channel 24

সর্বশেষ

  • বাণিজ্যিক বিবেচনায় চীনা প্রেসিডেন্টের ভারত সফর বেশ সফল: বেইজিং

  • ভারতে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে বাড়ি ধসে ১০ জনের প্রাণহানি

  • রেমিটেন্সের বিপরীতে প্রণোদনার টাকা ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক

  • তৃতীয় বছরে দৈনিক বিজনেস বাংলাদেশ

  • শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা

  • আট উপজেলা ও দুই পৌরসভা নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে

  • যশোরের যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ৫ আসামিকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

  • আবরার হত্যা: আসামি অমিত সাহাকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার

  • জম্মু-কাশ্মীরে ৭২ দিন পর সচল করা হলো পোস্টপেইড মোবাইল সার্ভিস

  • কুড়িগ্রামের রেল স্টেশন ভবনের বেহাল দশা

  • লোভ আর চাপে ক্যাম্পাসে রাজনীতিতে জড়াচ্ছে মেধাবীরা

  • আবরার হত্যার সুষ্ঠু বিচার চায় সিপিবির নারী সেল

  • তীব্র স্রোত ও নাব্য সংকটে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ

  • থানার ভেতরেই ওসির যোগদানের বর্ষপূর্তি আয়োজন!

  • মালয়েশিয়ায় ১৭৭ বাংলাদেশি অবৈধ অভিবাসী আটক

চট্টগ্রামে বিদ্যুতের ব্যবহার নিয়ে চলছে তুঘলকি কারবার

চট্টগ্রামে বিদ্যুতের ব্যবহার নিয়ে চলছে তুঘলকি কারবার

হরদম ঘুরছে মিটার। ব্যবহার হচ্ছে বিদ্যুৎ। অথচ অফিসের নথিতে নেই সেই মিটারের অস্তিত্ব। আবার যেগুলোর অস্তিত্ব আছে, সেগুলোরও বিল হয় না বছরের পর বছর। লাখ লাখ টাকা বকেয়া থাকার পরও দেয়া হচ্ছে নতুন সংযোগ। বিনিময়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। বন্দরনগরীতে বিদ্যুৎ নিয়ে চলছে এমন তুঘলকি কারবার।

২০১৬ সালের নভেম্বর থেকে বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার লাগানো শুরু হয় চট্টগ্রামে। তাতে অনেকটাই কমে আসে সিস্টেম লস, বকেয়া বিল কিংবা বিল নিয়ে গ্রাহক হয়রানির মতো ঘটনা।

তবে এরপরও বন্দরনগরীতে রয়ে গেছে হাজার হাজার পোস্টপেইড মিটার। অভিযোগ, বিদ্যুৎ বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীই মিটার প্রিপেইডে রুপান্তর করছেন না। বিনিময়ে ইচ্ছামতো বা অনিয়মিত বিল করে নিচ্ছেন অবৈধ সুবিধা।

এমন অভিযোগের সত্যতাও মিললো চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের অনুসন্ধানে। তাতে শুধুমাত্র আগ্রাবাদ জোনেই পাওয়া গেছে দুই হাজার দুইশো মিটার। এমনই একটি দেওয়ানহাট এলাকার মেট্রোসেলুন। যেখানে গত একবছর ধরে কোন বিলই হয়নি। ফলে হয়নি বিল পরিশোধও।

কোথাও অবস্থা আরো ভয়াবহ। পিডিবির মিটার রিডারের সহযোগী পরিচয় দেয়া এলাকার শাহনেওয়াজ মঈন এর চারতলা বাড়ির পুরো বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় একটি পোস্টপেইড মিটারে। অথচ এই মিটারের কোন হদিসই নেই পিডিবির সার্ভারে। একই অবস্থা সিডিএ আবাসিকের নয় নম্বর সড়কের এই বাড়ির মিটারটির। যার কোন অস্তিত্ব নেই পিডিবির খাতা কলমে।

আইন অনুযায়ী বিল বকেয়া থাকলে একই হোল্ডিং নম্বরে নতুন সংযোগ দেয়ার কোন সুযোগ নেই। অথচ দেওয়ানহাটের এই হোল্ডিং নম্বরে ১২ লাখ টাকারও বেশী বকেয়া থাকার পরও দেওয়া হয়েছে নতুন সংযোগ। এছাড়াও দীর্ঘ সাতবছর ধরে বিলিং ছাড়াই বিদ্যুৎ ব্যবহারের ঘটনাও উঠে আসে অনুসন্ধানে। বছরের পর বছর ধরে এমন অনিয়মে কোটি কোটি টাকার ক্ষতির শিকার বিদ্যুৎ বিভাগ।

পিডিবির আগ্রাবাদ জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী মোর্শেদ মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, যারা এই অনিয়মগুলি করেছেন তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে
ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এ বিষয়ে পিডিবির বিতরণ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার সেন জানান, অনিয়মে জড়িতদের চিহ্নিত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর