channel 24

সর্বশেষ

  • কমলাপুর স্টেশনে ট্রেনের বগি থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার

  • ২২ তারিখের বৈঠকে বকেয়া বিষয়ে সিদ্ধান্ত: ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন...

  • পাওনা পরিশোধের নির্দেশনা না এলে...

  • তৈরি হবে অচলাবস্থা: হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশন

  • জাতীয় স্কুল মিল নীতিমালার খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন...

  • প্রাথমিকে মোট ক্যালরির ৩০ ভাগ পূরণ করতে হবে স্কুলকে

  • নকশা জালিয়াতি: বনানীর এফ আর টাওয়ারের মালিক ফারুক গ্রেপ্তার

  • খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে না পেরে বিদেশে নালিশ করছে বিএনপি: সেতুমন্ত্রী

  • ডেঙ্গু: ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১,৬১৫ জন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

  • ঢাকা, বরিশাল, খুলনা, ফরিদপুর ও ময়মনসিংহে ৬ জনের মৃত্যু

  • বঙ্গবন্ধু হত্যায় জিয়া নয়, আ.লীগের লোকজন জড়িত: ফখরুল

  • জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা ভিপি নুরের

  • নবম ওয়েজ বোর্ড নিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ওপর আদেশ কাল...

  • সাংবাদিক ছাড়া গণমাধ্যম মালিকদের অস্তিত্ব নেই: আপিল বিভাগ

  • খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কার্যালয়ে দুদকের অভিযান চলছে

  • তিন দিনের সফরে রাতে ঢাকায় আসছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নদী ভাঙন রোধের নামে হালদার মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র ভরাট

নদী ভাঙন রোধের নামে হালদার মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র ভরাট

হালদা নদী। বিশ্বের একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী, যেখান থেকে কার্প জাতীয় মাছের নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়। এই নদীর ৯টি গভীর জায়গা মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত। স্থানীয়রা যাকে কুম বলেন। কিন্তু, নদী ভাঙন রোধের নামে এই কুমগুলো ভরাট করে ফেলেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। প্রকল্পের শেষ পর্যায়ে এসে ক্ষতির বিষয়টি জানতে পেরে, কুম পুনরুদ্ধারের নির্দেশ দিয়েছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

নদীর স্রোত যে পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়, সেই পাশের তলদেশ গভীর হয় এবং এখানে পানির ঘুর্ণিস্রোত তৈরি হয়। স্থানীয়রা এই গভীর অংশকে কুম বলেন। হালদা নদীতে এমন অনেক গুলো কুমের মধ্যে ৯টি কুম- রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালিবাউশের প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত। মা মাছেরা এখানে থাকে এবং ডিম ছাড়ে।

কিন্তু পানি উন্নয়ন বোর্ড জানে ভিন্ন কথা। স্রোত যে তীরে ধাক্কা খায়, সেখানে ভাঙন হয়। তাই ভাঙন রোধে নদীর গভীরে অর্থাৎ কুম গুলোতে হাজার হাজার জিও ব্যাগ বা বালুর বস্তা ফেলে ভরাট করে, তার ওপর কংক্রিটের ব্লক দিয়ে তীর রক্ষা বাঁধ দিয়েছে। এতে ৯টির মধ্যে ৬টি প্রজনন কেন্দ্রই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

২১২ কোটি টাকায় ২১ কিলোমিটার তীর রক্ষার এ কাজ শুরু হয় গত বছরের শুরুর দিকে। প্রকল্প নেয়ার আগে স্থানীয় জনগোষ্ঠী, সংশ্লিষ্ট কোন সরকারি বিভাগ বা প্রতিষ্ঠানের মতামত নেয়নি পাউবো।

প্রকল্প নেয়ার আগে নীতি-নির্ধারকরা যদি লাভ-ক্ষতির হিসাবটা করে নিতেন, তাহলে হয়তো এই সর্বনাশটা হতো না।

বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষতিগ্রস্ত কুম গুলো পুনরুদ্ধারের নির্দেশ দিয়েছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি হালদা নদীর পরিবেশ সংরক্ষণে গঠিত দুটি কমিটির বৈঠক হয় চট্টগ্রামে। বৈঠকে জিও ব্যাগ ফেলা বন্ধ করা পরিবেশের ছাড়পত্র নেয়া, বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন, পরিদর্শন ও প্রতিবেদন দাখিল, ভরে ফেলা ৬টি কুম পুনরুদ্ধার এবং অক্ষত ৩টি কুম সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত হয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর