channel 24

সর্বশেষ

  • দুর্নীতি, টেন্ডারবাজ আর সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার অ্যাকশন শুরু: কাদের

  • জি কে শামীমকে থানায় হস্তান্তর; অস্ত্র, মাদক ও মানি লন্ডারিংয়ে মামলা...

  • অস্ত্র ও মাদক মামলায় ৭ দিন করে ১৪ দিনের রিমান্ড আবেদন

  • গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির পদত্যাগ দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে সহকারী প্রক্টর হুমায়ুন কবিরের পদত্যাগ

  • প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই দুর্নীতি ও অপকর্মের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে...

  • তথ্য প্রমাণ পেলে শুধু সম্রাট নয়, কেউ ছাড় পাবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • আ.লীগের তৃণমূল থেকে উচ্চ পর্যায় দুর্নীতিতে নিমজ্জিত: ফখরুল

  • অস্ত্র ও মাদক আইনে গ্রেপ্তার কলাবাগান ক্লাবের সভাপতি...

  • সফিকুল ইসলাম ফিরোজের ২০ দিনের রিমান্ড আবেদন

  • ভিসির পদত্যাগ দাবি: গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা...

  • আন্দোলন ঘিরে বহিরাগতদের হামলায় আহত অন্তত ২০ শিক্ষার্থী

  • চট্টগ্রামে জিয়াদ হত্যা মামলার আসামি রাসেল 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত

  • ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেলে নারীর মৃত্যু...

  • গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৪০৮ জন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

জামানত বাজেয়াপ্তের রেকর্ড

জামানত বাজেয়াপ্তের রেকর্ড

এবার জামানত হারিয়েছেন, রেকর্ড সংখ্যক প্রার্থী। যে তালিকায় আছেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের মতো ডাকসাইটে অনেক নেতা। নির্বাচন কমিশনের হিসাব বলছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, সাবেক ছয় মন্ত্রী ও ছয়জন প্রতিমন্ত্রীসহ জামানত হারিয়েছেন বিএনপির ১৫২ জন। আর ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের ২৯৭ জন প্রার্থীর মধ্যে জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন মাত্র একজন।

জাতীয় নির্বাচনে এবার রেকর্ড সংখ্যক প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। অর্থাৎ, কোনো প্রাপ্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোটও পাননি তারা।

জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া এক হাজার ৪২২ জনের মধ্যে, ধানের শীষ প্রতীকেরই ১৬৩ জন।

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ২৮১টি আসোন লড়েছেন বিএনপি, ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলের প্রার্থীরা। জয়ী পাঁচজন বাদে বিএনপির ১৫২ এবং জামায়াতের ১১ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। যে তালিকায় আছেন সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. আবদুল মঈন খান, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, আবদুল্লাহ আল নোমান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী এবং হাফিজ উদ্দিন আহমেদের মতো ডাকসাইটে নেতাও।

এছাড়া বিএনপি নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, হাফিজ ইব্রাহিম, মাহবুব উদ্দিন খোকন, খন্দকার মাহবুব হোসেন, শাহজাহান ওমর, লুৎফর রহমান খান আজাদ, মিজানুর রহমান সিনহা, রেদোয়ান আহমদও হারিয়েছেন জামানতের অর্থ।

সম্প্রতি আয়ামী লীগ থেকে গণফোরামে যোগ দেয়া অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, জামায়াতের রফিকুল ইসলাম খান, মিয়া গোলাম পারোয়ার, আবুল কালাম আজাদ, যুদ্ধাপরাধী দেলাওয়ার হোসানাই সাঈদীর ছেলে শামীম সাঈদীরও জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

কাস্তে প্রতীকে নির্বাচন করে জামানত হারিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি। আর মোটরগাড়ি মার্কায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা, গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারও হারিয়েছেন জামানতের অর্থ।

এর আগে কোনো নির্বাচনেই এতো বেশি সংখ্যক প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়নি। সবশেষ নবম জাতীয় নির্বাচনে এক হাজার ৫৬৭ প্রার্থীর মধ্যে ৯৪১ জন জামানত হারিয়েছিলেন।

এবার জামানত বাজেয়াপ্তদের তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে আছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ২৯৭ জন প্রার্থীর মধ্যে জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন মাত্র একজন। আর জাতীয় পার্টির ১৫৪ জনের মধ্যে জামানত হারিয়েছেন ১৩৩ জন।

১৩০ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ১১৬ জনেরই।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

একাদশ জাতীয় নির্বাচন খবর