channel 24

সর্বশেষ

  • অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে সাবিলা নুর

  • বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহি রাজমনী সিনেমা হল

  • মেট্রোরেলের দুটি রুট নির্মাণে প্রায় ৯৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ

  • বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বার্ষিক সভা শুরু

  • আবরার হত্যার আসামি নাজমুস সাদাত দিনাজপুরে গ্রেপ্তার

  • জীবনযুদ্ধে এক সফল নারী লালমনিরহাটের আসমা হোসেন

  • আরও ৩০টি মানহীন পণ্য পেয়েছে বিএসটিআই

  • গুটিকয়েক ছাত্র নেতার ভুলের দায় সরকার নেবে না: কাদের

  • পুনরায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোচ হলেন ফিল সিমন্স

  • মুখোমুখি অবস্থানে তুর্কি ও আসাদ বাহিনী

  • আইসিসির সদস্যপদ ফিরে পেয়েছে জিম্বাবুয়ে ও নেপাল

  • বিশ্বকাপ বাছাইয়ে আজ ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ

  • ঘূর্ণিঝড় হাগিবিসের আঘাতে জাপানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৮

  • বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির সঙ্গে সাবেক চেয়ারম্যানের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পায়নি দুদক

  • বাংলাদেশে এখন ভিন্নমত জানালে খুন হতে হয়: মওদুদ

তালিকায় নাম থাকলেও মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি মেলেনি দিপালী রানীর

তালিকায় নাম থাকলেও মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি মেলেনি দিপালী রানীর

নড়াইলের দিপালী রানী সিকদার। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের বারাসাতের একটি শরণার্থী ক্যাম্পের শিশুদের শিক্ষাদানের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। নিজের টাকায় অসহায় শিশুদের খাবার আর পোশাকের ব্যবস্থাও করতেন। দেশ স্বাধীনের পর মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নাম আসলেও স্বীকৃতি মেলেনি এতো বছরে।

দিপালী রানী শিকদার। ১৯৭০ সালে জুনিয়র শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন মাগুরা সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ে। মুক্তিযুদ্ধের সময় বাড়িতে লুটপাট হলে তিন মেয়েকে নিয়ে ভারতের দমদম ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় আশ্রয় নেন দিপালী শিকদারের বাবা। এরপর কলকাতার নেতাজি ভবনে মুজিব নগর সরকারের অফিসে ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা জাতীয় চার নেতার একজন এ এইচ এম কামারুজ্জামানের সাথে দেখা করেন দিপালী শিকদার।

শরনার্থী ক্যাম্পে শিশুদের শুধু শিক্ষাদান নয় নিজের খরচে তাদের খাবার ও পোশাকেরও ব্যবস্থা করেছেন তিনি। দেশ স্বাধীনের পর যোগ দেন মাগুরার সেই স্কুলেই। ১৯৭৫ এ বিয়ে হলে চলে আসেন নড়াইলে। যোগ দেন নড়াইল সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে।

মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকায় নাম আসে ১৯৮৬ সালে। এর পরের প্রক্রিয়ার জন্য তার কাছে দাবি করা হয় মোটা অংকের টাকা।

শরণার্থী ক্যাম্পের স্কুল শিক্ষক দিপালী রানী শিকদার বলেন, টাকার বিনিময়ে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নাম উঠাতে চান না তিনি।

দিপালী রানী শিকদারের স্বামী অধ্যাপক রমেশ চন্দ দাস জানান, টাকা দিয়ে স্বীকৃতি নিতে চান না তারা।

দিপালী রানীকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে সব ধরণের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। নড়াইলের জেলা প্রশাসক বলেন, দিপালী রানীর আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থাই গ্রহন করা হবে।

মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি নয় মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় মর্যাদাই প্রত্যাশা দিপালী রানীর।

নিউজটির বিস্তারিত প্রতিবেদন ভিডিওতে-

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর