channel 24

সর্বশেষ

  • ক্রিকেটারদের আন্দোলন অপ্রত্যাশিত: নাজমুল হাসান...

  • ক্রিকেটাররা যখন যা চেয়েছে, সবকিছুই দিয়েছে বিসিবি...

  • ক্রিকেটারদের চাহিদামতোই ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ চলবে...

  • এমন সিদ্ধান্ত আগেই নেয়া হয়েছে...

  • চুক্তিভিত্তিক ক্রিকেটারের সংখ্যা বাংলাদেশেই সর্বোচ্চ

  • মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে আজ থেকে টেলিফোনের নতুন ও...

  • পুনঃসংযোগ ফি সম্পূর্ণ মওকুফ: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

  • সীমানা পেরিয়ে বরগুনায় ভারতীয় জেলেদের ইলিশ শিকার; আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়ানোর দাবি স্থানীয়দের।

  • সড়ক দুর্ঘটনা ঠেকাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পুলিশের উদ্যোগ; বেপরোয়া গতি ও মাদকাসক্ত চালক ধরা পড়বে সহজেই।

  • শরীয়তপুর-চাঁদপুর আঞ্চলিক সড়ক যেন মরণফাঁদ; চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা

  • ফের আলোচনায় ডাকসু জিএস রাব্বানী; এমফিলে ভর্তির বিষয়টি জানতো না সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ

কাবিননামা নিয়ে প্রতারণা

কাবিননামা নিয়ে প্রতারণা

বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার প্রমাণ নিকাহ রেজিস্ট্রার। সেই কাবিননামা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে কুমিল্লার কাজী মওলানা অলিউল্লাহ ও তার সহকারীর বিরুদ্ধে। বিয়ে পড়িয়েও অস্বীকার করেন তারা। পরে ভিডিও এবং ছবির মাধ্যমে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের কারাগারে পাঠান আদালত।

কুমিল্লার দক্ষিণ সদর উপজেলার মধ্যম আশ্রাফপুর এলাকার নিকাহ ও তালাক রেজিস্ট্রার কাজী মওলানা মো. অলিউল্লাহ। গত তিন জুলাই তিনি ও তার সহকারী মো. বেলাল উদ্দিন চৌধুরী বিয়ে পড়ান রেইসকোর্স এলাকার আতিকুর রহমান নিলয় ও চাঁদপুরের মেয়ে আমেনা আক্তার শিখার।

বিয়ের পর যৌতুক দাবি করে নিলয় এমন অভিযোগে তার স্ত্রী শিখা মামলা করে। যেখানে আসামি করা হয় স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। মামলায় নথি হিসেবে যুক্ত করা হয়  কাবিননামা।

কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালত ১ এ মামলা শুনানির এক পর্যায়ে নিলয় আদালতকে জানান শিখার সাথে বিয়ে হয়নি। প্রমাণ হিসেবে রেজিস্ট্রার অলিউল্লাহ দেয়া এ সংক্রান্ত ঘেষণাপত্র আদালতে দাখিল করেন।

ফলে বিয়ের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে আদালতে। এসময় বিয়ের ভিডিও ও ছবি আদালতে প্রমাণ হিসেবে দাখিল করে বাদিপক্ষ। পরে আদালত মিথ্যা কাগজপত্র সরবারহ করার দায়ে কাজী অলিউল্লাহ ও তার সহকারীকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। এসময় আদালতে ক্ষমা চান তারা।

বাদিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আনিছুর রহমান মিঠু বলেন, বিয়ে যিনি পড়িয়েছেন ভিডিওতে তার ছবি রয়েছে। আবার আসামী পক্ষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজী অলিউল্লাহ বিয়ে পড়ানোর বিষয়টি অস্বীকার করেন।

এ বিষয়ে কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল ১-এর স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার দত্ত বলেন, যেসব কাজীগণ বিয়ে পড়ানোর কাজ সম্পাদন করে আসছেন তাদের কার্যক্রমের প্রতি লক্ষ্য রাখা উচিৎ। যদি কেউ অপরাধ করে থাকেন তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান তিনি।

কুমিল্লা জেলা রেজিস্ট্রার মো. আনোয়ারুল হক চৌধুরী বলেন, আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে, মামলার আসামি নিলয়ের বাড়িতে গিয়ে পাওয়া যায়নি কাউকে। আর আদালত চত্বরে চ্যানেল 24 কে প্রতিবেদন না করার অনুরোধ জানিয়েছেন, রেজিস্ট্রার অলিউল্লাহর ভাই মৌকরা ইউপি মেম্বার সালেহ আহমেদ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর