channel 24

সর্বশেষ

  • তাজিয়া মিছিলের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার

  • কোটা নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাল্টাপাল্টি মিছিল

  • একুশ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার কাজ শেষ; রায় ১০ অক্টোবর

  • ইভিএম কিনতে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন একনেকে

  • বিএনপি নেতা আমীর খসরুর সম্পদ অনুসন্ধানে দুদকের অভিযান

  • ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭.৮৬ শতাংশ: পরিকল্পনামন্ত্রী

মানবেতর দিন কাটাচ্ছে কুড়িগ্রামের চড়াঞ্চলের মানুষ

মানবেতর দিন কাটাচ্ছে কুড়িগ্রামের চড়াঞ্চলের মানুষ

কর্মসংস্থানের অভাবে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন, কুড়িগ্রামের ৪০৬টি চরের মানুষ। বর্ষায় ভাঙন আর শুষ্ক মৌসুমে খরার সাথে চলে অন্তহীন যুদ্ধ। বেসরকারি উন্নয়ন কর্মীরা বলছেন, সরকারি সুবিধা বাড়ানো গেলে, দূর হবে চরবাসীর দুর্দশা।
বছরের পর বছর নদীর বুকে পলি জমে গড়ে উঠেছে চর। নদীর সেই আর্শিবাদে মাথা গোজার ঠাঁই মিলেছে হাজার হাজার মানুষের। কুড়িগ্রামের ১৬টি ছোট বড় নদী অববাহিকায় স্থায়ী ও অস্থায়ী চরের সংখ্যা ৪শরও বেশি। বিস্তীর্ণ এ অঞ্চলে বসবাস অবহেলিত আর সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর। প্রতিনিয়ত যাদের জীবন চলে ভাঙাগড়ার মধ্যে।
খামারবাসপাতা চরের বাসিন্দা নূর ইসলাম। জীবনে ১৭ বার নদী ভাঙ্গনের কবলে পরার কথা বলছিলেন ৬৭ বছরের এই প্রবীণ।  
একদিকে ভাঙন অন্যদিকে কাজের অভাবে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র থেকে বের হতে পারছে না চরাঞ্চলের বাসিন্দারা। পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য মতে, গেলো ৫ বছরে এ অঞ্চলে দরিদ্রতার হার ৬৩ শতাংশ থেকে দাঁড়িয়েছে ৭০ এ। শুষ্ক মৌসুমে ভুট্টা, ধান চাষ করলেও বর্ষা মৌসুমে কর্মহীন চরবাসী।
তবে বেসরকারি উদ্যোগে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন চরাঞ্চলের মানুষ। প্রশিক্ষণ আর ঋণ সুবিধা নিয়ে সাবলম্বী হওয়ার চেষ্টায় নারীরাও। জেলা সদর থেকে বিচ্ছিন্ন এসব অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করা গেলে মিলতে পারে সরকারি সুবিধা; বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
সরকারি উদ্যোগে ভাঙন আর দারিদ্র্যের কষাঘাত থেকে কবে মিলবে মুক্তি, সেই অপেক্ষায় চরাঞ্চলের শত শত পরিবার।

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর