channel 24

সর্বশেষ

  • গণপরিবহন চালু করতে নানা কৌশল; স্বাস্থ্যবিধি মানা নিয়ে সংশয়

  • আগুনে মুত্যুতে ইউনাইটেড হাসপাতালের গাফিলতি; মানতে নারাজ কর্তৃপক্ষ

  • ৩১ মে চালু হচ্ছে স্টক এক্সচেঞ্জে শেয়ার লেনদেন

  • ক্রিকেটের বাইরে সাকিব আল হাসানের জানা-অজানা গল্প

  • অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলবে ট্রেন, নৌপথে সিদ্ধান্ত কাল

  • করোনায় বাংলাদেশে আটকে পড়া ১০৯ নাগরিককে ফিরিয়ে নিয়েছে ভারত

  • রান্না খারাপ হওয়ায় স্ত্রীকে গাছের সাথে বেধে নির্যাতন

  • ডলফিনসহ মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সরকারের পদক্ষেপ জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট

  • যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও ইতালিসহ সাত দেশের সঙ্গে বিমান চলাচল শুরু করছে চীন

  • চট্টগ্রামে সিটি কর্পোরেশনের এক কাউন্সিলরসহ ২'শ ১৫ জন করোনায় আক্রান্ত

  • যুক্তরাষ্ট্রে প্রাণহানি এক লাখ দুই হাজার ১০৭

  • যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা নিরাপত্তা সরঞ্জাম তৈরির ফ্যাক্টরি নির্মাণে বেক্সিমকো গ্রুপের অর্থায়ন

  • করোনায় দেশে একদিনে শনাক্তের রেকর্ড, ১৫ জনের মৃত্যু

  • ভারতের পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলের ৭ রাজ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে পঙ্গপাল

  • করোনা পাল্টে দিয়েছে কাতার উপকূলের জনজীবন

সাজার ১০ বছরেও পরোয়ানা পৌঁছায়নি কারাগারে, মামলার নথি গায়েব

সাজার ১০ বছরেও পরোয়ানা পৌঁছায়নি কারাগারে, মামলার নথি গায়েব

সাজা হয়েছে ১০ বছর আগে। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়েও পরোয়ানা পৌঁছায়নি এক কিলোমিটার দূরের কারাগারে। ফলে, সাধারণ হাজতি হিসেবেই কারাভোগ করছেন দিনমজুর নেজাম উদ্দিন। এমন ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রামে। শুধু তাই নয়, আদালতে মামলার নথিও গায়েব হয়ে যায়। চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের অনুসন্ধান শুরু হলে অবিশ্বাস্য গতিতে কারাগারে পৌঁছে যায় সাজার পরোয়ানা। পাওয়া যায় মামলার নথিও।

এক কিশোরীকে অপহরণের অভিযোগে রাউজানের বাসিন্দা নেজাম উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের হয় ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বরে। ২০০৮ সালের ৬ জানুয়ারী মামলার রায়ে তাকে ১৪ বছরের সাজা দেয় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২। আর গ্রেফতার হন একই বছরের ৪ এপ্রিল।

তবে বিস্ময়কর হলেও সত্য, রায়ের ১০ বছর পরও তার সাজার পরোয়ানা আদালত থেকে পৌঁছায়নি মাত্র এক কিলোমিটার দূরত্বের চট্টগ্রাম কারাগারে। এমনকি আদালতে গায়েব হয়ে যায় মামলার নথিও।

এ  নিয়ে অনুসন্ধানে নামে চ্যানেল টোয়েন্টিফোর। এরপরই টনক নড়ে আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখার। অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে মঙ্গলবার কারাগারে পৌছে সাজা পরোয়ানা। সেইসাথে বেরিয়ে আসে মামলার নথিও। অথচ, এসব নথির অভাবে এতদিন মামলার ব্যাপারে কোন পদক্ষেপই নিতে পারেনি এই দিনমজুরের পরিবার।

জেলকোড অনুসারে এতদিনে তার সাজা পূর্ণ হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু দেরিতে পরোয়ানা পৌছায় এখন দীর্ঘায়িত হতে পারে তার মুক্তি। নেজামের পরিবারের অভিযোগ, এই কাজের নেপথ্যে আছে একটি চক্র। এটাকে সংশ্লিষ্টদের গাফিলতি  এবং  অনিয়ম হিসেবে দেখছেন আইনজীবীরা।

সাজা ছাড়া দীর্ঘদিন কোন বন্দী কারাগারে থাকলে সে তথ্য দেয়ার কথা আদালত বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে। কিন্তু নেজামের বেলায় তা হয়নি। এ ব্যাপারে বক্তব্য জানার জন্য বারবার চেষ্টা করা হলেও কথা বলতে রাজি হননি কারা কর্তৃপক্ষের কেউ।

দেখুন ভিডিওতে-

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর