channel 24

সর্বশেষ

  • ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস: বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ...

  • পলাতক ৭৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

  • রোহিঙ্গাদের দ্রুত ফেরত না পাঠালে নিরাপত্তা ও...

  • স্থিতিশীলতা ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা প্রধানমন্ত্রীর

  • ঋণখেলাপিদের সুবিধা দিতে পাগল হয়ে গেছে...

  • বাংলাদেশ ব্যাংক: হাইকোর্ট; প্রজ্ঞাপনের বিষয়ে আদেশ কাল

  • ১৯৮৯ সালের হত্যা মামলা: ৩ মাসের মধ্যে নিস্পত্তির নির্দেশ হাইকোর্টের...

  • ২৮ বছর পর মামলা সচল হওয়ায় সাগেরা মোর্শেদের পরিবারের সন্তুষ্টি

  • ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী...

  • অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল ও জব্দে দুদকের চিঠি

  • দুই সাংবাদিককে ভিন্ন ভাষায় তলবকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে...

  • বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ কমিশনের; চিঠির অবমাননাকর অংশ...

  • বাদ না দিলে আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা গণমাধ্যমকর্মীদের

  • আসামে নাগরিকত্ব ইস্যু: খসড়া তালিকা থেকে ১ লাখ ২ হাজার...

  • ৪৬২ জনকে বাদ দিয়ে নতুন তালিকা প্রকাশ

বিশ্বের ৪৭ কোটি মানুষ কানে কম শোনা রোগে ভুগছেন

বিশ্বের ৪৭ কোটি মানুষ কানে কম শোনা রোগে ভুগছেন

কানে কম শোনা। অতি পরিচিত এক স্বাস্থ্য সমস্যা। আশপাশে খুজলে, কানে কম শোনা রোগে আক্রান্ত অনেককেই পাওয়া যাবে। পুরো বিশ্বে এই সংখ্যাটা কম নয়। ৪৭ কোটি মানুষ কানে কম শোনা রোগে ভুগছেন।

দেখা, শোনা, স্বাদ, গন্ধ ও স্পর্শ, ৫টি ইন্দ্রীয়র মধ্যে কোনটি আগে অনুভব করে মানুষ?

একেক জনের উত্তর একেক রকম হলেও, বিজ্ঞান বলছে, অন্য যেকোন অনুভূতির চেয়ে, মানুষ আগে শুনতে পায়। এটি এতোই দ্রুত হয় যে, শব্দ তরঙ্গ কানে পৌছানোর পর, মাত্র দশমিক ০৫ সেকেন্ডে মানুষ সেটি শুনতে পায়।

তবে, বিশ্বে তৃতীয় বড় স্বাস্থ্য সমস্যা, কানে কম শোনা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, প্রায় ৪৭ কোটি মানুষ এ সমস্যায় ভুগছেন। যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার সাড়ে ৬ শতাংশ। 

কানে কম শোনাও আবার বিভিন্ন ধরনের হয়। যাতে সবচেয়ে বেশি, কন্ডাক্টিভ হেয়ারিং লস। কানের বাইরের বা মাঝের অংশে কোনো ক্ষতি হলে, এ সমস্যা দেখা দেয়। অতিরিক্ত কান পরিষ্কার বা লোম তোলার কারণে এমনটি হতে পারে। তবে, এটি সাময়িক। এছাড়া, এয়ারড্রামে সমস্যা এবং কানে সংক্রমণ ও জ্বালাপোড়ার কারণেও কানে কম শোনা রোগ হতে পারে। 

কানের ভেতরের অংশের কোষে ক্ষতি হলে, 'সেনসরিনিউরাল হেয়ারিং লস' হয়। এ ধরনের কানে কম শোনা রোগ স্থায়ী হয়। কারণ কানের ভেতরের অংশে যে হেয়ার সেল থাকে, তা ক্ষতিগ্রস্ত হলে, নিজে থেকে তা সেরে ওঠে না। এমনকি একবার ক্ষতিগ্রস্ত হলে, চিকিৎসার মাধ্যমেও তা সারিয়ে তোলা সম্ভব নয়।

অনেক সময় একইসাথে সাময়িক এবং স্থায়ী কানে কম শোনা রোগ হতে পারে। এ ধরনের সমস্যাকে বলে, মিক্সড হেয়ারিং লস। অর্থাৎ কানের যেকোনো অংশে ক্ষতির কারণে এ ধরণের সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

স্বাস্থ্য খবর