channel 24

সর্বশেষ

  • এশিয়া কাপ: পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাট করবে বাংলাদেশ

  • একাদশে নেই সাকিব আল হাসান, নাজমুল শান্ত ও নাজমুল অপু...

  • জায়গা পেয়েছেন মুমিনুল হক, সৌম্য সরকার ও রুবেল হোসেন

  • যান্ত্রিক ত্রুটিতে ১৬৪ যাত্রী ও ৭ ক্রু নিয়ে চট্টগ্রাম বিমান বন্দরে...

  • জরুরি অবতরণ ইউএস বাংলার কক্সবাজারগামী ফ্লাইট, আহত ৪

  • রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়ে সংকটে ভুগছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

  • জিয়া চ্যারিটেবল মামলা: খালেদা জিয়া ও মনির জামিনে থাকবেন...

  • দুদকের রায়ের তারিখ ধার্যের আবেদন বিষয়ে আদেশ ৩০ সেপ্টেম্বর

  • জনগণের তথ্যের অধিকার প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমকে...

  • অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করতে হবে: প্রধান বিচারপতি

  • মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে ১৪৫ বাংলাদেশিসহ ১৭৩ জন আটক

  • এসকে সিনহার ব্যাংক হিসাবে অর্থ জমার ঘটনা অনুসন্ধানে...

  • ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক...

  • এ কে এম শামীমসহ ৬ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুদক

  • ড. মঈন খানের বাসায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতসহ কূটনীতিকরা...

  • নৈশভোজের আয়োজন ছিল, রাজনীতি নিয়ে আলোচনা হয়নি: মান্না

ডাক্তারি পাস না করেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, নির্বিকার স্বাস্থ্য বিভাগ

ডাক্তারি পাস না করেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, নির্বিকার স্বাস্থ্য বিভাগ

ব্যবস্থাপত্রে বড় বড় ডিগ্রি, এমবিবিএস পাস না করেও জটিল রোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। করছেন অস্ত্রোপচারও। অথচ তারা পল্লী চিকিৎসক। চ্যানেল 24 এর অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে চিকিৎসার নামে এমন ভয়াবহ চিত্র। কিন্তু সব জেনেও নির্বিকার স্বাস্থ্য বিভাগ। এ কান্না একজন মায়ের। একমাত্র কর্মক্ষম ছেলেকে হারিয়ে পাগলপ্রায়।

১৭ বছরের ছেলে সাইদুর রহমানের নাকের পলিপাস দেখানোর জন্য নিয়ে যান পল্লী চিকিৎসক ফকরুদ্দীনের কাছে। অস্ত্রোপচারের সময় মৃত্যু হয় সাইদের। ফকরুজ্জামানের কথিত চিকিৎসায় এরকম আরও কয়েকজনের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। মেহেরপুর গাংনী উপজেলার আরেক পল্লী চিকিৎসক অশোক চন্দ্র বিশ্বাস। তিনি কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের ফার্মাসিস্ট। এমবিবিস পাস না করেও ব্যবস্থাপত্রে লিখেছেন সনোলজিস্ট। আবার তার ব্যবস্থাপত্রে লেখা রয়েছে বড় বড় ডিগ্রির নাম।

রাইপুর গ্রামের পল্লী চিকিৎসক আনিছুর রহমানের কাছে রোগী সাজিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এক যুবককে। কথিত চিকিৎসক প্রথমেই তাকে দেন উচ্চ মাত্রার এন্টিবায়োটিক ছাড়া কোনো রোগের চিকিৎসাই হয় না। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা বলছেন, ৭০ থেকে ৮০ ভাগ রোগীই আসে পল্লী চিকিৎসকের কাছে ভুল চিকিৎসা নিয়ে। ফলে তাদের রোগ নির্ণয়েও অনেক সময় হিমশিম খেতে হয়। অনেকে প্রাথমিক পর্যায়ে উচ্চ মাত্রায় ওষুধ খাওয়ায় আক্রান্ত হয় জটিল রোগে।

শিশু বিশেষজ্ঞ ও আবাসিক মেডিকেল অফিসার, মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল। যদিও সব জেনেও অসহায়ত্ব প্রকাশ করলেন খোদ সিভিল সার্জান। বললেন, কোন নীতিমালা না থাকায় পল্লী চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না। গ্রামাঞ্চলে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়ানো এবং কম খরচে আধুনিক চিকিৎসা মানুষের দোড়গোড়ায় পৌঁছানোর দাবি মেহেরপুরবাসীর।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর