channel 24

সর্বশেষ

  • ঢাকায় পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে ব্যর্থতা স্বীকার ডিএমপি কমিশনারের

  • ছাত্র আন্দোলনে উসকানি বিএনপির দেউলিয়াত্বের প্রমাণ: হানিফ

  • পদ্মাসেতুর জাজিরা প্রান্তে আজ বসানো হচ্ছে না অষ্টম স্প্যান

  • এমপিওভুক্তির দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে...

  • সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করছে শিক্ষকরা

  • সড়ক দুর্ঘটনায় সিরাজগঞ্জ, খুলনা ও নরসিংদীতে ৩ স্কুলশিক্ষার্থী নিহত

  • রাজধানীর কল্যাণপুরে তেলবাহী লরির ধাক্কায় মাদ্রাসা শিক্ষক নিহত

রাজশাহী বিভাগের নির্বাচনের সার্বিক চিত্র

রাজশাহী বিভাগের নির্বাচনের সার্বিক চিত্র

ছয় মৌসুমের দেশ বাংলাদেশ। তবে এ বছর বাংলা পঞ্জিকায় না হলেও বাস্তবে মৌসুম সাতটি। বাড়তি আরেকটি হলো ভোটের মৌসুম। এক নজরে দেখে নিবো রাজশাহী বিভাগের ভোটের চিত্র।

আমের রাজধানী খ্যাত রাজশাহী অঞ্চল। সিল্কের সুনামের সাথে আছে রেশম নানা গল্প। বর্গ কিলোমিটার আয়তনের সংসদীয় আসন ৩৯টি। মোট ভোটার প্রায় দেড় কোটি। এরমধ্যে নারী ৫৯ লাখ ৮৬ হাজার ও পুরুষ ভোটার ৬৮ লাখ ৭৬ হাজার। আর এবার নতুন ভোটার দশ লাখের কাছাকাছি।

রাজশাহী জেলার ৬টি আসনের ৫টিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী দিলেও রাজশাহী-২ আসন ছেড়ে দেয়া হয়েছে ওয়ার্কাস পার্টিকে। এখানে নৌকা প্রতীকে লড়বেন ফজলে হোসেন বাদশা। আর তার প্রতিদ্বন্দ্বি ধানের শীষের মিজানুর রহমান মিনু। আর রাজশাহী-৬ আসনে নৌকা প্রতীকে আছেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। যদিও আসনটিতে প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে, ধানের শীষের প্রার্থীর। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ৬টি আসনেই জয় পায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে হেভিওয়েট কোনো প্রার্থী নেই। জেলার তিনটি আসনেই প্রার্থী আছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির। ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালের ভোটে জেলার সবকটি আসনে বিএনপি জিতলেও, পরের নির্বাচনে জয় পায় আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা।

বিএনপির বেশ শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত বগুড়া। ২০১৪ সালের নির্বাচন বর্জন করায় অনেকটাই ব্যাকফুটে ধানের শীষের প্রার্থীরা। বগুড়া-২ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে লড়ছেন নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না। এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মহাজোটের পক্ষে জাতীয় পার্টির শরীফুল হক জিন্নাহ। বগুড়া-৬ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়ছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার বিপরীতে লড়ছেন জাতীয় পার্টির নুরুল ইসলাম ওমর। বগুড়া-৭ আসনেও আছেন জাতীয় পার্টির মহাম্মদ আলতাফ আলী। যদিও প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে বিএনপির মোরশেদ মিল্টনের।

পাশের জেলা জয়পুরহাটে আসন মাত্র দুটি। নৌকা প্রতীকে লড়ছেন শামসুল আলম দুদু ও আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন। আর ধানের শীষ প্রতীকে জয়পুরহাট-১ আসনে ফজলুর রহমানের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। অন্য আসনে আছেন আবু ইউসূফ খলিলুর রহমান।

নওগাঁয় আসন ৬টি। অন্য জেলাগুলোতে জাতীয় পার্টির প্রার্থী থাকলেও এখানে আধিপত্য আওয়ামী লীগের। সবগুলো আসনেই প্রার্থী আছে বিএনপিরও। ২০০১ সালের নির্বাচনে ৬টি আসনের ৫টিতে জয় পায় বিএনপি প্রার্থীরা আর একটিতে আওয়ামী লীগ। আর পরের নির্বাচনে সবগুলোতেই জয় পায় আওয়ামী লীগ।

একসময়ের বিএনপির ঘাঁটি নাটোরের আসন ৪টি। জেলায় পরিচিত মুখ আওয়ামী লীগের জুনাইদ আহমেদ পলক। আর বিএনপির তেমন কোনো পরিচিত মুখ নেই এ জেলায়। ৪টিতে আসনেই প্রার্থী দিয়েছিলো দলটি। তবে নাটোর-৪ আসনে আব্দুল আজিজের প্রার্থিতা বাতিল হয়ে যাওয়ায় নৌকার শক্ত কোনো প্রতিদ্বন্দ্বি নেই।

সিরাজগঞ্জ জেলার ৬টি আসনেই আছে আওয়ামী লীগের প্রার্থী। এরমধ্যে হেভিওয়েট প্রার্থী স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম সাথে লড়ছেন বিএনপির কণ্ঠ শিল্পি রুমানা মোরশেদ কনকচাপা।  ২০০৮ সালে ৬টি আসনের মধ্যে ৫টিতে আওয়ামী লীগ ও একটিতে বিএনপি জয় পায়।

পাবনায় ৫টি সংসদীয় আসনের মধ্যে সবার চোখ থাকবে ১ আসনে। এখানে ভোটের লড়াইয়ে নেমেছেন আওয়ামী লীগ ছেড়ে গণফোরামে যোগ দেয়া আবু সাইয়িদ। তার প্রতিদ্বন্দ্বি হিসেবে নৌকা প্রতীক নিয়ে আছেন, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

একাদশ জাতীয় নির্বাচন খবর