেকে কেমিক্যাল গোডাউন সরাতে...

  • নগর কর্তৃপক্ষ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: মেয়র সাঈদ খোকন...

  • ক্ষতিগ্রস্তদের সব ধরনের সহায়তা দেয়া হবে: ওবায়দুল কাদের...

  • সরকারের দায়িত্বহীনতার কারণে প্রাণহানির ঘটনা বাড়ছে: ফখরুল

রোহিঙ্গা নির্যাতনকে গণহত্যার স্বীকৃতি ইউকে এবং কানাডার পার্লামেন্টের

রোহিঙ্গা নির্যাতনকে গণহত্যার স্বীকৃতি ইউকে এবং কানাডার পার্লামেন্টের

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের উপর নির্যাতনকে গণহত্যা স্বীকৃতি দিয়ে প্রস্তাব পাস করেছে যুক্তরাজ্য এবং কানাডার পার্লামেন্ট। আর মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচির সাথে বৈঠক করে, রোহিঙ্গা নির্যাতনের সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন ব্রিটেনের পররাস্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্ট। তিনি বলেছেন, দোষীদের বিচারের আওতায় আনতে সুচি সরকার ব্যর্থ হলে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে এধরণের বিচারের সুযোগ রয়েছে।

রোহিঙ্গাদের উপর মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর নির্যাতন ছিলো গণহত্যা। এমন স্বীকৃতি দিয়ে পার্লামেন্টে সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাব পাস করেছে কানাডা আর যুক্তরাজ্য। কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে রোহিঙ্গা নির্যাতন প্রতিষ্ঠিত করতেও এমন পদক্ষেপ দরকার ছিলো।

রোহিঙ্গাদের ন্যায় বিচার ও নির্যাতনকারীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের নেতৃত্ব দিচ্ছে কানাডা। এর অংশ হিসেবে কানাডার পার্লামেন্টে সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাব পাস করা হয়েছে। তার মানে হচ্ছে, কানাডার ক্ষমতাসীন আর বিরোধী-সবাই রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিরুদ্ধে একমত। রোহিঙ্গাদের উপর হওয়া নির্যাতনের স্বীকৃতি স্বরূপ হলেও এটি দরকার ছিলো।

এর আগে দুই দিনের সফরে মিয়ানমারের রাখাইন ঘুরে দেখেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্ট। বৈঠক করেন স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচির সাথে। তিনি বলেন রোহিঙ্গা নির্যাতনের সাথে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি। আর এতে সুচি ব্যর্থ হলে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের মতো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের বিচারের সুযোগ রয়েছে।

সুচির সাথে কথা বলে দোষীদের শাস্তির বিষয়ে সোচ্চার হওয়ার দাবি জানিয়েছি। তবে সামরিক বাহিনীকে যেহেতু সুচি নিয়ন্ত্রন করতে পারেন না তাই সেনাপ্রধান মিং অং লাইংয়ের সাথে বৈঠক জরুরী ছিলো। তাকে আমি বলতে চাই, যেকোন ধরণের সহিংসতার জন্যই জবাবদিহিতা রয়েছে। রোহিঙ্গাদের ন্যায়বিচারের জন্য বিশ্ব তাকিয়ে রয়েছে। তিনি যদি তা করতে ব্যর্থ হন তাহলে তাকেও জবাবদিহি করতে হবে।

এদিকে আগামি সোমবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিষয়টি আলোচনার কথা রয়েছে। সুচি না গেলেও এতে যোগ দেয়ার কথা রয়েছে জেরেমি হান্টের।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর