channel 24

সর্বশেষ

  • পত্রিকার সম্পাদকদের সঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের বৈঠক

  • পাকিস্তান সফরে যাচ্ছে না বাংলাদেশ হকি দল

  • বাংলা চলচ্চিত্রের উজ্জ্বল নক্ষত্র পরিচালক সুভাষ দত্ত

  • বলিউডে মুক্তি পেল যেসব ছবি

  • ভাষা আন্দোলন নিয়ে তৌকিরের পরিচালনায় নির্মিত হচ্ছে 'ফাগুন হাওয়ায়'

  • কোপা আমেরিকায় মেসির খেলা নিয়ে অনিশ্চিয়তা

  • উয়েফা নেশন্স লিগে মাঠে নামছে ইউরোপের দেশগুলো

  • চট্টগ্রামে অনুশীলনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

  • ক্যারিবিয়দের বিপক্ষে সিরিজে সাকিব-তামিমের জন্য অপেক্ষায় টিম ম্যানেজমেন্ট

  • চট্টগ্রামে চলছে চাকরি মেলা

  • নরসিংদীর বাঁশগাড়িতে আ.লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু

  • নির্বাচনি ইশতেহারে স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার আহবান

  • রাইড শেয়ারিং অ্যাপ উবারের ১০৭ কোটি ডলার লোকসান

  • মূলার বাম্পার ফলনের পরও লোকসানে লালমনিরহাটের চাষীরা

  • ইতিহাসের সাক্ষী হবার অপেক্ষায় নোয়াখালী শহীদ ভুলু স্টেডিয়াম

টেস্ট টিউব পদ্ধতিতে সন্তান জন্মদানে সফলতার হার ৩০ শতাংশ

টেস্ট টিউব পদ্ধতিতে সন্তান জন্মদানে সফলতার হার ৩০ শতাংশ

টেস্ট টিউব বেবির ধারণা ৪০ বছরের পুরোনো। এপর্যন্ত লাখো শিশু জন্ম নিয়েছে এই প্রক্রিয়ায়। তবে এখনো এই পদ্ধতিতে সন্তান জন্মদানে সফলতার হার মাত্র ৩০ শতাংশ। ফলে অনেক নি:সন্তান দম্পতিকেই মেনে নিতে হচ্ছে নিয়তিকে। গবেষকরা বলছেন, আরো গবেষণার সুযোগ রয়েছে, এই পদ্ধতি নিয়ে।

১৯৭৮ সালের ২৫ জুলাই লন্ডনে জন্ম নেয় প্রথম আইভিএফ বা টেস্ট টিউব বেবি লুইস জয় ব্রাউন।
এরপর কেটে গেছে ৪০ বছর। ইউরোপিয়ান সোসাইটি অব হিউম্যান রিপ্রোডাকশন এন্ড এমব্রায়োলজির হিসাবে, এ পর্যন্ত টেস্ট টিউব বেবি জন্ম দিয়েছেন প্রায় ৮০ লাখ নারী।
হিউম্যান ফার্টিলাইজেশন এন্ড এমব্রায়োলজি অথরিটির চেয়ারওম্যান সেলি চেশায়ার বলেন, 'আইভিএফ পৃথিবী বদলে দিয়েছে। এই পদ্ধতিতে কত শিশু জন্ম নিয়েছে তার সঠিক সংখ্যা জানা নেই। তবে এ পদ্ধতির কারণে সারা বিশ্বে লাখ লাখ দম্পতির জীবন বদলে গেছে।'
এই সফলতায় থেমে নেই প্রজনন প্রযুক্তির উন্নয়ন। গবেষকরা বলছেন, টেস্ট টিউব বেবির ধারণা প্রজনন গবেষণার সূচনা মাত্র।
লন্ডনের গাইম হসপিটালের রিপ্রোডাক্টিভ মেডিসিন এন্ড সার্জারির অধ্যাপক ইয়াকুব খালাফ বলেন, 'এই গবেষণা জীববিজ্ঞানের অনেক রহস্যের সমাধান করতে পারে। মানবদেহের ডিম্বানু আর শুক্রানুর মিলন ঘটিয়ে ভ্রূণ তৈরির চেয়ে আরো বেশি উন্নত পদ্ধতি আবিষ্কার হতে পারে।' 
তবে আইভিএফ পদ্ধতির সফলতার হার মাত্র ৩০ শতাংশ। এছাড়া এই পদ্ধতি বেশ ব্যয়বহুল। গবেষকরা বলছেন, আইভিএফকে হাতের নাগালে নিয়ে আসতে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।
লন্ডনের গাইম হসপিটালের রিপ্রোডাক্টিভ মেডিসিন এন্ড সার্জারির অধ্যাপক ইয়াকুব খালাফ বলেন, 'আইভিএফের আরো উন্নয়ন দরকার। নতুন গবেষণায়, কৃত্রিমভাবে স্টিম সেল দিয়ে ডিম্বানু ও শুক্রানু তৈরির চেষ্টা চলছে।'

সর্বশেষ সংবাদ

স্বাস্থ্য খবর