channel 24

সর্বশেষ

  • বিদেশ যেতে হলে করোনার সার্টিফিকেট নিতে হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • ভুয়া ডাক্তার, নিষিদ্ধ ওষুধ ও লাইসেন্স না থাকায় এসএইচএস হাসপাতাল সিলগালা

  • রিজেন্ট-জেকেজির জালিয়াতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিবৃতি দায়সারা

  • টক-মিষ্টি স্বাদের লটকন

  • এখনো পাওনা এক টাকাও পায়নি ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্রিকেটাররা

  • কক্সবাজার সৈকতে ভাসছে বর্জ্য, মারা গেছে ২০টি কচ্ছপ

  • পাঁচ প্রতিষ্ঠানের করোনা নমুনা পরীক্ষা স্থগিত

  • ৩ বছর বন্ধের পর কক্সবাজারে পুনরায় শুরু হচ্ছে জন্মনিবন্ধন প্রক্রিয়া

  • সাবরিনা-আরিফ দম্পতির রূপকথার জীবনের নানা গল্প

  • খাগড়াছড়িতে সাবেক ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

  • চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে ছাত্রলীগের দু'গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ৭

  • স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি আবুল কালাম আজাদকে শোকজ

  • এরশাদের মৃত্যুবার্ষিকীর দিন উপনির্বাচন পেছাতে ইসিতে জাপা

  • ডা. সাবরিনা জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট থেকে বরখাস্ত

  • জ্বর-সর্দি ও শ্বাসকষ্টে দেশের বিভিন্ন স্থানে ১০ জনের মৃত্যু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাড়ছে নারী ও শিশু নির্যাতন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাড়ছে নারী ও শিশু নির্যাতন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত ৭ মাসে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন দেড় শতাধিক। এমন তথ্য দিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাড়ছে নারী ও শিশু নির্যাতন বিষয়ক মামলা। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের দেয়া তথ্য বলছে, গত সাত মাসে ধর্ষণের অভিযোগে হাসপাতালে এসেছেন শিশু, কিশোরী ও প্রতিবন্ধীসহ ১৬৭ জন। কিন্তু মেডিকেল পরীক্ষায় মাত্র পাঁচ ভাগের শরীতে ধর্ষণের আলামত মিলেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন মো: শাহ আলম বলেন, সময় মতো হাসপাতালে না আসায় অনেক ক্ষেত্রে ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায় না। এতে করে ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকছে প্রকৃত অপরাধীরা। এছাড়া প্রয়োজনীয় সাক্ষীর অভাবে এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি না হওয়ায় এ ধরনের অপরাধ বাড়ছে বলেও মনে করেন তিনি।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, মামলা করেও প্রতিকার পাচ্ছেন না তারা। উল্টো নানা সময়ে তাদেরকে হুমকি ধমকি দিচ্ছে অভিযুক্তরা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পাবলিক প্রসিকিউটর বলছেন, অনেক সময় প্রয়োজনীয় সাক্ষীর অভাবে এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয় না। ফলে জেলায় বাড়ছে নারীর প্রতি সহিংসতা।

জেলায় নারী বা শিশু নির্যাতন বাড়ার কথা স্বীকার করে পুলিশ সুপার মো: আনিসুর রহমান বলেন, এসব ঘটনায় প্রশাসন সজাগ রয়েছে। অভিযোগ পাওয়া মাত্রই গুরুত্বসহকারে অভিযুক্তকে চিন্হিত করার ক্ষেত্রে প্রশাসন সর্বদা সচেষ্ট বলে জানান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পুলিশ সুপার।  

তবে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের অনেক মামলাই হয় ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিরোধের জেরে। ফলে প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি অনেকের।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর