channel 24

সর্বশেষ

  • আজ ২৬ শে মার্চ; মহান স্বাধীনতা দিবস...

  • জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা...

  • ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা...

  • সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকমুক্ত দেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর

  • গণতন্ত্র হরণের মাধ্যমে স্বাধীনতার চেতনা ভূলুন্ঠিত করা হয়েছে: ফখরুল

  • ঐক্যবদ্ধ থাকলে জনগণকে কেউ অধিকারবঞ্চিত করতে পারবে না: ড. কামাল

  • কুষ্টিয়ায় স্বাধীনতা দিবসে শ্রদ্ধা জানানো শেষে জেলা বিএনপির...

  • সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ১১ জনকে আটকের অভিযোগ

  • মগবাজারে মনোয়ারা হাসপাতালে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে ২ শ্রমিকের মৃত্যু

জনসন বেবি পাউডারে অ্যাসবেসটস আছে কিনা পরীক্ষা করবে বাংলাদেশ

জনসন বেবি পাউডারে অ্যাসবেসটস আছে কিনা পরীক্ষা করবে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক প্রসাধনী সামগ্রী উৎপাদনকারী জনসন অ্যান্ড জনসনের বেবি পাউডারে ক্যান্সার সৃষ্টিকারক ক্ষতিকর উপাদান অ্যাসবেসটস রয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখবে বাংলাদেশ।

বিএসটিআই পরিচালক এস.এম ইসহাক আলি রয়টার্সকে বলেন, আমরা কয়েক দিনের মধ্যেই বাজার থেকে আমরা নমুনা সংগ্রহ করব। এই পরীক্ষা দেশে কিংবা দেশের বাইরে হতে পারে। বেবি পাউডারে অ্যাসবেসটস পাওয়ার আগ পর্যন্ত পণ্যটি বাজারজাত করণ বন্ধ করবে না বাংলাদেশ।

গত সপ্তাহে রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানায়, জনসনের বেবি ও ট্যালকম পাউডারে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী ক্ষতিকর অ্যাসবেসটসের উপস্থিতির কথা কয়েক দশক ধরেই জানত জনসন অ্যান্ড জনসন।

তবে জনসন এই প্রতিবেদনকে ভুয়া ও একপাক্ষিক বলে আখ্যায়িত করে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভারত সরকারের নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্ধারিত মান নিশ্চিত করে ভারতে উৎপাদিত ট্যালকম পাউডার দেশটিসহ প্রতিবেশী শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপে বিক্রি হয়। তাদের উৎপাদিত ট্যালকম পাউডার নিয়মিতই সরবরাহকারী ও স্বতন্ত্র পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করা হয় অ্যাসবেসটস মুক্ত কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্বীকার করে যে, মানব শরীরে অ্যাসবেসটস’র গ্রহনের কোনও নিরাপদ মাত্রা নেই। অ্যাসবেসটস গ্রহণকারী অনেকেরই কখনোই ক্যান্সার হয় না আবার কারও কারও ক্ষেত্রে সামান্য পরিমাণও বহু বছর পরে ক্যান্সার সৃষ্টির জন্য দায়ী। তবে কত সামান্য পরিমাণ তা নির্ধারণ করা হয়নি।

জনসন অ্যান্ড জনসনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরকারীরা অভিযোগ করেছেন, দূষিত ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করার সময়ে যে সামান্য পরিমাণ অ্যাসবেসটস তারা গ্রহণ করেছেন তা ক্যান্সার সৃষ্টির জন্য যথেষ্ট।

গত জুলাইতে ২২ নারীকে ৪৭০ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে জনসন অ্যান্ড জনসনকে নির্দেশ দেয় আদালত। এই নারীরা দাবি করেছিলেন কোম্পানির ট্যালকম পণ্যের কারণে তাদের ডিম্বাশয়ের ক্যান্সার ছড়িয়েছে। কোম্পানির ইতিহাসে সর্বোচ্চ এই ক্ষতিপূরণের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেছে জনসন অ্যান্ড জনসন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

স্বাস্থ্য খবর