channel 24

সর্বশেষ

  • পাকিস্তান সফরে যাচ্ছে না বাংলাদেশ হকি দল

  • বাংলা চলচ্চিত্রের উজ্জ্বল নক্ষত্র পরিচালক সুভাষ দত্ত

  • বলিউডে মুক্তি পেল যেসব ছবি

  • ভাষা আন্দোলন নিয়ে তৌকিরের পরিচালনায় নির্মিত হচ্ছে 'ফাগুন হাওয়ায়'

  • কোপা আমেরিকায় মেসির খেলা নিয়ে অনিশ্চিয়তা

  • উয়েফা নেশন্স লিগে মাঠে নামছে ইউরোপের দেশগুলো

  • চট্টগ্রামে অনুশীলনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

  • ক্যারিবিয়দের বিপক্ষে সিরিজে সাকিব-তামিমের জন্য অপেক্ষায় টিম ম্যানেজমেন্ট

  • চট্টগ্রামে চলছে চাকরি মেলা

  • নরসিংদীর বাঁশগাড়িতে আ.লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু

  • নির্বাচনি ইশতেহারে স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার আহবান

  • রাইড শেয়ারিং অ্যাপ উবারের ১০৭ কোটি ডলার লোকসান

  • মূলার বাম্পার ফলনের পরও লোকসানে লালমনিরহাটের চাষীরা

  • ইতিহাসের সাক্ষী হবার অপেক্ষায় নোয়াখালী শহীদ ভুলু স্টেডিয়াম

  • শীতকালীন সবজিতে ছেয়ে গেছে কাঁচাবাজার

'দেবী' দর্শন

'দেবী' দর্শন

কেমন হলো জয়া আহসানের দেবী? তাই দেখতে গিয়ে হতবাক, এ যেন অন্য জয়া। কখনো ভৌতিক, কখনো রোমান্টিক, শুধুমাত্র চোখের খেলায় জয়া ছাড়িয়ে গেছেন অন্য সব চরিত্রকে। দেবী উপন্যাসকে রঙিন পর্দায় খুঁজতে যাইনি, দেখতে গিয়েছিলাম জয়া-অনমের 'দেবী'কে।

হতাশ করেননি কোন অভিনেতাই, তবে সিনেমার শুরুতে মিসির আলী চরিত্রে পাওয়া যায়নি চঞ্চল চৌধুরীকে। কিন্তু সময় যতই এগিয়েছে চঞ্চল চৌধুরী তার স্থিরতা দেখিয়েছেন অভিনয়ে। শেষ দিকে তার অভিনয়, মিসির আলী চরিত্রকে মনে রাখতে বাধ্য করবে দর্শকদের।

শবনম ফারিয়ার যে এটা প্রথম সিনেমা সেটা বুঝতেই দেননি তিনি। যেভাবে জয়ার পাশাপাশি হেটেছেন তাতে তাকেও মনে রাখতে হবে। জয়ার স্বামীর চরিত্রটিতে অনিমেষ আইচের এর বেশী আর কিছু করার ছিলো না। তবুও যথেষ্ট ভালো করেছে অনিমেষ আইচ।

ইরেশ জাকেরকে আরও সময় দিলে ভালো হতো। তবে যেটুকু সময় পর্দায় ইরেশ জাকের ছিলেন নিজের জাত ঠিকই চিনিয়েছেন। যারা 'দেবী' সিনেমা দেখতে যাবেন, তারা উপন্যাসটাকে আলাদা করে রাখবেন, যদিও গল্পের সাথে আপনাকে হাটতে হবে। কিন্তু উপন্যাসের পৃষ্ঠাকে সামনে আনা অনেক কঠিন।

এ সিনেমার দৃশ্যধারণ খুবই চমৎকার ছিলো। এডিটিংয়ে যত্নের ছোঁয়া রয়েছে।

তবে বিরক্ত লেগেছে মেসেঞ্জারে বার বার টুং টাং শব্দ, শবনম-ইরেশের প্রেম হওয়ার সে দৃশ্য হয়তো সময়ের প্রয়োজনে করা। কিন্তু অন্যভাবে করলেও পারতেন পরিচালক। হাতিরঝিল যখন দেখালেন  তখন নীলুদের গাড়ীটা আর একটু নতুন হলে সমস্যা ছিলো না।

সবশেষ, এই সিনেমার মুল সাবজেক্ট মিসির আলী না দেবী তা নিয়ে আপনি দ্বিধান্বিত হয়ে যাবেন। হুমায়ুন আহমেদের দেবীতে মিসির আলী রহস্য উন্মোচনে এগিয়ে থাকলেও সিনেমায় সেটি মিলবে না। এখানে সবকিছু ছাপিয়ে জয়ার উপস্থিতি। কাজেই আপনি কনফিউজড হবেন এটি ভৌতিক সিনেমা না রহস্য।

তবে সবছাপিয়ে দেবীর মত সিনেমা আরও হোক এদেশের চলচ্চিত্রে। যদিও এটি সরকারি অনুদানের ছবি তারপরেও এমন সিনেমা হলে ফেরাবে দর্শকদের। বাংলা সিনেমাও যাবে আরও উঁচুতে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ