channel 24

সর্বশেষ

  • চট্টগ্রামে চলছে চাকরি মেলা

  • নরসিংদীর বাঁশগাড়িতে আ.লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু

  • নির্বাচনি ইশতেহারে স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার আহবান

  • রাইড শেয়ারিং অ্যাপ উবারের ১০৭ কোটি ডলার লোকসান

  • মূলার বাম্পার ফলনের পরও লোকসানে লালমনিরহাটের চাষীরা

  • ইতিহাসের সাক্ষী হবার অপেক্ষায় নোয়াখালী শহীদ ভুলু স্টেডিয়াম

  • শীতকালীন সবজিতে ছেয়ে গেছে কাঁচাবাজার

  • নিপুণ রায়সহ ৭ জন পাঁচ দিনের রিমান্ডে

  • মিডিয়া কাপ ক্রিকেটে বাংলা ট্রিবিউন চ্যাম্পিয়ন

  • বকুলতলায় নাচে-গানে উদযাপিত হচ্ছে নবান্ন উৎসব

  • বর্ণময় জীবনের অধিকারী ছিলেন শিল্পী বারী সিদ্দিকী

  • সংখ্যালঘু নির্যাতনকারীদের মনোনয়ন না দেয়ার দাবি হিন্দু জোটের

  • সানরাইজার্সের হয়েই আইপিএল খেলবেন সাকিব

  • বরিশালের সঙ্গে ঝালকাঠিসহ ছয়টি রুটে বাস চলাচল বন্ধ

  • সৃষ্টির মাঝেও কাটছে না শূন্যতার রেশ

পদ্মার আগ্রাসি থাবায় শরীয়তপুরের তিন উপজেলা

পদ্মার আগ্রাসি থাবায় শরীয়তপুরের তিন উপজেলা

পদ্মার আগ্রাসি থাবা অব্যাহত আছে শরীয়তপুরের তিন উপজেলায়। গেল কয়েক মাসে বিলীন হয়েছে সরকারি-বেসরকারি নানা স্থাপনা, ব্সতভিটা, হাসপাতাল, মাদ্রাসা-সহ আবাদি জমি। পানি উন্নয়ন বোর্ড এ সব ভাঙন রোধে, কোটি কোটি টাকা খরচ করলেও কাজে আসছে না কিছুই। পদ্মার ভাঙন কবলে পড়েছে রাজবাড়ির শহররক্ষা বাঁধও।

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার মুলফৎগঞ্জ বাজার। আগ্রাসী পদ্মার ভয়াল এ রূপ গেলো কয়েকদিন ধরেই চলছে পুরো এলাকায়। এরইমধ্যে ২০টি বহুতল ভব্ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ নানা স্থাপনা বিলীন হয়েছে। ঝুঁকিতে আছে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সও।

শুধু এ উপজেলা নয়, পদ্মার ভাঙন অব্যাহত আছে জাজিরা ও ভেদরগঞ্জ উপজেলায়ও। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাঙন রোধে দীর্ঘদিন ধরেই স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন তারা। কিন্তু কয়েকটি জিও ব্যাগ ফেলে প্রতিবার চেষ্টা চলে ভাঙন রক্ষার। যা কোনো কাজে আসে না।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, নদীতে এখন প্রবল স্রোত। তাই শুষ্ক মৌসুমের আগে নদীর তীর রক্ষার কাজ শুরু করা সম্ভব নয়। নদী ভাঙনে এ পর্যন্ত জেলার তিন উপজেলায় বিলিন হয়েছে ১২ থেকে ১৪ কিলোমিটার এলাকা।

এদিকে, পদ্মার স্রোতের আঘাত ছড়িয়েছে রাজবাড়িতেও। জেলার গোদার বাজারে শহররক্ষা যে বাঁধটি ছিলো তার ৫০ মিটার ব্লক নদীতে বিলিন হয়েছে। ভাঙন ঝুঁকিতে পড়েছে নানা স্থাপনা।
২০০৯ সালে রাজবাড়ী ৮৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকা খরচে ব্লক ফেলে শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ হয়। যার অনেকটাই পদ্মার ভাঙনে পড়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর