channel 24

সর্বশেষ

  • ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা ও কুষ্টিয়ায় ২ শিশুর মৃত্যু

  • বিমানের রক্ষণাবেক্ষণসহ যাত্রীসেবার মান বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

  • পেঁয়াজের মজুদ সন্তোষজনক, আতঙ্কের কিছু নেই: বাণিজ্য সচিব...

  • ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাম কমে আসবে: ট্যারিফ কমিশন

  • বিশ্বশান্তি ও সমৃদ্ধিতে বাংলাদেশের অবদানে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে জাতিসংঘ...

  • সদস্যপদ প্রাপ্তির ৪৫ বছর পূর্তিতে আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পোর টুইট

  • বিমানের চতুর্থ ড্রিমলাইনার 'রাজহংস' উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

  • আফগানিস্তানের পারওয়ান প্রদেশে প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানির...

  • নির্বাচনি মিছিলে বিস্ফোরণে নিহত ২৪, নিরাপদে প্রেসিডেন্ট

  • একনেকে ৮ হাজার ৯৬৮ কোটি টাকার ৮টি প্রকল্প অনুমোদন...

  • প্রকল্প ব্যয়ের বিষয়গুলো আরও খতিয়ে দেখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

  • জাবি ভিসি আইনের ঊর্ধ্বে নন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা: কাদের

  • ভীতি আর অনিশ্চয়তার মধ্যে বেড়ে উঠছে শিশুরা: মির্জা ফখরুল

  • ছাত্রলীগ ডাকসুকে তাদের সংগঠনের মুখপাত্র বানিয়ে ফেলেছে: ভিপি...

  • আনুষ্ঠানিক কাজে ভিপির সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ এজিএসের

  • ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

চলে গেলেন প্রখ্যাত নাট্যকার মমতাজউদ্দিন আহমদ

চলে গেলেন প্রখ্যাত নাট্যকার মমতাজউদ্দিন আহমদ

চলে গেলেন ভাষাসংগ্রামী, প্রখ্যাত নাট্যকার ও অভিনেতা মমতাজ উদ্দীন আহমদ। রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল পৌনে চারটার দিকে মারা যান তিনি। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের নাট্য-আন্দোলনের পথিকৃৎ ছিলেন মমতাজ উদ্দীন আহমদ। গুণী এই ব্যক্তির মৃত্যুতে সংস্কৃতি অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

গত ১৬ দিন ধরে মমতাজউদদীন আহমদ রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সম্প্রতি শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।

৩ জুন সোমবার সকালে দ্বিতীয় জানাজা হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদে। এরপর দাফনের জন্য নিয়ে যাওয়া হবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট গ্রামে।

স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ মমতাজউদদীন আহমদ ১৯৩৫ সালের ১৮ জানুয়ারি চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার হাবিবপুর থানার আইহো গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৯৭ সালে নাট্যকার হিসেবে একুশে পদক লাভ করেন। 

এছাড়া ঢাকা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করেছেন। এছাড়া জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচী প্রণয়নে কাজ করেছেন। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরিচালকও ছিলেন।

১৭ বছর বয়সে রাজশাহী সরকারি কলেজের ছাত্রাবস্থায় ভাষা আন্দোলনে যোগ দেন মমতাজউদদীন। বায়ান্নর ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজশাহী সরকারি কলেজে ইট কাদামাটিতে যে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়েছিল তাতে মমতাজউদদীনও ভূমিকা রেখেছিলেন।

মমতাজউদ্‌দীনের লেখা নাটক 'কী চাহ শঙ্খচিল' এবং 'রাজার অনুস্বারের পালা' কলকাতার রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্য তালিকাভুক্ত হয়েছিল। তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার, শিশু একাডেমি পুরস্কার, আলাউল সাহিত্য পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। 

তার রচিত নাটকের মধ্যে 'নাট্যত্রয়ী', 'হৃদয়ঘটিত ব্যাপার স্যাপার', 'স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা', 'জমিদার দর্পণ', 'সাত ঘাটের কানাকড়ি' অন্যতম।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিনোদন খবর