channel 24

সর্বশেষ

  • খুলনা জিআরপি থানার সাবেক ওসি উছমান গনিসহ...

  • ৫ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে গণধর্ষণ মামলা দায়েরের আবেদন

  • ক্যাসিনো অবৈধ, কাউকে বেআইনি ব্যবসা করতে দেয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • অনিয়ম, দুর্নীতি রোধে ব্যর্থতায় সরকারের পদত্যাগ করা উচিত: ফখরুল

  • নাব্যতা সংকটে বন্ধ শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচল

  • টেকনাফে পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে রোহিঙ্গা দম্পতি নিহত

  • উগান্ডায় প্রশিক্ষণ নিতে যাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনেকেই প্রকল্প সংশ্লিষ্ট নন; অনিয়মে বারবারই অভিযুক্ত চট্টগ্রাম ওয়াসা।

  • দখল-দূষণে অস্তিত্ব সংকটে বেশিরভাগ নদী; দখলদারদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ ও খননের দাবি পরিবেশবাদীদের।

  • গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ে চতুর্থ দিনের মতো আমরণ অনশনে শিক্ষার্থীরা; ভিসি পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালানোর ঘোষণা

রোহিঙ্গা মহাসমাবেশ আয়োজনে শিক্ষক-সরকারি কৌসুলিও জড়িত!

রোহিঙ্গা মহাসমাবেশ আয়োজনে শিক্ষক-সরকারি কৌসুলিও জড়িত!

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গাদের মহাসমাবেশ আয়োজনের সাথে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে। যাতে রয়েছেন, সরকারি কৌসুলি, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকসহ অন্তত ৮ জন। জড়িত দুটি এনজিও। প্রশাসনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব ব্যক্তি আর এনজিও'র সহায়তায় সমাবেশের আয়োজন করে আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটির প্রধান মহিবুল্লাহ। এজন্য এনজিও আদ্রা দেয় নগদ আড়াই লাখ টাকা।

রাখাইনে নিপীড়িনের মুখে পালিয়ে আসার দুবছর উপলক্ষে গত ২৫ আগস্ট উখিয়ায় কয়েকলাখ মানুষের সমাবেশ করে আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস এন্ড হিউম্যানিটি রাইটস। অভিযোগ, এমন একটি সমাবেশ আয়োজনে ইন্ধন দিয়েছে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থা বা ব্যক্তি।

এই অভিযোগের সত্যতা মিলেছে প্রশাসনের একটি প্রতিবেদনেও। সম্প্রতি এনজিও ব্যুরোর কাছে পাঠানো জেলা প্রশাসনের এই প্রতিবেদনে, সমাবেশ বা রোহিঙ্গা সংগঠনটির সাথে সম্পৃক্ত হিসেবে ৮ ব্যক্তি ও দুটি এনজিওকে শনাক্ত করা হয়।

মদতদাতা হিসেবে শনাক্তকৃত ব্যক্তিরা হলেন- কক্সবাজার জেলা দায়রা জজ আদালতের পিপি মাহবুবুর রহমান, কক্সবাজার জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের পিপি মো. আব্দুর রহিম, আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যানিটি রাইটস (এআরএসপিএইচ)-এর সভাপতি মুহিববুল্লাহ, সহ-সভাপতি মাস্টার আব্দুর রহিম, সাধারণ সম্পাদক ও উখিয়া ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক নূরুল মাসুদ ভূঁইয়া, সংগঠনের উপদেষ্টা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী দুলাল মল্লিক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. ফরিদুল আলম ও মাওলানা ইউসুফ, ও ক্যাম্পে নিয়োজিত পুলিশের এএসআই বোরহান উদ্দিন।

এরমধ্যে কারও কারও বিরুদ্ধে এরইমধ্যে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানান কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমাবেশের চারদিন আগে আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটির সভাপতি মুহিবুল্লাহর সাথে দুদফা বৈঠক করে আড়াইলাখ টাকা অনুদান দেয় এনজিও আদ্রা। সমাবেশের জন্য টি-শার্ট, ব্যানার তৈরিতে জড়িত তিনটি প্রতিষ্ঠানকেও শনাক্ত করা হয়।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বেশ কিছু সংগঠন কাজ করলেও মুহিবুল্লাহর নেতৃত্বে পরিচালিত এআরএসপিএইচ সংগঠনটি বেশ শক্তিশালী বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। মুহিবুল্লাহর সংগঠনের ৩০০ জন সক্রিয় সদস্য রয়েছে। এই সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন—উখিয়া সিকদার পাড়া এলাকার আব্দুল করিম ভূঁইয়ার ছেলে উখিয়া কলেজের প্রভাষক নূরুল মাসুদ ভূঁইয়া। ২৫ আগস্ট তিনি উপজেলার মানবাধিকার সংগঠন ‘পিসওয়ে হিউম্যান রাইটস সোসাইটি’র সাধারণ সম্পাদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং তিনি সমাবেশে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। মাসুদের পূর্ব পুরুষ মিয়ানমারের নাগিরক বলেও উল্লেখ করা হয়। এই সংগঠনের সাত সদস্যের একটি উপদেষ্টা কমিটি রয়েছে, যারা সবাই কক্সবাজারের স্থায়ী বাসিন্দা। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মুহিবুল্লাহর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলারের একটি মিটিং হয়। এরপর তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পান।

পুরো বিষয়টিকে উদ্বেগজনক বলছেন কক্সবাজারের নাগরিক সমাজ।

তবে নিজের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তদের একজন দুদকের পিপি আবদুর রহিম।

রোহিঙাদের উসকানি দেয়ার কাজে আরও যারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করার কথাও বলছে জেলা প্রশাসন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর