channel 24

সর্বশেষ

  • নেগেটিভ রোগিকে রাখা হয়েছে করোনা ইউনিটে, আগুনে মৃত্যুর পর দেড় লাখ টাকা বিল দাবি!

  • ৮ জুলাই টেস্ট ম্যাচ দিয়ে মাঠে ফিরছে ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ

  • লালমনিরহাটে বাস শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ

  • করোনায় মারা গেলেন আরও এক পুলিশ সদস্য

  • ঢাকা দ. সিটির দুর্নীতি উৎপাটনের হুঁশিয়ারি তাপসের

  • অবৈধপথে বিদেশ পাড়ি; দালালচক্রের কাছে বন্দি জীবন

  • কক্সবাজারে পূর্ব শত্রুতার জেরে বৃদ্ধকে প্রকাশ্যে নির্যাতন

  • নগদ অর্থ সহায়তা ও ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম: বরখাস্ত আরও ১১ জনপ্রতিনিধি

  • ঝুঁকি নিয়েই স্বাভাবিক চেহারায় দেশ

  • করোনা আক্রান্ত দম্পতির স্থান হয়েছে পরিত্যক্ত মুরগীর খামারে

  • করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দেশে অর্ধলাখ ছাড়িয়েছে

  • চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত ৩ হাজার ছাড়ালো

  • গণপরিবহন বেড়েছে চট্টগ্রামের রাস্তায়

  • সিলেটে বাস শ্রমিকদের দুপক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত কয়েকজন

  • তামাক খাতে দুই স্তরের কর কাঠোমো হলে রাজস্ব বাড়বে দ্বিগুণের বেশি

কড়া নজরদারি আর জেল-জরিমানার পরও থেমে নেই ইলিশ ধরা

কড়া নজরদারি আর জেল-জরিমানার পরও থেমে নেই ইলিশ ধরা

প্রশাসনের কড়া নজরদারি আর জেল-জরিমানার পরও থামছে না নিষিদ্ধ মৌসুমে ইলিশ শিকার। রাত নামলেই মাদারীপুরের শিবচর, শরীয়তপুরের জাজিরা, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, ঢাকার দোহার, ফরিদপুরের সদরপুর অংশের পদ্মা নদীতে চলে ইলিশ ধরার উৎসব। আর এই মাছ চরের কাশবনে রেখেই মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে বিক্রি করা হয় নদীপাড়ের বাজারে।

রাতের নিরবতা ভেঙে স্পিডবোট আর ট্রলারে প্রশাসনের এই অভিযান পদ্মার বুকে। ধরা পড়ছে মাছবোঝাই একের পর এক নৌকা।

জেলেরদের প্রতিটি জালেই ছিল মা ইলিশ ও জাটকা। অনেকে নৌকা ও জাল ফেলেই পালিয়ে যান। আটক করা হয় কয়েকজনকে। জিজ্ঞাসাবাদে বের হয়ে আসে প্রজনন মৌসুমে ইলিশ ধরার কৌশল।

প্রশাসন বলছে, দিনের বেলায় কড়াকড়ি থাকায় সন্ধার পর থেকে ভোর রাত পর্যন্ত ইলিশ ধরেন জেলেরা। এ সময় নৌকা ও ট্রলারে কোনো বাতি ব্যবহার করা হয় না। আর যেসব মাছ ধরা পড়ে তা বিক্রি করা হয় নদীর চরে কাশবনে। ক্রেতাদের সাথে যোগাযোগ করা হয় মোবাইল ফোনে।

মাদারীপুর জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল নোমান বলেন, অভিযোগের বিষয়টি সত্য, আমরা এসে দেখলাম তাই, একটা বাজারের মতন অবস্থা ছিল, প্রচুর ক্রেতা-বিক্রেতা এবং সারা নদী থেকে মাছ ধরে এনে তারা এখানে বিক্রি করে থাকে।

শিবচর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এটিএম শামসুজ্জামান বলেন, চুরির মতো করে জেলেরা মাছ ধরার প্রবনতায় লিপ্ত এবং আমরাও রাতের অভিযানটা বৃদ্ধি করেছি। ক্রেতারা বলছেন, তারা সারা ব্ছরই কম দামে ইলিশ খেতে চান। এজন্য মা ইলিশ রক্ষার বিকল্প নেই।
 
মা ও জাটকা ইলিশ সংরক্ষণে শুধু নিয়মিত অভিযান নয়, বরং এই সময়ে জেলেরা যাতে খেয়েপড়ে বেঁচে থাকতে পারেন, সেজন্য সরকারি সহায়তা প্রকৃত জেলেদের কাছে পৌঁছে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন মাদারীপুরের সাধারণ মানুষ।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর