channel 24

সর্বশেষ

  • কুষ্টিয়ার স্থানীয় বাজারে দুদিনে কমবে চালের দাম: জেলা প্রশাসক

  • নারী বাইকারের স্কুটি চুরি; গ্রেপ্তার জোবাইদুল দুদিনের রিমান্ডে

  • জুলহাজ-তনয় হত্যা মামলার আসামি আসাদুল্লাহ ৩ দিনের রিমান্ডে

  • নির্বাচন নিয়ে তামাশায় আ.লীগেরই বেশি ক্ষতি হয়েছে: ফখরুল

  • কমিশনে বৈঠকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত; টিআইবির রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান: সিইসি

  • গ্যাটকো দুর্নীতি: অভিযোগ গঠনের পরবর্তী শুনানি ২৪ জানুয়ারি...

  • খালেদা জিয়াসহ সব আসামিকে হাজির করার নির্দেশ

  • এক বছরের নিচে ও ৬৫ বছরের বেশি বয়সী নাগরিককে...

  • বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • সুষ্ঠু নির্বাচন যারা মানে না, তাদেরই ক্ষমা চাওয়া উচিত: কাদের

  • ঢাকা উত্তরের মেয়র পদে উপনির্বাচন হতে বাধা নেই: হাইকোর্ট...

  • নির্বাচন নিয়ে স্থগিতাদেশ ও রুল খারিজ

প্রায় বিনামূল্যে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে আজিমপুর মাতৃসদন

প্রায় বিনামূল্যে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে আজিমপুর মাতৃসদন

দেশে কম খরচে মানসম্মত সরকারি স্বাস্থ্যসেবা এখনও একটা বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু আজিমপুর মাতৃসদন ও শিশু হাসপাতাল এখানে ব্যতিক্রম। প্রায় বিনামূল্যে প্রতিদিন অসংখ্য মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে হাসপাতালটি। অর্জন করেছে জনগণের আস্থা। তবে আইসিইউ সেবাসহ জনবল বাড়ানোর  দাবি জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতালে পা দিতেই শোনা যাবে নানা বয়সী শিশুর কোলাহল। দেখা যাবে মায়েদের পদচারণা। আজিমপুর মাতৃসদন ও শিশুস্বাস্থ্য হাসপাতালে সারা দিনের চিত্র এমনই।

ঢাকার পুরাতন অংশে বিশাল জনগোষ্ঠীর কাছে আস্থার হাসপাতাল এই আজিমপুর মাতৃসদন। বিশেষত মধ্য ও নিম্ন আয়ের মানুষদের কাছে। ব্রিটিশ শাসনামলে ২০টি শয্যা নিয়ে পথচলা শুরু করা এই হাসপাতাল এখন ১৭৩ শয্যার। ২০০০ সালে জাপান সরকারের সহায়তায় পুরো ঢেলে সাজানো হয় হাসপাতালটি। বহির্বিভাগে মাত্র পাঁচ টাকায় মেলে চিকিৎসকের পরামর্শ।

এছাড়া বিনামূল্যে সন্তান প্রসব সুবিধা থেকে শুরু করে, ওষুধ ও পরীক্ষা-নীরিক্ষাও করাতে পারেন রোগীরা। তাই শুধু আজিমপুর নয়, রাজধানীর অদূরে কেরাণীগঞ্জ, নবাবগঞ্জ থেকেও চিকিৎসা নিতে আসেন অনেকে।

মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি চিকিৎসক, নার্স, মিডওয়াফদের প্রশিক্ষণও দিয়ে থাকে হাসপাতালটি।

হাসপাতালটির পরিচালক জানালেন, জনবল বাড়ানোসহ কিছু সুবিধা যোগ করা গেলে, আরও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব।

১৯৯৭ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফ শিশু বান্ধব হাসপাতালের স্বীকৃতি পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

স্বাস্থ্য খবর