channel 24

সর্বশেষ

  • কোচিং বাণিজ্য: উইলস লিটল স্কুলের ৩০ শিক্ষককে দুদকের শোকজ

  • নাটোরের বাগাতিপাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের নিহত ৩

  • রোহিঙ্গা ইস্যুর সমাধান দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশ সমস্যায় পড়বে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • এসএসসি ও সমমান পরীক্ষাকালীন কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে: শিক্ষামন্ত্রী

  • জামায়াত ও যুদ্ধাপরাধীর সন্তানরা যেন সরকারি চাকরি না পায়...

  • তার জন্য আইন করতে হবে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

  • সমাজে ব্যাধির মতো ছড়িয়ে গেছে দুর্নীতি: প্রধানমন্ত্রী...

  • সব অপরাধ দমনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে তৎপর থাকার নির্দেশ

  • ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সাংবাদিকদের...

  • উদ্বেগের বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

  • রিজার্ভ চুরি: চলতি মাসেই নিউইয়র্কে মামলা- অর্থমন্ত্রী

  • হলি আর্টিজান মামলার আসামি জঙ্গিনেতা মামুন ৫ দিনের রিমান্ডে

  • ডিপিডিসির নির্বাহী পরিচালক রমিজ উদ্দিন সরকার ও...

  • তার স্ত্রীর সম্পদের হিসাব দিতে দুদকের নোটিশ

'দেবী' দর্শন

'দেবী' দর্শন

কেমন হলো জয়া আহসানের দেবী? তাই দেখতে গিয়ে হতবাক, এ যেন অন্য জয়া। কখনো ভৌতিক, কখনো রোমান্টিক, শুধুমাত্র চোখের খেলায় জয়া ছাড়িয়ে গেছেন অন্য সব চরিত্রকে। দেবী উপন্যাসকে রঙিন পর্দায় খুঁজতে যাইনি, দেখতে গিয়েছিলাম জয়া-অনমের 'দেবী'কে।

হতাশ করেননি কোন অভিনেতাই, তবে সিনেমার শুরুতে মিসির আলী চরিত্রে পাওয়া যায়নি চঞ্চল চৌধুরীকে। কিন্তু সময় যতই এগিয়েছে চঞ্চল চৌধুরী তার স্থিরতা দেখিয়েছেন অভিনয়ে। শেষ দিকে তার অভিনয়, মিসির আলী চরিত্রকে মনে রাখতে বাধ্য করবে দর্শকদের।

শবনম ফারিয়ার যে এটা প্রথম সিনেমা সেটা বুঝতেই দেননি তিনি। যেভাবে জয়ার পাশাপাশি হেটেছেন তাতে তাকেও মনে রাখতে হবে। জয়ার স্বামীর চরিত্রটিতে অনিমেষ আইচের এর বেশী আর কিছু করার ছিলো না। তবুও যথেষ্ট ভালো করেছে অনিমেষ আইচ।

ইরেশ জাকেরকে আরও সময় দিলে ভালো হতো। তবে যেটুকু সময় পর্দায় ইরেশ জাকের ছিলেন নিজের জাত ঠিকই চিনিয়েছেন। যারা 'দেবী' সিনেমা দেখতে যাবেন, তারা উপন্যাসটাকে আলাদা করে রাখবেন, যদিও গল্পের সাথে আপনাকে হাটতে হবে। কিন্তু উপন্যাসের পৃষ্ঠাকে সামনে আনা অনেক কঠিন।

এ সিনেমার দৃশ্যধারণ খুবই চমৎকার ছিলো। এডিটিংয়ে যত্নের ছোঁয়া রয়েছে।

তবে বিরক্ত লেগেছে মেসেঞ্জারে বার বার টুং টাং শব্দ, শবনম-ইরেশের প্রেম হওয়ার সে দৃশ্য হয়তো সময়ের প্রয়োজনে করা। কিন্তু অন্যভাবে করলেও পারতেন পরিচালক। হাতিরঝিল যখন দেখালেন  তখন নীলুদের গাড়ীটা আর একটু নতুন হলে সমস্যা ছিলো না।

সবশেষ, এই সিনেমার মুল সাবজেক্ট মিসির আলী না দেবী তা নিয়ে আপনি দ্বিধান্বিত হয়ে যাবেন। হুমায়ুন আহমেদের দেবীতে মিসির আলী রহস্য উন্মোচনে এগিয়ে থাকলেও সিনেমায় সেটি মিলবে না। এখানে সবকিছু ছাপিয়ে জয়ার উপস্থিতি। কাজেই আপনি কনফিউজড হবেন এটি ভৌতিক সিনেমা না রহস্য।

তবে সবছাপিয়ে দেবীর মত সিনেমা আরও হোক এদেশের চলচ্চিত্রে। যদিও এটি সরকারি অনুদানের ছবি তারপরেও এমন সিনেমা হলে ফেরাবে দর্শকদের। বাংলা সিনেমাও যাবে আরও উঁচুতে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ