channel 24

সর্বশেষ

  • বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের পরিসংখ্যান

  • অনুশীলনে বাংলাদেশ, কথা বললেন রুবেল হোসেন

  • বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে আফগানিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার জয়

  • পদ্মা সেতুতে বসানো হলো ১৩তম স্প্যান

  • মেঘনা ও গোমতী দ্বিতীয় সেতুসহ বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন

  • গুজরাটে কোচিং সেন্টারে অগ্নিকাণ্ডে ২০ স্কুলছাত্র নিহত

  • রাজধানীতে এডিস মশার প্রাদুর্ভাব, বেশি ঝুঁকিতে দক্ষিণ সিটি

  • ঈদের ব্যস্ততায় কুষ্টিয়া ও সিরাজগঞ্জের দর্জিপাড়া

  • ট্রেনের আগাম টিকিট কিনতে কমলাপুর ও বিমানবন্দরে লম্বা লাইন

  • রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাড়ছে চোরাচালান ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম

  • জীবিকা নিয়ে দুঃচিন্তায় কক্সবাজারের জেলেরা

  • মাগুরায় দারিদ্র্য বিমোচনে কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজে অনিয়ম

  • উদ্বোধনের অপেক্ষায় দ্বিতীয় মেঘনা ও গোমতী সেতু

  • টাঙ্গাইলে পুলিশের নির্যাতনে ব্যবসায়ী মৃত্যুর অভিযোগ

  • গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কার্যকর হলে ভোগান্তি কমবেঃ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

নদী ভাঙন রোধের নামে হালদার মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র ভরাট

নদী ভাঙন রোধের নামে হালদার মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র ভরাট

হালদা নদী। বিশ্বের একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী, যেখান থেকে কার্প জাতীয় মাছের নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়। এই নদীর ৯টি গভীর জায়গা মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত। স্থানীয়রা যাকে কুম বলেন। কিন্তু, নদী ভাঙন রোধের নামে এই কুমগুলো ভরাট করে ফেলেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। প্রকল্পের শেষ পর্যায়ে এসে ক্ষতির বিষয়টি জানতে পেরে, কুম পুনরুদ্ধারের নির্দেশ দিয়েছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

নদীর স্রোত যে পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়, সেই পাশের তলদেশ গভীর হয় এবং এখানে পানির ঘুর্ণিস্রোত তৈরি হয়। স্থানীয়রা এই গভীর অংশকে কুম বলেন। হালদা নদীতে এমন অনেক গুলো কুমের মধ্যে ৯টি কুম- রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালিবাউশের প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত। মা মাছেরা এখানে থাকে এবং ডিম ছাড়ে।

কিন্তু পানি উন্নয়ন বোর্ড জানে ভিন্ন কথা। স্রোত যে তীরে ধাক্কা খায়, সেখানে ভাঙন হয়। তাই ভাঙন রোধে নদীর গভীরে অর্থাৎ কুম গুলোতে হাজার হাজার জিও ব্যাগ বা বালুর বস্তা ফেলে ভরাট করে, তার ওপর কংক্রিটের ব্লক দিয়ে তীর রক্ষা বাঁধ দিয়েছে। এতে ৯টির মধ্যে ৬টি প্রজনন কেন্দ্রই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

২১২ কোটি টাকায় ২১ কিলোমিটার তীর রক্ষার এ কাজ শুরু হয় গত বছরের শুরুর দিকে। প্রকল্প নেয়ার আগে স্থানীয় জনগোষ্ঠী, সংশ্লিষ্ট কোন সরকারি বিভাগ বা প্রতিষ্ঠানের মতামত নেয়নি পাউবো।

প্রকল্প নেয়ার আগে নীতি-নির্ধারকরা যদি লাভ-ক্ষতির হিসাবটা করে নিতেন, তাহলে হয়তো এই সর্বনাশটা হতো না।

বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষতিগ্রস্ত কুম গুলো পুনরুদ্ধারের নির্দেশ দিয়েছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি হালদা নদীর পরিবেশ সংরক্ষণে গঠিত দুটি কমিটির বৈঠক হয় চট্টগ্রামে। বৈঠকে জিও ব্যাগ ফেলা বন্ধ করা পরিবেশের ছাড়পত্র নেয়া, বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন, পরিদর্শন ও প্রতিবেদন দাখিল, ভরে ফেলা ৬টি কুম পুনরুদ্ধার এবং অক্ষত ৩টি কুম সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত হয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর