channel 24

সর্বশেষ

  • সম্পদের তথ্য গোপন: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য...

  • ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার ৩ বছরের কারাদণ্ড

  • এবার সব দলের অংশগ্রহণে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে...

  • কোনো পর্যবেক্ষণ সংস্থা দায়িত্ব পালনে অনিয়ম করলে ব্যবস্থা: ইসি সচিব

  • তৃতীয় দিনের মতো চলছে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার

  • গুলশানে জাপার মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠান চলছে...

  • জাতীয় পার্টি যে জোটে তারাই ক্ষমতায় আসবে: রুহুল আমিন হাওলাদার

অসাধারণ গল্পচ্ছলে শরীর নিয়ে লেখা

অসাধারণ গল্পচ্ছলে শরীর নিয়ে লেখা

নিছক কৌতুক নয়। লেখাটি অস্ট্রেলিয়ার হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা: চৌধুরী এস এ বেগ থেকে নেয়া।

তার আগে জেনে একটু জেনে নিই কোলেস্টেরল এর প্রকারভেদ l
কোলেস্টেরল এর মূলত তিনটি ভ্যারাইটি -
১. ট্রাইগ্লিসারাইড
২. এইচ ডি এল (HDL)
৩.এল ডি এল ( LDL)

মূল লেখায় ফিরে যাই-

আমাদের শরীর যদি একটা ছোট্ট শহর হয় তবে এই শহরের প্রধান মাস্তান হচ্ছে কোলেষ্টেরল। এর সাথে কিছু সাঙ্গ পাঙ্গ আছে। তবে প্রধান সহযোগী ট্রাইগ্লিসারাইড। এদের কাজ হচ্ছে রাস্তায় রাস্তায় মাস্তানি করা, মেয়েদের টিজ করা। হৃৎপিন্ড হলো এই শহরের প্রাণকেন্দ্র। শহরের সব রাস্তাগুলো এসে প্রাণকেন্দ্রে মিশেছে।

মাস্তানের সংখ্যা বেশী হলে কি হয় আপনারা সবাই জানেন। এরা সব রাস্তাগুলো ব্লক করে দিয়ে শহরের প্রাণকেন্দ্র অচল করে দিবে। আপনিও তখন পটল তুলবেন। না তুললেও মাস্তানদের ধর্মঘটে প্রায়ই আপনার প্রিয় শহরে এমন কিছু ঘটবে যে আপনি বেঁচেও মৃতপ্রায় হয়ে থাকবেন। বিয়েতে হাতের রিং তখনও হয়ত হাতেই আছে সাথে হার্টেও রিং পড়তে হবে!

আমাদের শরীর নামক শহরে কি পুলিশ নেই? যারা মাস্তানদের ক্রসফায়ার করবে, অথবা জেলে ভরবে।

হ্যাঁ, আছে। তার নাম এইচ ডি এল।

ও পাড়ায় পাড়ায় মাস্তানী করা এসব মাস্তানদের রাস্তা থেকে তুলে এনে জেলে ভরে রাখে। জেলখানা চিনেন তো? লিভার বা কলিজা হল জেলখানা । লিভার এইগুলোকে বাইল সল্ট (পিত্ত লবন) বানিয়ে শহরের পয়নিষ্কাশন লাইনের মাধ্যমে (পায়খানার সাথে) শহর থেকে বের করে দেয়। কি অদ্ভুত শাস্তি মাস্তানদের!

খুব মজা লাগছে তাই না?

এইচ ডি এল কে বন্ধু বন্ধু লাগছে তাই না?

পুলিশের ছোট ভাই লিটল ডি এল বা সংক্ষেপে এল ডি এল আবার রাজনীতিবিদ। সে লবিং করে জেলখানা থেকে কোলেষ্টেরল বা ট্রাইগ্লিসারাইড রুপী মাস্তানদের তুলে এনে আবার রাস্তায় বসিয়ে দেয়। তাদের মাতলামো তে পুরো শরীরে জ্যাম লেগে যায়। আর এলডিএল মুখ টিপে টিপে হাসে।

এইচ ডি এল হায় হায় করে দৌড়ে আসে। কিন্তু সে এলডিএল আর মাস্তানদের যৌথ শক্তির সাথে পেরে ওঠেনা। পুলিশের সংখ্যা যত কমে মাস্তানরা ততই উল্লসিত হয়। শহরের পরিবেশ হয়ে ওঠে অস্বাস্থ্যকর।

এমন শহর কার ভালো লাগে বলুন?

আপনি মাস্তানদের কমিয়ে পুলিশ বাড়াতে চান?

তবে হাঁটুন।

আপনার প্রতি কদমে এইচডিএল (পুলিশ) বাড়বে, এলডিএল (লবিং করা রাজনীতিবিদ) কমবে, মাস্তান (কোলেষ্টেরল) কমবে! আপনার শহর (শরীর) প্রানচাঞ্চল্য ফিরে পাবে।
আপনার প্রানকেন্দ্র (হার্ট) মাস্তানদের অবরোধ (হার্ট ব্লক ) থেকে বাঁচবে।

আর শহরের প্রানকেন্দ্র (হার্ট) বাঁচা মানে আপনিও বাঁচবেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

স্বাস্থ্য খবর