channel 24

সর্বশেষ

  • শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

  • জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ করছে গোটা দেশ

  • মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে বিজয়ী করবেন ভোটাররা: কাদের

  • লুটপাটকারীদের বর্জনের আহ্বান ড. কামালের

  • নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে সরকার: ফখরুল

  • গুণী চলচ্চিত্র নির্মাতা আমজাদ হোসেন আর নেই

  • হার্ডিঞ্জ ব্রিজে ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে নিহত ২

  • রোহিঙ্গা নিপীড়নকে গণহত্যার স্বীকৃতি দিয়ে মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে প্রস্তাব পাস

ওবায়দুল কাদের ও মির্জা ফখরুলের হলফনামায় যা আছে

ওবায়দুল কাদের ও মির্জা ফখরুলের হলফনামায় যা আছে

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দাখিলকৃত হলফনামায় যা উল্লেখ করা আছে, তা নিচে দেওয়া হলো।

ওবায়দুল কাদেরের রাজধানীতে কোনো বাড়ি বা ফ্ল্যাট নেই। তিনি থাকেন স্ত্রীর বাড়িতে। আর বিএনপির মহাসচিব সাবেক মন্ত্রী মির্জা ফখরুলের নিজস্ব কোনো গাড়ি নেই। তিনি যে গাড়ি ব্যবহার করেন তা স্ত্রীর নামে। মির্জা ফখরুল একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ওবায়দুল কাদের নোয়াখালী-৫ এবং মির্জা ফখরুল ঠাকুরগাঁও-১ এবং আসন থেকে নির্বাচন করছেন।

ওবায়দুল কাদেরের স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে, উত্তরায় অর্জনকালীন সময়ের ৫০ লাখ ৭৯ হাজার ৬০০ টাকা মূল্যের অকৃষি জমি এবং পৈতৃক সম্পত্তি হিসেবে ৬০ শতাংশ অকৃষি জমি। ওবায়দুল কাদেরের নিজস্ব কোনো বাড়ি/অ্যাপার্টমেন্ট নেই। স্ত্রীর অর্জনকালীন সময়ের ১৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের এক হাজার ৫০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট আছে।

এছাড়া স্ত্রীর হাতে নগদ ৫০ হাজার টাকা আছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ ২৬ লাখ ৩৪ হাজার ৬১১ টাকা। পোস্টাল, সেভিংস সার্টিফিকেটসহ বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্রে বা স্থায়ী আমানতে বিনিয়োগ ৫৫ লাখ ৯ হাজার ৮৪৫ টাকা, ব্যক্তিগত কোনো গাড়ি নেই। এক লাখ টাকা মূল্যের ২০ তোলা স্বর্ণ আছে। ১২ হাজার টাকার টিঅ্যান্ডটি ও মোবাইল আছে। আছে এক লাখ টাকার আসবাবপত্র।

আয়ের স্থানে ওবায়দুল কাদের উল্লেখ করেছেন, বাড়িভাড়া/অ্যাপার্টমেন্ট/দোকান ভাড়া বাবদ বছরে আয় ১৩ লাখ ৬৮ হাজার টাকা, পেশা (শিক্ষকতা, চিকিৎসা, আইন, পরামর্শক ইত্যাদি) থেকে ১২ লাখ ৬০ হাজার, বই লিখে আয় চার লাখ ৮৯ হাজার ৬৫১ টাকা। ৩১ লাখ ১৭ হাজার ৬৫১ টাকা। মাসিক গড় আয় দুই লাখ ৫৯ হাজার ৮০৪ টাকা ২৫ পয়সা।

স্ত্রীর আয় আসে বাড়িভাড়া/অ্যাপার্টমেন্ট/দোকান বা অন্যান্য ভাড়া থেকে; বছরে আয় দুই লাখ ৬৬ হাজার ৪৩৬ টাকা, ব্যবসা থেকে আয় তিন লাখ ৯৩ হাজার ২৬০ টাকা, অন্যান্য আয় দেখিয়েছেন- তিন লাখ ৯৬ হাজার ৫১৯ টাকা।

আর মির্জা ফখরুলের নগদ ৪২ লাখ ৭১ হাজার ও ব্যাংকে এক লাখ ৪৩ হাজার টাকার মতো রয়েছে। তার স্ত্রীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ২১ লাখ ৭২ হাজার ৮৭০ টাকা রয়েছে। হলফনামায় তিনি আয়ের উৎস উল্লেখ করেন শিক্ষকতা, চিকিৎসা, আইন ও পরামর্শক। এই চার খাত থেকে তিনি বছরে সর্বোচ্চ ছয় লাখ টাকা আয় করেন। এছাড়াও ফখরুল কৃষিখাত থেকে ৯৯ হাজার ৫০০, মার্কেটের ফার্মের শেয়ার থেকে এক লাখ ২৫ হাজার ৯৪৭, শেয়ার বাজার ও ব্যাংক আমানত থেকে এক লাখ ৪১ হাজার ১৮১ টাকা, দি মিজার্স প্রাইভেট লিমিটেড থেকে এক লাখ ৬২ হাজার টাকার সম্মানী, ব্যাংকসুদ থেকে দুই হাজার ৮০৫ টাকা আয় করেন।

অন্যদিকে স্ত্রীর ১৭ লাখ ৫৮ হাজার ১৪০ টাকা দামের একটি গাড়ি দানসূত্রে ব্যবহার করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া স্ত্রীর ব্যাংক-ব্যালেন্স তার চেয়ে বেশি।

মামলাসংক্রান্ত বিষয়ে ওবায়দুল কাদের উল্লেখ করেছেন, বর্তমানে তার নামে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই। অতীতে ১২টি মামলা দায়ের হয়েছিল। অব্যাহতিমূলে ৯টি নিষ্পত্তি এবং ৩টিতে খালাস পেয়েছেন।

মামলাসংক্রান্ত বিষয়ে মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেছেন, অতীতে ৩৮টি এবং বর্তমানে ৭টি ফৌজদারি মামলার আসামি তিনি। এর মধ্যে ১৪টি মামলার চার্জ গঠন ও শুনানি চলছে। হলফনামায় তিনি ৪৫টি মামলার কথা উল্লেখ করেন যার অধিকাংশ, নাশকতা, ভাঙচুরের হুকুম দেয়ার। ১৪টির কার্যক্রম চললেও বাকি মামলাগুলোর কার্যক্রম হাইকোর্ট স্থগিত করেছেন, কয়েকটিতে অব্যাহতি পেয়েছেন।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষদিন ছিল ২৮ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই ২ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৯ ডিসেম্বর আর প্রতীক বরাদ্দ ১০ ডিসেম্বর। আর ভোট আগামী ৩০ ডিসেম্বর।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

একাদশ জাতীয় নির্বাচন খবর