channel 24

সর্বশেষ

  • নির্বাচনি কর্মকর্তাদের তথ্য চাওয়া যাবে না...

  • নাশকতাকারীরা যে দলেরই হোক ব্যবস্থা নিতে হবে...

  • বিনা কারণে কাউকে হয়রানি করা যাবে না...

  • আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে বৈঠকে সিইসি...

  • ১৫ ডিসেম্বরের পর সেনাবাহিনীর একটি দল বিভিন্ন জেলায় যাবে

  • রাজনৈতিক নয়, অর্থনৈতিক কূটনীতিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

  • ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে গুরুত্ব পাবে সুশাসন ও ন্যায়বিচার: ডা. জাফরুল্লাহ

  • রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিএনপি নেতা গিয়াস কাদেরের জামিন নামঞ্জুর

কক্সবাজারে সন্ত্রাসী গ্রুপের কাছে জিম্মি চিংড়ি খাত

কক্সবাজারে সন্ত্রাসী গ্রুপের কাছে জিম্মি চিংড়ি খাত

চিংড়ি চাষের জন্য দেশের অন্যতম এলাকা কক্সবাজারের চকরিয়া। তবে চাঁদাবাজি, ডাকাতিতে অতিষ্ঠ ঘের মালিকরা। ৫ থেকে ৭টি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপের কাছে জিম্মি এখানকার চিংড়ি খাত। প্রতিমাসে দিতে হয়, কোটি টাকার ওপর চাঁদা। যাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি।

চিংড়ি উৎপাদনের জন্য সারাদেশেই পরিচিত কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা। সেখানকার উপকুলীয় জনপদ চরণদীপ ও সওদাগরঘোনা। যেখানে চাঁদাবাজির কারণে অনেকদিন ধরেই অতিষ্ঠ ঘের মালিকরা। নৌপথে যেতে হয় এই জনপদে। রাতের অন্ধকারে নিরিবিলি এলাকাটিতে পৌছে দেখা মিললো কয়েকজনের। যাদের সবার হাতেই অস্ত্র। মূলত তারাই জড়িত এই চাঁদাবাজি আর ডাকাতিতে। যা চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের কাছে স্বীকারও করেন তাদের কয়েকজন।

তাদের দাবি, এসব কাজে নেপথ্যে রয়েছেন এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি। যারা তাদের আশ্রয় যেমন দেন, তেমনি এই জগত থেকে সরে আসতে চাইলে, চালায় নির্যাতন। জড়িয়ে দেয়া হয় মামলার জালে। চকরিয়ার পুরো উপকুলজুড়েই এই অপরাধীদের দাপট। ঘের মালিকরা বলছেন, এসব সন্ত্রাসী গ্রুপের কাছে তারা এখন একপ্রকার জিম্মি। তবে এসব দুর্বৃত্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান জেলা পুলিশের এই কর্মকর্তা। চকরিয়ায় চিংড়ি ঘের আছে প্রায় পয়ত্রিশ হাজার একর। যেখানে চাঁদাবাজি আর ডাকাতিতে জড়িত ৫ থেকে ৭টি বাহিনী। তাদের প্রতিমাসে আদায় করা চাঁদার পরিমাণ কোটি টাকার বেশি।  

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর