channel 24

সর্বশেষ

  • প্রিয়া সাহার বক্তব্য ত্রুটিপূর্ণ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়...

  • অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে আইনি ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী...

  • প্রিয়া সাহার বক্তব্য অগ্রহণযোগ্য ও উসকানিমূলক: ওবায়দুল কাদের...

  • উপজেলা নির্বাচনে বিদ্রোহী ও মদদদাতাদের বিরুদ্ধে ২৮ জুলাই থেকে ব্যবস্থা

  • যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটায় বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছাতে সময় লাগছে: প্রতিমন্ত্রী

  • সরল বিশ্বাসের ব্যাখ্যায় দুর্নীতি শব্দটি ছিল না, দাবি দুদক চেয়ারম্যানের

  • আগস্টের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হবে, আশা প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রীর

  • 'ছেলেধরা' সন্দেহে গণপিটুনি: ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে নারীসহ নিহত ২...

  • চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, গাজীপুরে ৩ নারী ও পাবনায় যুবক আহত; কুষ্টিয়ায় আটক ১

  • তিন ওয়ানডে খেলতে শ্রীলঙ্কার পথে বাংলাদেশ দল...

  • সাকিব-মাশরাফী না থাকায় সিরিজ কঠিন হবে: তামিম ইকবাল

টেস্ট টিউব পদ্ধতিতে সন্তান জন্মদানে সফলতার হার ৩০ শতাংশ

টেস্ট টিউব পদ্ধতিতে সন্তান জন্মদানে সফলতার হার ৩০ শতাংশ

টেস্ট টিউব বেবির ধারণা ৪০ বছরের পুরোনো। এপর্যন্ত লাখো শিশু জন্ম নিয়েছে এই প্রক্রিয়ায়। তবে এখনো এই পদ্ধতিতে সন্তান জন্মদানে সফলতার হার মাত্র ৩০ শতাংশ। ফলে অনেক নি:সন্তান দম্পতিকেই মেনে নিতে হচ্ছে নিয়তিকে। গবেষকরা বলছেন, আরো গবেষণার সুযোগ রয়েছে, এই পদ্ধতি নিয়ে।

১৯৭৮ সালের ২৫ জুলাই লন্ডনে জন্ম নেয় প্রথম আইভিএফ বা টেস্ট টিউব বেবি লুইস জয় ব্রাউন।
এরপর কেটে গেছে ৪০ বছর। ইউরোপিয়ান সোসাইটি অব হিউম্যান রিপ্রোডাকশন এন্ড এমব্রায়োলজির হিসাবে, এ পর্যন্ত টেস্ট টিউব বেবি জন্ম দিয়েছেন প্রায় ৮০ লাখ নারী।
হিউম্যান ফার্টিলাইজেশন এন্ড এমব্রায়োলজি অথরিটির চেয়ারওম্যান সেলি চেশায়ার বলেন, 'আইভিএফ পৃথিবী বদলে দিয়েছে। এই পদ্ধতিতে কত শিশু জন্ম নিয়েছে তার সঠিক সংখ্যা জানা নেই। তবে এ পদ্ধতির কারণে সারা বিশ্বে লাখ লাখ দম্পতির জীবন বদলে গেছে।'
এই সফলতায় থেমে নেই প্রজনন প্রযুক্তির উন্নয়ন। গবেষকরা বলছেন, টেস্ট টিউব বেবির ধারণা প্রজনন গবেষণার সূচনা মাত্র।
লন্ডনের গাইম হসপিটালের রিপ্রোডাক্টিভ মেডিসিন এন্ড সার্জারির অধ্যাপক ইয়াকুব খালাফ বলেন, 'এই গবেষণা জীববিজ্ঞানের অনেক রহস্যের সমাধান করতে পারে। মানবদেহের ডিম্বানু আর শুক্রানুর মিলন ঘটিয়ে ভ্রূণ তৈরির চেয়ে আরো বেশি উন্নত পদ্ধতি আবিষ্কার হতে পারে।' 
তবে আইভিএফ পদ্ধতির সফলতার হার মাত্র ৩০ শতাংশ। এছাড়া এই পদ্ধতি বেশ ব্যয়বহুল। গবেষকরা বলছেন, আইভিএফকে হাতের নাগালে নিয়ে আসতে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।
লন্ডনের গাইম হসপিটালের রিপ্রোডাক্টিভ মেডিসিন এন্ড সার্জারির অধ্যাপক ইয়াকুব খালাফ বলেন, 'আইভিএফের আরো উন্নয়ন দরকার। নতুন গবেষণায়, কৃত্রিমভাবে স্টিম সেল দিয়ে ডিম্বানু ও শুক্রানু তৈরির চেষ্টা চলছে।'

সর্বশেষ সংবাদ

স্বাস্থ্য খবর