channel 24

সর্বশেষ

  • কানাডার সাস্কাটুনে বসন্তের ফুল ফুটবে ২৯ ফেব্রুয়ারি

  • রোহিঙ্গা ও স্থানীয় অপরাধীদের এক হতে দেয়া যাবে না: ভূমিমন্ত্রী

  • পা দিয়ে ছবি এঁকে জাতীয় পুরস্কার জিতেছেন ফেনীর মোনায়েম

  • ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ যথাসময়ে শেষ করার নির্দেশ

  • চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন: ৮৫ হাজার নতুন ভোটারের ভোটদানে অনিশ্চয়তা

  • ব্যবসায়ী মহলে করোনার নেতিবাচক প্রভাব

  • ফরহাদ রেজার সেঞ্চুরিতে ইস্টের বিপক্ষে রান পাহাড়ে সাউথ

  • বিটিআরসিকে এক হাজার কোটি টাকা দিলো গ্রামীণফোন

  • আ.লীগের রাজনৈতিক স্বার্থে খালেদা জিয়া কারাবন্দি: ফখরুল

  • কুর্মিটোলায় ফুটপাতে প্রাইভেটকার চাপায় আহত ১৫

  • মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ডেমোক্রেট প্রার্থীদের দৌড়ে এগিয়ে বার্নি স্যান্ডারস

  • চাঁদপুর-শরীয়তপুর নৌরুট: ফেরিঘাটে চালকদের জিম্মি করে টাকা আদায়

  • মানিলন্ডারিং মামলায় খালেদসহ ছয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল

  • দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলছে স্টুডেন্ট কাউন্সিল নির্বাচন

  • দহগ্রাম আঙ্গরপোতা ও সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট; নষ্ট হচ্ছে যন্ত্রপাতি

তালিকায় নাম থাকলেও মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি মেলেনি দিপালী রানীর

তালিকায় নাম থাকলেও মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি মেলেনি দিপালী রানীর

নড়াইলের দিপালী রানী সিকদার। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের বারাসাতের একটি শরণার্থী ক্যাম্পের শিশুদের শিক্ষাদানের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। নিজের টাকায় অসহায় শিশুদের খাবার আর পোশাকের ব্যবস্থাও করতেন। দেশ স্বাধীনের পর মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নাম আসলেও স্বীকৃতি মেলেনি এতো বছরে।

দিপালী রানী শিকদার। ১৯৭০ সালে জুনিয়র শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন মাগুরা সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ে। মুক্তিযুদ্ধের সময় বাড়িতে লুটপাট হলে তিন মেয়েকে নিয়ে ভারতের দমদম ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় আশ্রয় নেন দিপালী শিকদারের বাবা। এরপর কলকাতার নেতাজি ভবনে মুজিব নগর সরকারের অফিসে ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা জাতীয় চার নেতার একজন এ এইচ এম কামারুজ্জামানের সাথে দেখা করেন দিপালী শিকদার।

শরনার্থী ক্যাম্পে শিশুদের শুধু শিক্ষাদান নয় নিজের খরচে তাদের খাবার ও পোশাকেরও ব্যবস্থা করেছেন তিনি। দেশ স্বাধীনের পর যোগ দেন মাগুরার সেই স্কুলেই। ১৯৭৫ এ বিয়ে হলে চলে আসেন নড়াইলে। যোগ দেন নড়াইল সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে।

মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকায় নাম আসে ১৯৮৬ সালে। এর পরের প্রক্রিয়ার জন্য তার কাছে দাবি করা হয় মোটা অংকের টাকা।

শরণার্থী ক্যাম্পের স্কুল শিক্ষক দিপালী রানী শিকদার বলেন, টাকার বিনিময়ে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নাম উঠাতে চান না তিনি।

দিপালী রানী শিকদারের স্বামী অধ্যাপক রমেশ চন্দ দাস জানান, টাকা দিয়ে স্বীকৃতি নিতে চান না তারা।

দিপালী রানীকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে সব ধরণের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। নড়াইলের জেলা প্রশাসক বলেন, দিপালী রানীর আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থাই গ্রহন করা হবে।

মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি নয় মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় মর্যাদাই প্রত্যাশা দিপালী রানীর।

নিউজটির বিস্তারিত প্রতিবেদন ভিডিওতে-

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর