channel 24

সর্বশেষ

  • কমলাপুর স্টেশনে ট্রেনের বগি থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার

  • ২২ তারিখের বৈঠকে বকেয়া বিষয়ে সিদ্ধান্ত: ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন...

  • পাওনা পরিশোধের নির্দেশনা না এলে...

  • তৈরি হবে অচলাবস্থা: হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশন

  • জাতীয় স্কুল মিল নীতিমালার খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন...

  • প্রাথমিকে মোট ক্যালরির ৩০ ভাগ পূরণ করতে হবে স্কুলকে

  • নকশা জালিয়াতি: বনানীর এফ আর টাওয়ারের মালিক ফারুক গ্রেপ্তার

  • খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে না পেরে বিদেশে নালিশ করছে বিএনপি: সেতুমন্ত্রী

  • ডেঙ্গু: ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১,৬১৫ জন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

  • ঢাকা, বরিশাল, খুলনা, ফরিদপুর ও ময়মনসিংহে ৬ জনের মৃত্যু

  • বঙ্গবন্ধু হত্যায় জিয়া নয়, আ.লীগের লোকজন জড়িত: ফখরুল

  • জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা ভিপি নুরের

  • নবম ওয়েজ বোর্ড নিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ওপর আদেশ কাল...

  • সাংবাদিক ছাড়া গণমাধ্যম মালিকদের অস্তিত্ব নেই: আপিল বিভাগ

  • খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কার্যালয়ে দুদকের অভিযান চলছে

  • তিন দিনের সফরে রাতে ঢাকায় আসছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে গড়ে উঠছে নতুন বসতি

ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে গড়ে উঠছে নতুন বসতি

পরপর দুবছর পাহাড়ধসে রাঙ্গামাটিতে মারা গেছে ১৩১ জন। কিন্তু এরপরও থেমে নেই পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস। বাড়ছে নতুন নতুন বসতি।

প্রশাসনের হিসাবে এখন ৩১টি ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসবাস করছে অন্তত ১৫ হাজার মানুষ। তাদের সরাতে নানা উদ্যোগ নেয়া হলেও, কেউই যেতে রাজি নয় ভিটেমাটি ছেড়ে।

২০১৭ সালের ১৩ জুন স্মরণকালের ভয়াবহ পাহাড় ধসে রাঙ্গামাটিতে মারা যায় ১২০ জন। একমাসেরও বেশি সময় ধরে বিপর্যস্ত ছিল পুরো জনপদ। ঠিক এর একবছর পর ২০১৮ সালের ১১ জুন মারা যায় ১১ জন।

পরপর দুবছর এই বিপুল প্রাণহানির পরও বদলায়নি পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসতির চিত্র। শহরের ভেদভেদি, যুব উন্নয়ন, সাপছড়ি, মুসলিমপাড়াসহ অনেক এলাকায় প্রাণ হাতে নিয়ে বাস করছে বহু মানুষ। যারা ঝুঁকি জেনেও পাহাড় থেকে সরতে রাজি নয়।

প্রশাসন বারবার উদ্যোগ নিলেও নতুন বসতি যেমন থামানো যাচ্ছেনা, তেমনি সরানো যাচ্ছেনা বর্তমানে বসবাসকারীদের। যদিও বসবাসকারীদেরে আবদার পাহাড়কে ঝুঁকিমুক্ত করে তাদের বসবাসে যেন সহায়তা করে সরকার।

তবে জেলা প্রশাসক বলছেন, বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাসকারীদের সরিয়ে নেবে প্রশাসন। প্রশাসনের হিসাবে জেলায় ৩ হাজার ৩৭৮টি পরিবারের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ রয়েছে পাহাধসের ঝুঁকিতে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর