channel 24

সর্বশেষ

  • আন্তর্জাতিক বাজারে নিম্নমুখী স্বর্ণের দাম

  • স্বাভাবিক গতি ফিরছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেলের বাজারে

  • করোনাকালেও মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির সরকারি হিসাবে চমক!

  • অলিম্পিককে সামনে রেখে প্রস্তুতি নিয়ে অনিশ্চয়তায় শ্যুটাররা

  • বিমানবন্দরে ভুয়া কর্নেল আটক

  • লেবানন থেকে ৭১ বাংলাদেশিকে নিয়ে দেশে ফিরেছে বিমান বাহিনী

  • গৃহকর্ত্রীর নির্মম নির্যাতনের শিকার ১৩ বছরের শিশু আশা

  • সিনহা হত্যা: পুলিশের মামলার ৩ সাক্ষীকে র‍্যাব হেফাজতে নেওয়া হবে

  • আসনভিত্তিক থোক বরাদ্দে বাড়ছে সংসদ সদস্যদের দুর্নীতি: টিআইবি

  • দুর্নীতি করিনি; যেই করুক, শাস্তি চাই: স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি

  • কুমিল্লায় মূল আসামির পরিবর্তে অন্যজনের কারাভোগের ঘটানায় তদন্ত কমিটি

  • গাইবান্ধায় মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ঠাঁই না পেয়ে রাস্তায় সন্তান প্রসব

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগে পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

  • আধুনিক প্রযুক্তিতে কৃষি জমিতে সার ছিটানো

  • বাংলাদেশে উৎপাদিত হচ্ছে বিদেশি জাতের প্যাশন বা ট্যাং ফল

চট্টগ্রামে বিদ্যুতের ব্যবহার নিয়ে চলছে তুঘলকি কারবার

চট্টগ্রামে বিদ্যুতের ব্যবহার নিয়ে চলছে তুঘলকি কারবার

হরদম ঘুরছে মিটার। ব্যবহার হচ্ছে বিদ্যুৎ। অথচ অফিসের নথিতে নেই সেই মিটারের অস্তিত্ব। আবার যেগুলোর অস্তিত্ব আছে, সেগুলোরও বিল হয় না বছরের পর বছর। লাখ লাখ টাকা বকেয়া থাকার পরও দেয়া হচ্ছে নতুন সংযোগ। বিনিময়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। বন্দরনগরীতে বিদ্যুৎ নিয়ে চলছে এমন তুঘলকি কারবার।

২০১৬ সালের নভেম্বর থেকে বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার লাগানো শুরু হয় চট্টগ্রামে। তাতে অনেকটাই কমে আসে সিস্টেম লস, বকেয়া বিল কিংবা বিল নিয়ে গ্রাহক হয়রানির মতো ঘটনা।

তবে এরপরও বন্দরনগরীতে রয়ে গেছে হাজার হাজার পোস্টপেইড মিটার। অভিযোগ, বিদ্যুৎ বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীই মিটার প্রিপেইডে রুপান্তর করছেন না। বিনিময়ে ইচ্ছামতো বা অনিয়মিত বিল করে নিচ্ছেন অবৈধ সুবিধা।

এমন অভিযোগের সত্যতাও মিললো চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের অনুসন্ধানে। তাতে শুধুমাত্র আগ্রাবাদ জোনেই পাওয়া গেছে দুই হাজার দুইশো মিটার। এমনই একটি দেওয়ানহাট এলাকার মেট্রোসেলুন। যেখানে গত একবছর ধরে কোন বিলই হয়নি। ফলে হয়নি বিল পরিশোধও।

কোথাও অবস্থা আরো ভয়াবহ। পিডিবির মিটার রিডারের সহযোগী পরিচয় দেয়া এলাকার শাহনেওয়াজ মঈন এর চারতলা বাড়ির পুরো বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় একটি পোস্টপেইড মিটারে। অথচ এই মিটারের কোন হদিসই নেই পিডিবির সার্ভারে। একই অবস্থা সিডিএ আবাসিকের নয় নম্বর সড়কের এই বাড়ির মিটারটির। যার কোন অস্তিত্ব নেই পিডিবির খাতা কলমে।

আইন অনুযায়ী বিল বকেয়া থাকলে একই হোল্ডিং নম্বরে নতুন সংযোগ দেয়ার কোন সুযোগ নেই। অথচ দেওয়ানহাটের এই হোল্ডিং নম্বরে ১২ লাখ টাকারও বেশী বকেয়া থাকার পরও দেওয়া হয়েছে নতুন সংযোগ। এছাড়াও দীর্ঘ সাতবছর ধরে বিলিং ছাড়াই বিদ্যুৎ ব্যবহারের ঘটনাও উঠে আসে অনুসন্ধানে। বছরের পর বছর ধরে এমন অনিয়মে কোটি কোটি টাকার ক্ষতির শিকার বিদ্যুৎ বিভাগ।

পিডিবির আগ্রাবাদ জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী মোর্শেদ মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, যারা এই অনিয়মগুলি করেছেন তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে
ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এ বিষয়ে পিডিবির বিতরণ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার সেন জানান, অনিয়মে জড়িতদের চিহ্নিত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর