channel 24

সর্বশেষ

  • জয়পুরহাটে জরাজীর্ণ বেইলি ব্রিজ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন; যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার শংকা

  • বারবার ট্রেন দুর্ঘটনা নিয়ে উদ্বেগে যাত্রীরা; রেলপথ নিরাপদ করতে কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগের দাবি

  • বাজারে পেঁয়াজের অস্বাভাবিক দাম নিয়ে একে অপরকে দুষছেন আমদানিকারক ও পাইকাররা

  • চট্টগ্রামের পাথরঘাটায় গ্যাস লাইনে বিস্ফোরণে নিহত ৭

চট্টগ্রামের বেশিরভাগ আড়ৎদারই সংগ্রহ করেননি চামড়া

চট্টগ্রামের বেশিরভাগ আড়ৎদারই সংগ্রহ করেননি চামড়া

কোরবানীর দুদিন আগ পর্যন্ত বারবার ধরনা দিয়েও বকেয়া প্রায় ৩০ কোটি টাকা পাননি চট্টগ্রামের আড়তদাররা। অভিযোগ, এর পরিবর্তে তারা পেয়েছেন ট্যানারী মালিকদের দুর্ব্যবহার। এমনকি এবার চামড়া কেনার আশ্বাসও কাউকে দেয়া হয়নি। একদিকে বকেয়া টাকা অন্যদিকে চামড়া বিক্রি করতে না পারার অনিশ্চয়তা ফলে চট্টগ্রামের বেশিরভাগ আড়ৎদারই সংগ্রহ করেননি চামড়া। যাতে বিপর্যয় নেমে আসে মাঠপর্যায়ে।

চট্টগ্রামে ৫০ বছর ধরে কাঁচা চামড়ার ব্যবসা করে আসছেন রুহুল আমীন। কিন্তু গেলো কয়েকবছর ধরে ঢাকার ট্যানারি মালিকরা তার ৮২ লাখ টাকা পরিশোধ না করায় নিঃস্ব হয়ে যান তিনি। তাই এবারই প্রথম চামড়া সংগ্রহ করতে পারেননি এ ব্যবসায়ী।

শুধু তিনি নন, চট্টগ্রামের বেশিরভাগ ব্যবসায়ির একি অবস্থা। খোদ সমিতির নেতারাই সংগ্রহ করেননি চামড়া। তাদের অভিযোগ, কোরবানির দুইদিন আগ পর্যন্তও বারবার ধরনা দিয়ে পাননি বকেয়া টাকা। এমনকি চামড়া কেনার আশ্বাসও দেননি ট্যানারি মালিকরা। ফলে অনিশ্চয়তার মধ্যে তারা চামড়া সংগ্রহে পিছুটান দেন। যার প্রভাব পড়ে মাঠপর্যায়ে।

আড়ৎদারদের অভিযোগ, তারা ট্যানারি মালিকদের কাছে পুরোপুরিই জিম্মি। কেননা তাদের কাছেই বিক্রি করতে হবে চামড়া। যদিও সরকার এবার রপ্তানীর অনুমতি দিলেও  এবছর এর সুফল কতটুকু মিলবে তা নিয়ে সন্দিহান তারা। এজন্য সরকারের সহযোগিতা চান ব্যবসায়িরা।

এবার চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা সাড়ে পাঁচ লাখ। এরমধ্যে ৬০ ভাগ চামড়া সংগ্রহ করতে পেরেছেন আড়তদাররা। বাকি ১০ থেকে ১৫ ভাগ সংগ্রহ করা হবে জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে। নষ্ট হয়েছে লক্ষাধিক চামড়া।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর