channel 24

সর্বশেষ

  • পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ সামর্থ্য বাড়াতে...

  • সাময়িক তারল্য সুবিধা দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপন

  • খুলনা জিআরপি থানার সাবেক ওসি উছমান গনিসহ...

  • ৫ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে গণধর্ষণ মামলা দায়েরের আবেদন

  • ক্যাসিনো অবৈধ, কাউকে বেআইনি ব্যবসা করতে দেয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • অনিয়ম, দুর্নীতি রোধে ব্যর্থতায় সরকারের পদত্যাগ করা উচিত: ফখরুল

  • নাব্যতা সংকটে বন্ধ শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচল

  • টেকনাফে পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে রোহিঙ্গা দম্পতি নিহত

  • উগান্ডায় প্রশিক্ষণ নিতে যাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনেকেই প্রকল্প সংশ্লিষ্ট নন; অনিয়মে বারবারই অভিযুক্ত চট্টগ্রাম ওয়াসা।

  • দখল-দূষণে অস্তিত্ব সংকটে বেশিরভাগ নদী; দখলদারদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ ও খননের দাবি পরিবেশবাদীদের।

  • গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ে চতুর্থ দিনের মতো আমরণ অনশনে শিক্ষার্থীরা; ভিসি পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালানোর ঘোষণা

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিও বন্ধের তথ্যে বিভ্রান্তি

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিও বন্ধের তথ্যে বিভ্রান্তি

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে এনজিও কার্যক্রম কিভাবে চলছে তা নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ৪১টি এনজিও'র কার্যক্রম বন্ধের কথা বললেও, স্থানীয় প্রশাসনের কাছে এব্যাপারে কোন তথ্য নেই। তবে কিছু এনজিও'র অনিয়মের ব্যাপারে অনুসন্ধানের কথা জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক ও সদ্য বিদায়ী প্রত্যাবাসন কমিশনার।

কক্সবাজারে এখন বসবাস করছে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। যাদের আবাসন, খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে কাজ করছে বিভিন্ন এনজিও।

কিন্তু সম্প্রতি প্রত্যাবাসন ইস্যু ও ২৫ আগস্টের সমাবেশকে কেন্দ্র করে আলোচনা-সমালোচনা চলছে এনজিও কার্যক্রম নিয়ে। স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, সব না হলেও, কিছু এনজিও'র ইন্ধন আছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বানচালে। এমন তথ্য আছে পুলিশের কাছেও।

রোহিঙ্গাদ প্রত্যাবাসন সংরাম পরিষদের সভাপতি মাহমুদুল হক বলেন, বিশেষ কিছু এনজিও রোহিঙ্গাদের মধ্যে প্রত্যাবাসন অনীহা তৈরি করতে সরব। এতে মিয়ানমার সরকার জড়িত আছে।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেন, 'এটার তদন্ত আমরা শুরু করেছি। যে সকল এনজিও রোহিঙ্গাদের নিরুৎসাহিত করে তাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করতেছি।'

এমন প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন জানান, ৪১টি এনজিও-কে প্রত্যাহারের কথা। তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সম্প্রতি একটি এনজিওর ছয়টি প্রকল্প বন্ধ করা ছাড়া আর কোন পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন।

এরআগে গতবছর ৪১টি এনজিও'র কার্যক্রম স্থগিত করা হলেও পরে সাতটি ছাড়া বাকি সবগুলোই পুনরায় কাজের অনুমতি পায়। যদিও এখন নতুন অভিযোগ উঠার পর আবার অনুসন্ধানের কথা বলছে প্রশাসন।

সদ্য বিদায়ী প্রত্যাবসন কমিশনার মো. আবুল কালাম বলেন, এসব ব্যাপারে গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ওপর আমাদের নির্ভর করতে হয়।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, যে সকল এনজিওর ব্যাপারে এ ধরণের অভিযোগ আছে তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একটা প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

তবে ঢালাওভাবে সবাইকে দোষারোপ না করে, তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার পক্ষে এনজিও ফোরাম।

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাজ করছে ১৪৬টি এনজিও। এরমধ্যে জাতীয় ও স্থানীয় মিলে ৬৬টি, আর ৮০টি আন্তর্জাতিক।

নিউজটির ভিডিও-

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর