channel 24

সর্বশেষ

  • রাজধানীর খামারবাড়িতে বোমা সদৃশ বস্তু পাওয়া গেছে

  • যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ দলের নেতা নির্বাচিত বরিস জনসন...

  • পেয়েছেন ৯২ হাজার ১৫৩ ভোট; হতে যাচ্ছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী

  • গাজীপুরে ২ ও জামালপুরে নারীকে গণপিটুনি; নবাবগঞ্জে নারীকে পুলিশে সোপর্দ...

  • এ পর্যন্ত গণপিটুনিতে নিহত ৬ জন; ৯টি মামলায় গ্রেপ্তার ৮১...

  • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ালে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • নেতৃত্বের প্রশ্নে জাতীয় পার্টিতে কোনো দ্বন্দ্ব নেই: জি এম কাদের

  • ঘুষ গ্রহণের মামলায় সাময়িক বরখাস্ত হওয়া দুদক পরিচালক...

  • এনামুল বাছিরের জামিন নামঞ্জুর; কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

  • শুধু ডেঙ্গুতে নয়, অন্য রোগ থাকলে মৃত্যুঝুঁকি বাড়ে: ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য বিএসএমএমইউ

  • সার্চলাইটে সংবাদ প্রচারের পর মেহেরপুরে ভুয়া ডাক্তার হান্নানকে...

  • ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও চেম্বার সিলগালা, চিকিৎসা না দেয়ার মুচলেকা

জাতিগত স্বীকৃতি ও নাগরিক অধিকার নিয়ে মিয়ানমারে ফিরেতে চায় রোহিঙ্গারা

জাতিগত স্বীকৃতি ও নাগরিক অধিকার নিয়ে মিয়ানমারে ফিরেতে চায় রোহিঙ্গারা

জাতিগত স্বীকৃতি আর নাগরিক অধিকার নিয়ে নিজদেশ মিয়ানমারে ফিরে যেতে চান রোহিঙ্গারা। আর এজন্য বিশ্বসম্প্রদায়ের কাছে রোহিঙ্গাদের আবেদন, তাদের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার।

আন্তর্জাতিক শরনার্থী দিবসে মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়ার এমন আকুতি জানালেও বিশ্লেষকরা বলছেন, রোহিঙ্গাদের নিতে কোন আগ্রেই নেই মিয়ানমারের। আর তাদের প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশ পুরোপুরি প্রস্তুত আছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যাবাসন কমিশনার।

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের পুরো জনপদ যেন রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকা। যেখানে এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির।

যত দিন যাচ্ছে এসব রোহিঙ্গার নিজদেশে ফেরা নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা। বাড়ছে নানা সংকটও। ফলে জাতিগত স্বীকৃতি আর নাগরিক অধিকারের নিশ্চয়তা চাইলেও সেটা আদৌ মিলবে কিনা-জানেনা নিপীড়িত এই মানুষগুলো।  

শরনার্থী বিশেষজ্ঞদের মতে, মিয়ানমারের ইচ্ছার অভাবে দেরী হচ্ছে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া। রোহিঙ্গা ইস্যুকে দীর্ঘমেয়াদী ও আন্তর্জাতিক সমস্যা উল্লেখ করে তারা বলছেন, বিশ্ব সম্প্রদায়কে প্রমাণ করতে হবে তারা এই সংকট সমাধানে আন্তরিক।

শরনার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার বলছেন, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশ পুরোপুরি প্রস্তুত। তবে এক্ষেত্রে সদিচ্ছা দেখাতে হবে মিয়ানমারকে।  

বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আসা শুরু হয় ১৯৯১ সালে। আর ২০০৫ সালে বন্ধ হয়ে যায় প্রত্যাবাসন কার্যক্রম। কিন্তু থেমে নেই রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ। সবশেষ যে সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১১ লাখ। 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর