channel 24

সর্বশেষ

  • দুর্নীতি, টেন্ডারবাজ আর সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার অ্যাকশন শুরু: কাদের

  • জি কে শামীমকে থানায় হস্তান্তর; অস্ত্র, মাদক ও মানি লন্ডারিংয়ে মামলা...

  • অস্ত্র ও মাদক মামলায় ৭ দিন করে ১৪ দিনের রিমান্ড আবেদন

  • গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির পদত্যাগ দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে সহকারী প্রক্টর হুমায়ুন কবিরের পদত্যাগ

  • প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই দুর্নীতি ও অপকর্মের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে...

  • তথ্য প্রমাণ পেলে শুধু সম্রাট নয়, কেউ ছাড় পাবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • আ.লীগের তৃণমূল থেকে উচ্চ পর্যায় দুর্নীতিতে নিমজ্জিত: ফখরুল

  • অস্ত্র ও মাদক আইনে গ্রেপ্তার কলাবাগান ক্লাবের সভাপতি...

  • সফিকুল ইসলাম ফিরোজের ২০ দিনের রিমান্ড আবেদন

  • ভিসির পদত্যাগ দাবি: গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা...

  • আন্দোলন ঘিরে বহিরাগতদের হামলায় আহত অন্তত ২০ শিক্ষার্থী

  • চট্টগ্রামে জিয়াদ হত্যা মামলার আসামি রাসেল 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত

  • ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেলে নারীর মৃত্যু...

  • গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৪০৮ জন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

'দেবী' দর্শন

'দেবী' দর্শন

কেমন হলো জয়া আহসানের দেবী? তাই দেখতে গিয়ে হতবাক, এ যেন অন্য জয়া। কখনো ভৌতিক, কখনো রোমান্টিক, শুধুমাত্র চোখের খেলায় জয়া ছাড়িয়ে গেছেন অন্য সব চরিত্রকে। দেবী উপন্যাসকে রঙিন পর্দায় খুঁজতে যাইনি, দেখতে গিয়েছিলাম জয়া-অনমের 'দেবী'কে।

হতাশ করেননি কোন অভিনেতাই, তবে সিনেমার শুরুতে মিসির আলী চরিত্রে পাওয়া যায়নি চঞ্চল চৌধুরীকে। কিন্তু সময় যতই এগিয়েছে চঞ্চল চৌধুরী তার স্থিরতা দেখিয়েছেন অভিনয়ে। শেষ দিকে তার অভিনয়, মিসির আলী চরিত্রকে মনে রাখতে বাধ্য করবে দর্শকদের।

শবনম ফারিয়ার যে এটা প্রথম সিনেমা সেটা বুঝতেই দেননি তিনি। যেভাবে জয়ার পাশাপাশি হেটেছেন তাতে তাকেও মনে রাখতে হবে। জয়ার স্বামীর চরিত্রটিতে অনিমেষ আইচের এর বেশী আর কিছু করার ছিলো না। তবুও যথেষ্ট ভালো করেছে অনিমেষ আইচ।

ইরেশ জাকেরকে আরও সময় দিলে ভালো হতো। তবে যেটুকু সময় পর্দায় ইরেশ জাকের ছিলেন নিজের জাত ঠিকই চিনিয়েছেন। যারা 'দেবী' সিনেমা দেখতে যাবেন, তারা উপন্যাসটাকে আলাদা করে রাখবেন, যদিও গল্পের সাথে আপনাকে হাটতে হবে। কিন্তু উপন্যাসের পৃষ্ঠাকে সামনে আনা অনেক কঠিন।

এ সিনেমার দৃশ্যধারণ খুবই চমৎকার ছিলো। এডিটিংয়ে যত্নের ছোঁয়া রয়েছে।

তবে বিরক্ত লেগেছে মেসেঞ্জারে বার বার টুং টাং শব্দ, শবনম-ইরেশের প্রেম হওয়ার সে দৃশ্য হয়তো সময়ের প্রয়োজনে করা। কিন্তু অন্যভাবে করলেও পারতেন পরিচালক। হাতিরঝিল যখন দেখালেন  তখন নীলুদের গাড়ীটা আর একটু নতুন হলে সমস্যা ছিলো না।

সবশেষ, এই সিনেমার মুল সাবজেক্ট মিসির আলী না দেবী তা নিয়ে আপনি দ্বিধান্বিত হয়ে যাবেন। হুমায়ুন আহমেদের দেবীতে মিসির আলী রহস্য উন্মোচনে এগিয়ে থাকলেও সিনেমায় সেটি মিলবে না। এখানে সবকিছু ছাপিয়ে জয়ার উপস্থিতি। কাজেই আপনি কনফিউজড হবেন এটি ভৌতিক সিনেমা না রহস্য।

তবে সবছাপিয়ে দেবীর মত সিনেমা আরও হোক এদেশের চলচ্চিত্রে। যদিও এটি সরকারি অনুদানের ছবি তারপরেও এমন সিনেমা হলে ফেরাবে দর্শকদের। বাংলা সিনেমাও যাবে আরও উঁচুতে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ