channel 24

সর্বশেষ

  • আবরার হত্যার আসামি নাজমুস সাদাত ৫ দিনের রিমান্ডে

  • ঋণ খেলাপিদের বিশেষ সুবিধা দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত সঠিক...

  • এ নিয়ে রিট গ্রহণযোগ্য নয়: হাইকোর্টকে অর্থ মন্ত্রণালয়

  • বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা: ২০ জনের জামিন; ৩ জন কারাগারে

  • রংপুরে পুলিশ হেফাজতে আসামির মৃত্যুর ঘটনায় ৫ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

  • সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে সবাইকে সচেতন হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী...

  • ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন..

  • ঢাকা-কুড়িগ্রাম আন্তনগর ট্রেন সার্ভিসের উদ্বোধন

  • আবরার হত্যা: চার্জশিট হওয়ার আগ পর্যন্ত একাডেমিক অসহযোগ থাকবে...

  • চার্জশিটের পর স্থায়ী বহিষ্কার সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত: আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা...

  • তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পর জড়িতদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত: বুয়েট ভিসি

  • মানবতাবিরোধী অপরাধ: এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক...

  • ওয়াহিদুলের বিচার শুরু; সাক্ষ্যগ্রহণ ২৪ নভেম্বর

  • দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলায়...

  • ২০ জনের জামিন মঞ্জুর; ৩ জনকে কারাগারে প্রেরণ

  • অবৈধ সম্পদ অর্জন: গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের...

  • প্রশাসনিক কর্মকর্তা ওবায়দুলসহ ৯ জনকে দুদকে তলব

  • রংপুরের পীরগঞ্জে আসামিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ...

  • এলাকাবাসীর বিক্ষোভ; পুলিশ দাবি আত্মহত্যা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাড়ছে নারী ও শিশু নির্যাতন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাড়ছে নারী ও শিশু নির্যাতন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত ৭ মাসে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন দেড় শতাধিক। এমন তথ্য দিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাড়ছে নারী ও শিশু নির্যাতন বিষয়ক মামলা। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের দেয়া তথ্য বলছে, গত সাত মাসে ধর্ষণের অভিযোগে হাসপাতালে এসেছেন শিশু, কিশোরী ও প্রতিবন্ধীসহ ১৬৭ জন। কিন্তু মেডিকেল পরীক্ষায় মাত্র পাঁচ ভাগের শরীতে ধর্ষণের আলামত মিলেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন মো: শাহ আলম বলেন, সময় মতো হাসপাতালে না আসায় অনেক ক্ষেত্রে ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায় না। এতে করে ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকছে প্রকৃত অপরাধীরা। এছাড়া প্রয়োজনীয় সাক্ষীর অভাবে এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি না হওয়ায় এ ধরনের অপরাধ বাড়ছে বলেও মনে করেন তিনি।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, মামলা করেও প্রতিকার পাচ্ছেন না তারা। উল্টো নানা সময়ে তাদেরকে হুমকি ধমকি দিচ্ছে অভিযুক্তরা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পাবলিক প্রসিকিউটর বলছেন, অনেক সময় প্রয়োজনীয় সাক্ষীর অভাবে এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয় না। ফলে জেলায় বাড়ছে নারীর প্রতি সহিংসতা।

জেলায় নারী বা শিশু নির্যাতন বাড়ার কথা স্বীকার করে পুলিশ সুপার মো: আনিসুর রহমান বলেন, এসব ঘটনায় প্রশাসন সজাগ রয়েছে। অভিযোগ পাওয়া মাত্রই গুরুত্বসহকারে অভিযুক্তকে চিন্হিত করার ক্ষেত্রে প্রশাসন সর্বদা সচেষ্ট বলে জানান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পুলিশ সুপার।  

তবে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের অনেক মামলাই হয় ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিরোধের জেরে। ফলে প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি অনেকের।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর