channel 24

সর্বশেষ

  • ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঢাকা উত্তর সিটির কর্মকর্তা-কর্মচারিদের ছুটি বাতিল

  • চট্টগ্রামে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ কাল; পুলিশের অনুমতি না পাওয়ায় এখনও চূড়ান্ত হয়নি স্থান

  • দুর্নীতি নিয়ে দুদক চেয়ারম্যানের মন্তব্য স্পষ্ট নয়; বললেন কাদের

  • বানের জলে চরম দুর্ভোগ; দু'দিনের মধ্যে মধ্যাঞ্চলে আরও অবনতির শঙ্কা

পদ্মার আগ্রাসি থাবায় শরীয়তপুরের তিন উপজেলা

পদ্মার আগ্রাসি থাবায় শরীয়তপুরের তিন উপজেলা

পদ্মার আগ্রাসি থাবা অব্যাহত আছে শরীয়তপুরের তিন উপজেলায়। গেল কয়েক মাসে বিলীন হয়েছে সরকারি-বেসরকারি নানা স্থাপনা, ব্সতভিটা, হাসপাতাল, মাদ্রাসা-সহ আবাদি জমি। পানি উন্নয়ন বোর্ড এ সব ভাঙন রোধে, কোটি কোটি টাকা খরচ করলেও কাজে আসছে না কিছুই। পদ্মার ভাঙন কবলে পড়েছে রাজবাড়ির শহররক্ষা বাঁধও।

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার মুলফৎগঞ্জ বাজার। আগ্রাসী পদ্মার ভয়াল এ রূপ গেলো কয়েকদিন ধরেই চলছে পুরো এলাকায়। এরইমধ্যে ২০টি বহুতল ভব্ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ নানা স্থাপনা বিলীন হয়েছে। ঝুঁকিতে আছে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সও।

শুধু এ উপজেলা নয়, পদ্মার ভাঙন অব্যাহত আছে জাজিরা ও ভেদরগঞ্জ উপজেলায়ও। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাঙন রোধে দীর্ঘদিন ধরেই স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন তারা। কিন্তু কয়েকটি জিও ব্যাগ ফেলে প্রতিবার চেষ্টা চলে ভাঙন রক্ষার। যা কোনো কাজে আসে না।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, নদীতে এখন প্রবল স্রোত। তাই শুষ্ক মৌসুমের আগে নদীর তীর রক্ষার কাজ শুরু করা সম্ভব নয়। নদী ভাঙনে এ পর্যন্ত জেলার তিন উপজেলায় বিলিন হয়েছে ১২ থেকে ১৪ কিলোমিটার এলাকা।

এদিকে, পদ্মার স্রোতের আঘাত ছড়িয়েছে রাজবাড়িতেও। জেলার গোদার বাজারে শহররক্ষা যে বাঁধটি ছিলো তার ৫০ মিটার ব্লক নদীতে বিলিন হয়েছে। ভাঙন ঝুঁকিতে পড়েছে নানা স্থাপনা।
২০০৯ সালে রাজবাড়ী ৮৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকা খরচে ব্লক ফেলে শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ হয়। যার অনেকটাই পদ্মার ভাঙনে পড়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর