channel 24

সর্বশেষ

  • ভবিষ্যতে কেউ যাতে দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি...

  • খেলতে না পারে সে ব্যাপারে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সতর্ক থাকতে হবে...

  • ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডে জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন বলেই...

  • খন্দকার মোশতাক তাকে সেনাপ্রধান করেছিলেন...

  • শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী

  • ব্রিটেনে নির্বাচনে জয়ী হওয়ায় বরিস জনসনকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

  • শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণে পুরো দেশ...

  • মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

  • যুদ্ধাপরাধী জামায়াত নেতা কাদের মোল্লাকে 'শহীদ' বলায়...

  • দৈনিক সংগ্রামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিত: ওবায়দুল কাদের

  • জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে: ফখরুল

  • মুন সিনেমার মালিকানা নিয়ে সংবিধান সংশোধনী...

  • কতটা যৌক্তিক, প্রশ্ন সাবেক বিচারপতি আব্দুল মতিনের

  • বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী রুম্পার শরীরে ধর্ষণের আলামত মেলেনি: চিকিৎসক...

  • কাল পুলিশের কাছে দেয়া হবে প্রাথমিক প্রতিবেদন

  • সাময়িক বন্ধ থাকার পর স্বাভাবিক হয়েছে তামাবিল সীমান্তে যাত্রী চলাচল

  • সড়ক দুর্ঘটনায় পাবনার আটঘরিয়ায় জামাই-শ্বশুর নিহত

চট্টগ্রামে আরেক বালিশ কাণ্ড

চট্টগ্রামে আরেক বালিশ কাণ্ড

চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের হাসপাতাল ভবন প্রকল্পের কেনাকাটায় অস্বাভাবিক ব্যয় প্রস্তাব করেছে কর্তৃপক্ষ। এতে প্রতিটি বালিশের দাম ২৭ হাজার টাকা। আর তার কভারের দাম ২৮ হাজার টাকা। এমন ১২টি আইটেমের দামে অসঙ্গতি ধরা পড়ে পরিকল্পনা কমিশনের প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভায়। এসব অনিয়ম ধরা পরার পর এখন জড়িত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলছে কর্তৃপক্ষ।

নির্মাণ শুরুর আগেই আলোচনায় ফৌজদারহাটে প্রস্তাবিত চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়। যাতে উঠেছে হরিলুট চেষ্টার অভিযোগ।

এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যে দুটি হাসপাতাল হবে তার জন্য লাগবে নানা জিনিসপত্র। আর তা কিনতে একেকটি জিনিসের দাম প্রস্তাব করা হয়েছে বাজারমূল্যের ১০-২০ গুণ বেশি। যেমন- একটি বালিশের দাম ২৭ হাজার টাকা। আর তার কভারের দাম ২৮ হাজার টাকা। এমন কয়েকগুণ বাড়তি দাম প্রস্তাব করা হয়েছে ১২টি আইটেমে।  

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অবিশ্বাস্য এই প্রস্তাবটি তৈরি করেছে ফিউচার নামে একটি প্রতিষ্ঠান। অভিযোগ উঠেছে, কোন সম্ভাব্যতা যাচাই ছাড়াই প্রকল্প প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। যা গত ২ সেপ্টেম্বর পরিকল্পনা কমিশনের সভায় নাকচ করে দেয়া হয়।

চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার এ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, সবার সমন্বয়ে আয়োজিত মিটিংয়ে বিষয়টি নজরে আসার পরে প্রস্তাবটি নাকচ করা হয়েছে।

ফিউচারের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এটাকে বড় ধরনের দুর্নীতির চেষ্টা হিসেবে দেখছেন পর্যবেক্ষকরা। এ বিষয়ে টিআইবির সভাপতি অ্যাডভোকেট আখতার কবির চৌধুরী বলেন, মেগা প্রকল্প মানেই মেগা চুরি। এমন পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাওয়া দরকার বলে মনে করেন টিআইবির সভাপতি।

চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা: ইসমাইল খান বলেন, যারা প্রস্তাবটি দিয়েছিল তাদের বাদ দেয়া হয়েছে। উক্ত প্রতিষ্ঠানটিকে জবাবদিহি করার জন্য চিঠি দেয়া হয়েছেও বলে জানান চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।

তবে এসব অনিয়ম ধরা পরার পর এখন জড়িত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলছে কর্তৃপক্ষ। একইসাথে, অবকাঠামো নির্মাণের আগে কেনাকাটার পক্ষে নন তারা। প্রায় ২৪ একর জমিতে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্পে প্রাথমিকভাবে ব্যয় ধরা হয় ২ হাজার ৮শ কোটি টাকা।

নিউজটির প্রতিবেদন ভিডিওতে-

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর