channel 24

সর্বশেষ

  • প্রিয়া সাহার বক্তব্য ত্রুটিপূর্ণ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়...

  • অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে আইনি ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী...

  • প্রিয়া সাহার বক্তব্য অগ্রহণযোগ্য ও উসকানিমূলক: ওবায়দুল কাদের...

  • উপজেলা নির্বাচনে বিদ্রোহী ও মদদদাতাদের বিরুদ্ধে ২৮ জুলাই থেকে ব্যবস্থা

  • যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটায় বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছাতে সময় লাগছে: প্রতিমন্ত্রী

  • সরল বিশ্বাসের ব্যাখ্যায় দুর্নীতি শব্দটি ছিল না, দাবি দুদক চেয়ারম্যানের

  • আগস্টের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হবে, আশা প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রীর

  • 'ছেলেধরা' সন্দেহে গণপিটুনি: ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে নারীসহ নিহত ২...

  • চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, গাজীপুরে ৩ নারী ও পাবনায় যুবক আহত; কুষ্টিয়ায় আটক ১

  • তিন ওয়ানডে খেলতে শ্রীলঙ্কার পথে বাংলাদেশ দল...

  • সাকিব-মাশরাফী না থাকায় সিরিজ কঠিন হবে: তামিম ইকবাল

সামরিক যোগাযোগ চুক্তিতে নতুন মাত্রা পেয়েছে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক

সামরিক যোগাযোগ চুক্তিতে নতুন মাত্রা পেয়েছে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক

সামরিক যোগাযোগ চুক্তির মাধ্যমে নতুন মাত্রা পেয়েছে, ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড ইনিশিয়েটিভ ও ডোকলাম সীমান্ত নিয়ে এমনিতেই ভারত-চীন সম্পর্কের টানাপোড়েন  চলছে। এর মধ্যে দিল্লির সাথে ওয়াশিংটনের এই ঘনিষ্ঠতা, গোটা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রাজনীতিকে নতুন করে চাপে ফেলবে।

বৃহস্পতিবার (৬ সেপ্টেম্বর), বহুল প্রতীক্ষিত রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সর্ম্পক জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক যোগাযোগ চুক্তিতে সই করে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র। প্রথমবারের দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন এক টেবিলে।

চুক্তির আওতায় সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদানের বিষয়ে একমত হয় দুইদেশ। এমনকি উভয় দেশের সেনাবাহিনী একে অপরের সাথে গোপনীয়তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে। থাকবে দুই দেশের সেনাপ্রধানের হটলাইনও।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সমস্যা সমাধানে আমাদের দায়িত্ব রয়েছে। এই অঞ্চলের সু-শাসন, সার্বভৌমত্ব, সুমুদ্রসীমা নিয়ে আঞ্চলিক বিরোধ নিরসন করে একটি স্থিতিশীল নিরাপত্তা পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। এছাড়াও ভারত সহ এই অঞ্চলের প্রতিটি দেশকে ইরানের সাথে জ্বালানি তেলের বানিজ্য বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছি।    

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বলেন, লস্করে-ই-তৈয়বাকে জঙ্গি সংগঠন বলে আখ্যায়িত করায় ট্রাম্প প্রসাশনকে সাধুবাদ জানাই। পাকিস্তান থেকে চালানো জঙ্গি তৎপরতা ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়কেই সমান ভাবে প্রভাবিত করছে।  
 
তিনি আরও বলেন, এ চুক্তির ফলে রাশিয়া থেকে এস-ফোর-জিরো-জিরো ক্ষেপণাস্ত্র কেনার কারণে ভারতের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ থেকে বিরত থাকবে যুক্তরাষ্ট্র।

চলতি সপ্তাহেই পাকিস্তানকে প্রতিশ্রুত ৩০ কোটি ডলার সহায়তা স্থগিতের ঘোষণা দেয়, ট্রাম্প প্রশাসন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ অঞ্চলে চীন-রাশিয়ার আধিপত্য ঠেকাতেই ভারতের সঙ্গে গাটছড়া বেধেছে যুক্তরাষ্ট্র।

বিশ্লেষক জাহিদ হোসেনের মতে, পাক-মার্কিন সম্পর্কে এখন টানাপোড়েন চলছে। তবে তার মানে এই নয় যে তাদের সম্পর্ক একেবারেই শেষ। এই অঞ্চলে বিশেষ করে আফগানিস্তান ইস্যুতে তাদের একে অপরের সহযোগিতা এখোনো প্রয়োজন।

ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড ইনিশিয়েটিভ এবং ডোকালাম সীমান্ত নিয়ে এমনিতেই টানাপোড়েন চলছে, ভারত- চীন সর্ম্পকের। এর মধ্যে দিল্লি-ওয়াশিংটনের সর্ম্পকের মেরুকরণ নতুন করে চাপের মুখে ফেলবে পুরো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রাজনীতিকে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর