channel 24

সর্বশেষ

  • অসাম্প্রদায়িক চেতনায় এগিয়ে যাচ্ছে দেশ: প্রধানমন্ত্রী

  • ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে তফসিল: সেতুমন্ত্রী

  • সরকার একদলীয় শাসনের প্রকল্প নিয়েছে: আমীর খসরু

  • জেএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসসহ সার্বিক বিষয়ে সরকার সতর্ক: শিক্ষামন্ত্রী

  • ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য বাধা হবে না: তথ্যমন্ত্রী

  • ইসি বাক প্রদানের স্বাধীনতা দেইনি বলে কমিশন সভা বর্জন করেছি: মাহবুব তালুকদার

  • ঢাবি'র 'ঘ' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল স্থগিত

  • সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি নিখোঁজের...

  • বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের আহবান যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানির

বিশুদ্ধ পানির সংকটে নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চল

বিশুদ্ধ পানির সংকটে নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চল

উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চলে বাড়ছে বিশুদ্ধ পানির সংকট।

দৈনন্দিন সব কাজেই ভরসা কূপের পানি। তাও ফুরিয়ে যায় বৈশাখ-চৈত্র মাসে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে তীব্র হচ্ছে এই সংকট। তবে এরইমধ্যে কিছু গ্রামে শুরু হয়েছে কমিউনিটি পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় পানি সরবরাহ। যা থেকে একজন মানুষ মাত্র ৩ টাকায় মাসজুড়ে ব্যবহার করছেন বিশুদ্ধ পানি। নওগাঁর সীমান্তবর্তী খোট্টাপাড়া গ্রামের স্কুলশিক্ষিকা সানজিদা বেগম। গ্রামে কোন টিউবয়েল না থাকায় প্রতিদিন তিনবেলা এভাবেই কূপ থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করতে হয় তাকে। 

যদিও চৈত্র-বৈশাখে থাকে না এই কূপের পানিও। শুধু খোট্টাপাড়া গ্রামেই নয়, নওগাঁর বেশ কয়েকটি উপজেলার চিত্র এখন এমনই। এলাকাবাসীর দাবি, কিছুদিন পর পুকুর অথ বা অন্য এলাকা থেকে পানি এনে খেতে হবে তাদের। শুধু তাই নয়, কূপের পানি খেয়ে অসুস্থ হবার মতো ঘটনাও ঘটে প্রতি বছর। আবার পুকুর মাঠ-ঘাট শুকিয়ে যাওয়ায় অনাবাদি হয়ে পড়েছে হাজার হাজার হেক্টর আবাদি জমি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বনজ গাছ নিধন আর ভূপুষ্ঠের উপরিভাগে পানীয় জলের আধার না থাকায়, প্রতি বছরই বরেন্দ্র অঞ্চলে নেমে যাচ্ছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর। এ অবস্থা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে এই অঞ্চল মরুভূমিতে পরিণত হবে বলে আশংকা স্থানীয়দের। তবে এমন কষ্টের মধ্যেও আশার আলো ছড়াচ্ছে কমিউনিটি পানি সরবরাহ প্রকল্প।  স্থানীয় সংসদ সদস্যের তহবিল, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের যৌথ অর্থায়নে কয়েকটি গ্রামে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই প্রকল্প। প্রতিটি প্রকল্পে সাড়ে ৪শ ফিট পর্যন্ত গভীরে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন মোটর বসিয়ে উঁচু ট্যাংকির মাধ্যমে দেয়া হচ্ছে পানি। যার সুবিধা পেতে প্রতিবারের প্রতিটি সদস্যের জন্য মাসে দিতে হয় মাত্র ৩ থেকে ৫ টাকা।

প্রকল্পের নকশা পাঠানো হয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে। উদ্যোক্তা্দের দাবি, এটি বাস্তবায়ন করা গেলে শুধু নওগাঁ নয়, পুরো বরেন্দ্র অঞ্চলেই বিশুদ্ধ পানির সংকট মোকাবেলা করা যাবে। প্রাথমিকভাবে নওগাঁর ২০ টি গ্রামের ৫০ টি পয়েন্টে চলছে এই কমিউনিটি পানি সরবরাহ প্রকল্প। যার প্রতিটিতে খরচ হয়েছে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত।

 

সর্বশেষ সংবাদ

দেশ 24 খবর