channel 24

সর্বশেষ

  • চসিক নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট

  • শত শত কোটি টাকা দুর্নীতির পরও সরকার নির্বিকার: ফখরুল

  • মুজিববর্ষে বাংলাদেশ নামক ব্র্যান্ডকে বিশ্বের কাছে উপস্থাপন করা হবে: কাদের

  • রাজশাহীতে প্রেসাইজ এনার্জি বিজ্ঞান অলিম্পিয়ার্ড

  • নাটোর সরকারি হাসপাতালের আউটসোর্সিং কর্মীদের মানববন্ধন

  • দিনাজপুরে দু'পক্ষের গোলাগুলিতে নিহত ২

  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘিরে দেশজুড়ে নানা প্রস্তুতি

  • বান্দরবানে তামাকের বদলে আখ চাষে ঝুঁকছেন চাষীরা

  • একুশে ফেব্রুয়ারি পালনে বন্দরনগরীতে চলছে প্রস্তুতি

  • ৪ বছরে এসডিজি অর্জনে দুরবস্থায় বৈষম্য সূচক

  • সম্পত্তির দ্বন্দ্বের জেরে মাকে হত্যাচেষ্টা, আ.লীগ নেতা কারাগারে

  • চসিক নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন ফরম বিক্রি করছে বিএনপি

  • সূচকের পতন যেন থামছেই না পুজিঁবাজারে

  • করোনার প্রভাবে থমকে গেছে চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ

  • এবার সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

গর্ভধারণের ৩৯ সপ্তাহে সন্তান জন্মদান মা ও শিশুর জন্য ইতিবাচক: গবেষক

গর্ভধারণের ৩৯ সপ্তাহে সন্তান জন্মদান মা ও শিশুর জন্য ইতিবাচক: গবেষক

গর্ভধারণের ৩৯ সপ্তাহে সন্তান জন্মদান, মা ও শিশু দুজনের জন্যই ইতিবাচক। এতে সিজারের ঝুঁকি এড়িয়ে যেতে পারেন, প্রথমবার গর্ভধারণকারী মায়েরা। এক গবেষণায় এমন দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের একদল গবেষক। তবে, এতে ভিন্নমতও রয়েছে অনেক চিকিৎসকের। তাদের পরামর্শ, যেকোন সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করা উচিত মায়েদের।

বর্তমান সময়ে সন্তান জন্মদানে বাড়ছে সিজারের সংখ্যা। তবে ৩৯ সপ্তাহে ডেলিভারি করানো সম্ভব হলে, সিজার এড়িয়ে যেতে পারবেন প্রথমবার গর্ভধারণ করা নারীরা। এমনটাই দাবি যুক্তরাষ্ট্রের একদল চিকিৎসকের। ৪১টি হাসপাতালের ৬১ হাজার নারীর উপর গবেষণা চালিয়ে, এ তথ্য প্রকাশ করেছে, নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিন।

শিকাগোর নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ওবি-জিওয়াইএন বিশেষজ্ঞ ডা. উইলিয়াম গ্রবম্যান বলেন,
'বহু বছর ধরে ধারণা ছিলো, নির্দিষ্ট সময়ের আগে প্রসব ব্যথা হলে তা শিশুর জন্য খারাপ। আসলে এটি সত্য নয়।'

গবেষণা বলছে, ৩৯ সপ্তাহে শিশু পরিপূর্ণ হয়। এ সময়ে সন্তান জন্মদান সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ এই সময়ে নারীদের মধ্যে সিজার কিংবা উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কম থাকে। এছাড়া হাসপাতালেও কম সময় থাকতে হয়।

যারা ৩৯, ৪০, কিংবা ৪১ সপ্তাহের পর যত বেশি অপেক্ষা করা হবে, মা ও শিশুর স্বাস্থ্য ঝুঁকি তত বাড়বে।তবে অনেক চিকিৎসক বলছেন, শুধু একটি গবেষণা ফলের উপর ভিত্তি করে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত নয়। বরং কোনো জটিলতা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

নিউইয়র্কের গায়নোকোলজিস্ট ডা. সিনথিয়া গিয়াম্পি-বানারম্যান বলেন, 'সব গর্ভবতী নারীর শারীরিক অবস্থা এক থাকে না। গর্ভাবস্থায় অনেকেরই শারীরিক নানা জটিলতা দেখা দেয়। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিহেত হবে।'

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

স্বাস্থ্য খবর