channel 24

সর্বশেষ

  • গুলশানে কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে

  • শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসে এক মাসের জন্য...

  • নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত

  • যন্ত্রপাতি ক্রয়ে দুর্নীতির অভিযোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক...

  • আবদুর রশীদসহ ১৪ জনকে ১ থেকে ৩ এপ্রিল তলব করেছে দুদক

  • বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টকে ভাঙার চেষ্টায় সরকার: মির্জা ফখরুল

  • প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী শাহনাজ রহমতুল্লাহ মারা গেছেন...

  • বাদ জোহর বারিধারার পার্ক মসজিদে জানাজা...

  • বনানী সামরিক কবরস্থানে দাফন

  • তৃতীয় দফায় ১১৬ উপজেলায় ভোট চলছে...

  • অনিয়মের অভিযোগে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় ভোট স্থগিত...

  • অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শফিকুল ও কটিয়াদীর ওসি সামসুদ্দীনকে প্রত্যাহার..

  • মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে আ.লীগের দুই বিদ্রোহী প্রার্থীর ভোট বর্জন...

  • চট্টগ্রামের পূর্ব চন্দনাইশে দুপক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ গুলিবিদ্ধ ২; আটক ৫...

  • ভোটারশূন্যতাই প্রমাণ করে ভোটের প্রতি জনগণের আস্থা নেই: রিজভী

  • বাসচাপায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নিহতের প্রতিবাদে...

  • ৫ দফা দাবিতে সিলেটের চৌহাট্টায় সহপাঠীদের সড়ক অবরোধ

হাত-পা বেঁধে কর্মচারীকে চোখ ঝলসে দিয়েছেন মালিক!

হাত-পা বেঁধে কর্মচারীকে চোখ ঝলসে দিয়েছেন মালিক!

মধ্যযুগীয়, নির্মম, বিভৎস। কোনো বিশেষণই যথেষ্ট হয় না। হাত-পা বেঁধে, চুন দিয়ে চোখ ঝলসে দেয়া হয়েছে এক তরুণের। অপরাধ, টাকা চুরির মামলায় মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে রাজি না হওয়া। এমন ঘটনা ঘটেছে, সিলেটের দক্ষিণ সুরমায়। তিনি আর কখনো দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাবেন কি না, সে বিষয়ে সন্দিহান চিকিৎসকরাও। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানোর চেষ্টা চলছে।

এ নির্মম অত্যাচারের শিকার জাহেদ আহমদ। তাকে হাত-পা বেঁধে, চুন দিয়ে চোখ ঝলসে দেয়য়া হয়েছে। আর এ ঝলসে দেয়ার অভিযোগ, তিনি প্রতিষ্টানে কাজ করেন সে প্রতিষ্ঠানের মালিক ছানু মিয়ার বিরুদ্ধে। 

২২ বছরের তরুণ জাহেদ আহমদ। বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জের বাঘা ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে। ৪ ভাই ৫ বোনের সংসারে তিনি দ্বিতীয়। সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। বছরখানেক আগে চাকরি নেন সিলেট শহরের মাহি মানি এক্সচেঞ্জ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে। 

প্রতিষ্ঠান মালিক রায়ুব আলী ওরফে ছানু মিয়া। শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) তার বাড়িতে জাহেদকে ডেকে পাঠান। এ সময় তার চুরি যাওয়া টাকা উদ্ধারের মামলায় মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে জাহেদের ওপর চাপ দেন তিনি। কিন্তু জাহেদ এতে রাজি না হওয়ায় হাত পা বেঁধে, চোখে চুন দিয়ে দু চোখ ঝলসে দেয়া হয়। এ সময় ছানু মিয়ার সঙ্গে ছিলেন আরও দুজন।

জাহেদের পৃথিবী এখন শুধুই অন্ধকার। স্বজনরাও বাকরুদ্ধ।

এসওএমসির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার একে মাহবুল হক জানান, জাহেদের দু'চোখ পুরোপুরি ঝলসে গেছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুল আলম জানান, ঘটনার পর মূল অভিযুক্ত ছানু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্ত বাকি দুজনকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা 

নির্মম এই ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। জড়িত সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর