channel 24

সর্বশেষ

  • যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা নিরাপত্তা সরঞ্জাম তৈরির ফ্যাক্টরি নির্মাণে বেক্সিমকো গ্রুপের অর্থায়ন

  • করোনায় দেশে একদিনে শনাক্তের রেকর্ড, ১৫ জনের মৃত্যু

  • ভারতের পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলের ৭ রাজ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে পঙ্গপাল

  • করোনা পাল্টে দিয়েছে কাতার উপকূলের জনজীবন

  • করোনা মহামারিতেও থেমে নেই রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ

  • চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো করোনা আক্রান্ত একজনকে প্লাজমা থেরাপি

  • কুড়িগ্রামে নৌকা ডুবি, নিখোঁজ ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার

  • ইউনাইটেড হাসপাতালের অধিকাংশ অগ্নিনির্বাপন যন্ত্রই মেয়াদোত্তীর্ণ

  • করোনার চিকিৎসায় হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহার বন্ধের সিদ্ধান্ত ইইউর

  • লাতিন আমেরিকার ১ কোটি ৪০ লাখ মানুষ খাদ্য সংকটে পড়তে পারে: জাতিসংঘ

  • দিনাজপুরের বিরামপুরে মদপানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০

  • ইউনাইটেড হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড: অপমৃত্যু মামলা করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ

  • পরিবেশ দূষণ রোধের পাশাপাশি বিনোদনের অন্যতম স্থান হতে পারে ছাদবাগান

  • করোনার পর বিএনপি রাজনীতিতে নতুন চিন্তা-ভাবনা

  • বাড়ছে না ছুটি, তাই ঈদ শেষে ঢাকামুখি মানুষের ঢল

বৃষ্টি হলেই চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সড়ক তলিয়ে যায় পানির নিচে

বৃষ্টি হলেই চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সড়ক তলিয়ে যায় পানির নিচে

বৃষ্টি হলেই এক অংশ তলিয়ে যায় পানির নিচে। আরেক অংশের প্রশস্ততা কমে গেছে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজের কারণে। এরসাথে যোগ হয়েছে বন্দরের পণ্যবাহী গাড়ির জট। সবমিলে এক চরম নাজুক অবস্থা তৈরি হয়েছে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সড়কে। প্রতিদিনই দু:সহ ভোগান্তি পাড়ি দিয়ে এই সড়কে যাতায়াত করছে হাজারও মানুষ। আধঘণ্টার পথ লাগছে তিন থেকে চার ঘণ্টা।

ডুবে আছে চট্টগ্রাম নগরীর সিমেন্ট ক্রসিং এলাকা। পানি মাড়িয়ে চলছে যানবাহন। শাহ আমানত বিমানবন্দরগামী যাত্রী ছাড়াও দেশের প্রধান তেল স্থাপনা আর রাষ্ট্রায়াত্ত বিভিন্ন শিল্প কারখানায় যাতায়তের পথ এটি। কিন্তু  নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টি হলে হাটু থেকে কোমর পানিতে তলিয়ে যায় গুরুত্বপূর্ণ এ সড়ক। ফলে কষ্টের শেষ থাকেনা যাতায়াতকারীদের। 

বিকল্প হিসেবে চাপ বেড়েছে কাঠগড় সড়কে। কিন্তু এই সড়কে চলছে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ। ফলে কমেছে রাস্তার প্রশস্ততা। চলাচলের বিকল্প ব্যবস্থা না রেখে সিডিএ'র এই উন্নয়ন কাজ বহুগুণে ভোগান্তি বাড়িয়েছে মানুষের।  

সড়কটির এই দুই অংশের সাথে যোগ হয় বন্দরে পণ্য আনানেয়ায় ব্যবহৃত গাড়ি। ফলে সল্টগোলা ক্রসিং থেকেই তৈরি হচ্ছে অচলাবস্থা। তাতে আধঘন্টার পথ পেরুতে লাগছে ৩ থেকে চারঘন্টা পর্যন্ত। তবে সড়কটি নির্বিঘ্ন রাখতে উদ্যোগ নেয়ার কথা বলছেন সিটি মেয়র। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কে প্রতিদিন চলাচল করে ২০ হাজারের বেশি যানবাহন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর