channel 24

সর্বশেষ

  • বিদেশি কোচদের সাথে চুক্তি পুর্নবিন্যাস করবে বিসিবি

  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না খোলার সিদ্ধান্তে উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা

  • ট্রেনে কিছুটা মানলেও লঞ্চে উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি

  • দীর্ঘতম ছুটি শেষে স্বরূপে রাজধানী

  • সাতক্ষীরায় বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে ১ জনের মৃত্যু, আহত ২ শিশু

  • খুলনায় প্লাজমা থেরাপি দেয়া করোনা রোগীর মৃত্যু

  • বিদ্যুতের বাড়তি বিল হলে পরবর্তীতে সমন্বয় করা হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

  • ২ মাস পর চালু হল পুঁজিবাজারে লেনদেন; সূচকে ইতিবাচক ধারা

  • কুষ্টিয়ায় নিজে রান্না করে অসহায় মানুষকে খাবার দিচ্ছেন কলেজ ছাত্রী

  • জিপিএ-৫ না পাওয়ায় ছাত্রীর আত্মহত্যা

  • স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেন চলাচল শুরু

  • এসএসসির ফলাফল এসএমএস ও অনলাইনে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নেই উল্লাসের রঙ

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রিভলবার ও গুলিসহ যুবলীগ নেতা আটক

  • চট্টগ্রামে রাস্তায় নেমেছে বাস; বাড়তি ভাড়া আদায়

  • ঝিনাইদহে পুকুর থেকে দুই ভাই বোনের মৃতদেহ উদ্ধার

কাবিননামা নিয়ে প্রতারণা

কাবিননামা নিয়ে প্রতারণা

বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার প্রমাণ নিকাহ রেজিস্ট্রার। সেই কাবিননামা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে কুমিল্লার কাজী মওলানা অলিউল্লাহ ও তার সহকারীর বিরুদ্ধে। বিয়ে পড়িয়েও অস্বীকার করেন তারা। পরে ভিডিও এবং ছবির মাধ্যমে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের কারাগারে পাঠান আদালত।

কুমিল্লার দক্ষিণ সদর উপজেলার মধ্যম আশ্রাফপুর এলাকার নিকাহ ও তালাক রেজিস্ট্রার কাজী মওলানা মো. অলিউল্লাহ। গত তিন জুলাই তিনি ও তার সহকারী মো. বেলাল উদ্দিন চৌধুরী বিয়ে পড়ান রেইসকোর্স এলাকার আতিকুর রহমান নিলয় ও চাঁদপুরের মেয়ে আমেনা আক্তার শিখার।

বিয়ের পর যৌতুক দাবি করে নিলয় এমন অভিযোগে তার স্ত্রী শিখা মামলা করে। যেখানে আসামি করা হয় স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। মামলায় নথি হিসেবে যুক্ত করা হয়  কাবিননামা।

কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালত ১ এ মামলা শুনানির এক পর্যায়ে নিলয় আদালতকে জানান শিখার সাথে বিয়ে হয়নি। প্রমাণ হিসেবে রেজিস্ট্রার অলিউল্লাহ দেয়া এ সংক্রান্ত ঘেষণাপত্র আদালতে দাখিল করেন।

ফলে বিয়ের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে আদালতে। এসময় বিয়ের ভিডিও ও ছবি আদালতে প্রমাণ হিসেবে দাখিল করে বাদিপক্ষ। পরে আদালত মিথ্যা কাগজপত্র সরবারহ করার দায়ে কাজী অলিউল্লাহ ও তার সহকারীকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। এসময় আদালতে ক্ষমা চান তারা।

বাদিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আনিছুর রহমান মিঠু বলেন, বিয়ে যিনি পড়িয়েছেন ভিডিওতে তার ছবি রয়েছে। আবার আসামী পক্ষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজী অলিউল্লাহ বিয়ে পড়ানোর বিষয়টি অস্বীকার করেন।

এ বিষয়ে কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল ১-এর স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার দত্ত বলেন, যেসব কাজীগণ বিয়ে পড়ানোর কাজ সম্পাদন করে আসছেন তাদের কার্যক্রমের প্রতি লক্ষ্য রাখা উচিৎ। যদি কেউ অপরাধ করে থাকেন তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান তিনি।

কুমিল্লা জেলা রেজিস্ট্রার মো. আনোয়ারুল হক চৌধুরী বলেন, আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে, মামলার আসামি নিলয়ের বাড়িতে গিয়ে পাওয়া যায়নি কাউকে। আর আদালত চত্বরে চ্যানেল 24 কে প্রতিবেদন না করার অনুরোধ জানিয়েছেন, রেজিস্ট্রার অলিউল্লাহর ভাই মৌকরা ইউপি মেম্বার সালেহ আহমেদ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর