channel 24

সর্বশেষ

  • বঙ্গমাতা গোল্ড কাপের জন্য প্রস্তুত বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম

  • মুজিব বর্ষ পালনে প্রতিটি জেলায় কমিটি গঠন করা হবে: হানিফ

  • তারেক ও জোবাইদার বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অনুসন্ধান চলছে: খুরশীদ আলম

  • দেশের বাইরে ক্যাম্প করতে আগ্রহী বাফুফে টেকনিক্যাল ডিরেক্টর

  • আবহনীকে হারিয়ে আগামীকাল শিরোপা নির্ধারন করতে চাই রুপগঞ্জ

  • তারেক ও জোবাইদার ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ হাস্যকর: ফখরুল

  • ঘর সাজানোর অন্যতম উপাদান হতে পারে ক্যাকটাস

  • চট্টগ্রামে কাঁকড়া খেয়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

  • 'শিক্ষাখাতে সংকট নিরসনে চট্টগ্রামে আরও ১৫টি সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন'

  • বিভিন্ন বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ায় মানব পাচার কমেছে

  • বান্দরবানে নদী পূজা অনুষ্ঠিত

  • টেকনাফে দু'গ্রুপের গোলাগুলিতে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত

  • বান্দরবানে চলছে পার্বত্য নদী রক্ষা সম্মেলন

  • সৌদিতে ২১ ও ২২ নভেম্বর জি-20 সম্মেলন

  • একাত্তরে গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য সবাইকে ভুমিকা রাখতে হবে

বিশ্বের ৪৭ কোটি মানুষ কানে কম শোনা রোগে ভুগছেন

বিশ্বের ৪৭ কোটি মানুষ কানে কম শোনা রোগে ভুগছেন

কানে কম শোনা। অতি পরিচিত এক স্বাস্থ্য সমস্যা। আশপাশে খুজলে, কানে কম শোনা রোগে আক্রান্ত অনেককেই পাওয়া যাবে। পুরো বিশ্বে এই সংখ্যাটা কম নয়। ৪৭ কোটি মানুষ কানে কম শোনা রোগে ভুগছেন।

দেখা, শোনা, স্বাদ, গন্ধ ও স্পর্শ, ৫টি ইন্দ্রীয়র মধ্যে কোনটি আগে অনুভব করে মানুষ?

একেক জনের উত্তর একেক রকম হলেও, বিজ্ঞান বলছে, অন্য যেকোন অনুভূতির চেয়ে, মানুষ আগে শুনতে পায়। এটি এতোই দ্রুত হয় যে, শব্দ তরঙ্গ কানে পৌছানোর পর, মাত্র দশমিক ০৫ সেকেন্ডে মানুষ সেটি শুনতে পায়।

তবে, বিশ্বে তৃতীয় বড় স্বাস্থ্য সমস্যা, কানে কম শোনা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, প্রায় ৪৭ কোটি মানুষ এ সমস্যায় ভুগছেন। যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার সাড়ে ৬ শতাংশ। 

কানে কম শোনাও আবার বিভিন্ন ধরনের হয়। যাতে সবচেয়ে বেশি, কন্ডাক্টিভ হেয়ারিং লস। কানের বাইরের বা মাঝের অংশে কোনো ক্ষতি হলে, এ সমস্যা দেখা দেয়। অতিরিক্ত কান পরিষ্কার বা লোম তোলার কারণে এমনটি হতে পারে। তবে, এটি সাময়িক। এছাড়া, এয়ারড্রামে সমস্যা এবং কানে সংক্রমণ ও জ্বালাপোড়ার কারণেও কানে কম শোনা রোগ হতে পারে। 

কানের ভেতরের অংশের কোষে ক্ষতি হলে, 'সেনসরিনিউরাল হেয়ারিং লস' হয়। এ ধরনের কানে কম শোনা রোগ স্থায়ী হয়। কারণ কানের ভেতরের অংশে যে হেয়ার সেল থাকে, তা ক্ষতিগ্রস্ত হলে, নিজে থেকে তা সেরে ওঠে না। এমনকি একবার ক্ষতিগ্রস্ত হলে, চিকিৎসার মাধ্যমেও তা সারিয়ে তোলা সম্ভব নয়।

অনেক সময় একইসাথে সাময়িক এবং স্থায়ী কানে কম শোনা রোগ হতে পারে। এ ধরনের সমস্যাকে বলে, মিক্সড হেয়ারিং লস। অর্থাৎ কানের যেকোনো অংশে ক্ষতির কারণে এ ধরণের সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

স্বাস্থ্য খবর