channel 24

সর্বশেষ

  • জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে যোগ দিতে...

  • নিউইয়র্ক যাওয়ার পথে যাত্রাবিরতিতে লন্ডনে প্রধানমন্ত্রী

  • কক্সবাজারের উদ্দেশে সড়ক পথে আ.লীগের সাংগঠনিক সফর শুরু...

  • নির্বাচনে জনপ্রিয় ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেয়া হবে: কুমিল্লায় সেতুমন্ত্রী

  • রেলপথের মতো সড়কপথের প্রচারণাতেও ব্যর্থ হবে আ.লীগ: রিজভী

  • ২০১৮'র শেষ অথবা ২০১৯'র শুরুতে জাতীয় নির্বাচন: সিইসি...

  • আইনগত ভিত্তি পেলেই ইভিএম ব্যবহার করা হবে

  • নরসিংদীতে ব্রহ্মপুত্র নদে নৌকাডুবি; ভাইবোনসহ ৩ জনের মৃত্যু

কুকুরের মুখের লালা থেকে ছড়াচ্ছে ক্যাপনোসাইটোফাগা নামে ব্যাকটেরিয়া

কুকুরের মুখের লালা থেকে ছড়াচ্ছে ক্যাপনোসাইটোফাগা নামে ব্যাকটেরিয়া

কুকুরের মুখের লালা থেকে ছড়াচ্ছে, ক্যাপনোসাইটোফাগা ক্যানিমোরসেস নামে ব্যাকটেরিয়া। কেউ আক্রান্ত হওয়ার ৩ থেকে ৫ দিনের মাথায় জ্বর, মাংসপেশীতে ব্যথা, বমি, শরীরে দুর্বলতা এবং অনেকক্ষেত্রে ডায়রিয়া দেখা দেয়। ৯৯ ভাগ ক্ষেত্রেই এটি ক্ষতিকর না হলেও, কিছুক্ষেত্রে রক্তকে দূষিত করে তোলে এই ব্যাকটেরিয়া। ক্যাপনোসাইটোফাগা থেকে বাঁচতে কুকুর বিড়াল পোষার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ মার্কিন চিকিৎসকদের।

পোষা প্রাণী হিসেবে কুকুর বেশ জনপ্রিয়। তবে, এই কুকুরই হতে পারে, ভয়াবহ রক্তবাহিত ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণ।

কুকুরের মুখের লালা থেকে ছড়ানো ক্যাপনোসাইটোফাগা ভাইরাসে এখন মৃত্যুপথযাত্রী, যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিনের বাসিন্দা গ্রেগ মেনটিউফেল। ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমনে তার বুক ও মুখমণ্ডলসহ পুরো শরীর কালশিটে দাগ দেখা দেয়। শরীরের অনেকাংশে পচন ধরে যাওয়ায় কেটে ফেলতে হয়েছে, দুই পা এবং হাত।

গ্রেগের স্ত্রীর দাবি, ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত অনেকটাই স্বাস্থ্যবান ছিলেন, ৪৮ বছর বয়সী মেনটিউফেল।

অসুস্থ গ্রেগের স্ত্রী ডন ম্যানটুয়েফেল বলেন, 'যদি কারো মুখে এ গল্প শুনতাম তাহলে বিশ্বাস করতাম না, যেহেতু আমি নিজে স্বচক্ষে দেখেছি। আমাদের পোষা কুকুরসহ মোট ৮ টি কুকুরের সংস্পর্শে ছিলো গ্রেগ।' তাকে জিজ্ঞেসও করেছি, কোন কুকুর থেকে এটা ছড়িয়েছে, কিন্তু গ্রেগ মনে করতে পারছে না।   

চিকিৎসাবিজ্ঞানে রক্তবাহিত এ ব্যাকটেরিয়ার নাম, ক্যাপনোসাইটোফাগা ক্যানিমোরসেস। কুকুর-বিড়ালের লালা থেকে ছড়ায় এটি। আক্রান্ত হওয়ার ৩ থেকে ৫ দিনের মাথায় জ্বর, মাংসপেশীতে ব্যথা, বমি, শরীরে দুর্বলতা এবং অনেকক্ষেত্রে ডায়রিয়া দেখা দেয়। ৯৯ ভাগ ক্ষেত্রেই এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেকাংশেই রক্তকে দূষিত করে তোলে ব্যাকটেরিয়া। ফলে মৃত্যুও ঘটে আক্রান্ত ব্যক্তির।

ফ্রোয়েডট্রেট অ্যান্ড দ্য মেডিকেল কলেজ অব উইসকনসিনের রোগতত্ত্ববিদ ডা. সিলভিয়া মুনোজ প্রাইস বলেন, 'পোষাপ্রাণীর মালিকদের বলতে চাই, মটরগাড়ি চাপায় কারো প্রাণহানি হলে, সেক্ষেত্রে এ ধরনের ভাইরাস সংক্রমনের আশঙ্কা থাকে। তাই, বিরল এই ভাইরাস কীভাবে প্রাণঘাতী হয়ে উঠলো তা নিয়ে আমরা পরীক্ষা নিরীক্ষা করছি।'

এই ভাইরাসের প্রকোপ থেকে বাঁচতে, কুকুর-বিড়াল পোষায় আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

স্বাস্থ্য খবর