channel 24

সর্বশেষ

  • চট্টগ্রামে চলছে চাকরি মেলা

  • নরসিংদীর বাঁশগাড়িতে আ.লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু

  • নির্বাচনি ইশতেহারে স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার আহবান

  • রাইড শেয়ারিং অ্যাপ উবারের ১০৭ কোটি ডলার লোকসান

  • মূলার বাম্পার ফলনের পরও লোকসানে লালমনিরহাটের চাষীরা

  • ইতিহাসের সাক্ষী হবার অপেক্ষায় নোয়াখালী শহীদ ভুলু স্টেডিয়াম

  • শীতকালীন সবজিতে ছেয়ে গেছে কাঁচাবাজার

  • নিপুণ রায়সহ ৭ জন পাঁচ দিনের রিমান্ডে

  • মিডিয়া কাপ ক্রিকেটে বাংলা ট্রিবিউন চ্যাম্পিয়ন

  • বকুলতলায় নাচে-গানে উদযাপিত হচ্ছে নবান্ন উৎসব

  • বর্ণময় জীবনের অধিকারী ছিলেন শিল্পী বারী সিদ্দিকী

  • সংখ্যালঘু নির্যাতনকারীদের মনোনয়ন না দেয়ার দাবি হিন্দু জোটের

  • সানরাইজার্সের হয়েই আইপিএল খেলবেন সাকিব

  • বরিশালের সঙ্গে ঝালকাঠিসহ ছয়টি রুটে বাস চলাচল বন্ধ

  • সৃষ্টির মাঝেও কাটছে না শূন্যতার রেশ

রংপুরে উচ্ছেদ আতঙ্কে বাঁধে আশ্রয় নেয়া ৮ হাজার মানুষ

রংপুরে উচ্ছেদ আতঙ্কে বাঁধে আশ্রয় নেয়া ৮ হাজার মানুষ

রংপুরে উচ্ছেদ আতঙ্কে দিন কাটছে তিস্তার ডান তীর বাঁধে আশ্রয় নেয়া প্রায় ৮ হাজার মানুষের। নদীগর্ভে সর্বহারা এসব মানুষ মাথা গোঁজার ঠাঁই হিসেবে বেছে নিয়েছিলো এই বাঁধকে। কিন্তু সংস্কারের কারণে বাঁধে আশ্রয় নেয়া পরিবারগুলোকে অন্যত্র সরে যাওয়ার নোটিস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। যদিও বসবাসকারীদের পুনর্বাসনের আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

তিস্তার ভাঙনে প্রতি বছরই ভাঙছে নতুন নতুন এলাকা। হারিয়ে যাচ্ছে বসতবাড়ি, আবাদী জমি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ নানা স্হাপনা।

নদী পাড়ের এক সময়ের অবস্হাশালী মানুষটি সবকিছু হারিয়ে এখন পথের মানুষ। কেউবা চলে গেছেন অন্য এলাকায়। এতো মানুষের পূর্ণবাসনে দুশ্চিন্তায় জনপ্রতিনিধিরাও জানালেন, কোলকোন্দ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সোহরাব আলী রাজু।

গংগাচড়া, কাউনিয়া ও নীলফামারীর জলঢাকার শৌলমারীর তিস্তার ডান বাধেঁর ৪০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ঠাই নিয়েছেন এ সব বাস্তুহারা মানুষ। কিন্তু বিধি বাম। পানি উন্নয়ন বোর্ডের উচ্ছেদ নোটিস মরার উপর খরার ঘা হয়ে দেখা দিয়েছে এ সব মানুষের কাছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান বলছেন,  তিস্তার ডান তীরের বাঁধ সংস্কারে ১শ ২৫ কোটি টাকা বরাদ্ধ দিয়েছে সরকার। শেষ হয়েছে টেন্ডার প্রক্রিয়া। তাই বাঁধে বসবাসকারীদের দেয়া হয়েছে উচ্ছেদ নোটিস।

রংপুর জেলা প্রশাসক এনামুল হাবীব জানান, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাঁধ রক্ষায় বসবাসকারীদের অন্যত্র পুর্ণবাসনের আশ্বাস দেয়া হয়েছে। আর আইন মানতে অনুরোধ জানিয়েছেন প্রশাসন।  

সংস্কার কাজের মধ্যে রয়েছে, ১১ কিলোমিটার নদী রক্ষা বাঁধ, ৩৫ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ আর ৪ কিলোমিটার নদী খননের কাজ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর