channel 24

সর্বশেষ

  • চসিক নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট

  • শত শত কোটি টাকা দুর্নীতির পরও সরকার নির্বিকার: ফখরুল

  • মুজিববর্ষে বাংলাদেশ নামক ব্র্যান্ডকে বিশ্বের কাছে উপস্থাপন করা হবে: কাদের

  • রাজশাহীতে প্রেসাইজ এনার্জি বিজ্ঞান অলিম্পিয়ার্ড

  • নাটোর সরকারি হাসপাতালের আউটসোর্সিং কর্মীদের মানববন্ধন

  • দিনাজপুরে দু'পক্ষের গোলাগুলিতে নিহত ২

  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘিরে দেশজুড়ে নানা প্রস্তুতি

  • বান্দরবানে তামাকের বদলে আখ চাষে ঝুঁকছেন চাষীরা

  • একুশে ফেব্রুয়ারি পালনে বন্দরনগরীতে চলছে প্রস্তুতি

  • ৪ বছরে এসডিজি অর্জনে দুরবস্থায় বৈষম্য সূচক

  • সম্পত্তির দ্বন্দ্বের জেরে মাকে হত্যাচেষ্টা, আ.লীগ নেতা কারাগারে

  • চসিক নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন ফরম বিক্রি করছে বিএনপি

  • সূচকের পতন যেন থামছেই না পুজিঁবাজারে

  • করোনার প্রভাবে থমকে গেছে চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ

  • এবার সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

প্রায় বিনামূল্যে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে আজিমপুর মাতৃসদন

প্রায় বিনামূল্যে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে আজিমপুর মাতৃসদন

দেশে কম খরচে মানসম্মত সরকারি স্বাস্থ্যসেবা এখনও একটা বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু আজিমপুর মাতৃসদন ও শিশু হাসপাতাল এখানে ব্যতিক্রম। প্রায় বিনামূল্যে প্রতিদিন অসংখ্য মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে হাসপাতালটি। অর্জন করেছে জনগণের আস্থা। তবে আইসিইউ সেবাসহ জনবল বাড়ানোর  দাবি জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতালে পা দিতেই শোনা যাবে নানা বয়সী শিশুর কোলাহল। দেখা যাবে মায়েদের পদচারণা। আজিমপুর মাতৃসদন ও শিশুস্বাস্থ্য হাসপাতালে সারা দিনের চিত্র এমনই।

ঢাকার পুরাতন অংশে বিশাল জনগোষ্ঠীর কাছে আস্থার হাসপাতাল এই আজিমপুর মাতৃসদন। বিশেষত মধ্য ও নিম্ন আয়ের মানুষদের কাছে। ব্রিটিশ শাসনামলে ২০টি শয্যা নিয়ে পথচলা শুরু করা এই হাসপাতাল এখন ১৭৩ শয্যার। ২০০০ সালে জাপান সরকারের সহায়তায় পুরো ঢেলে সাজানো হয় হাসপাতালটি। বহির্বিভাগে মাত্র পাঁচ টাকায় মেলে চিকিৎসকের পরামর্শ।

এছাড়া বিনামূল্যে সন্তান প্রসব সুবিধা থেকে শুরু করে, ওষুধ ও পরীক্ষা-নীরিক্ষাও করাতে পারেন রোগীরা। তাই শুধু আজিমপুর নয়, রাজধানীর অদূরে কেরাণীগঞ্জ, নবাবগঞ্জ থেকেও চিকিৎসা নিতে আসেন অনেকে।

মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি চিকিৎসক, নার্স, মিডওয়াফদের প্রশিক্ষণও দিয়ে থাকে হাসপাতালটি।

হাসপাতালটির পরিচালক জানালেন, জনবল বাড়ানোসহ কিছু সুবিধা যোগ করা গেলে, আরও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব।

১৯৯৭ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফ শিশু বান্ধব হাসপাতালের স্বীকৃতি পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

স্বাস্থ্য খবর