channel 24

সর্বশেষ

  • জামিন পেলেন লঙ্কান ক্রিকেটার কুশল মেন্ডিস

  • প্লেব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোর

  • বানের পানিতে তলিয়েছে ৫০ হাজার হেক্টর জমির ফসল

  • প্রস্তুতির জন্য অন্তত তিন সপ্তাহ সময় চান সৌম্য সরকার

  • কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোর আর নেই

  • লাইসেন্সবিহীন রিজেন্ট হাসপাতালকে করোনা চিকিৎসায় সরকারি অনুমোদন

  • দ্বিতীয় দফার সংক্রমণে বেহাল দশা যুক্তরাষ্ট্র, চীন, নিউজিল্যান্ড ও ইরানের

  • ইংলিশ লিগে আজ মুখোমুখি এভারটন ও টটেনহ্যাম

  • সূচক কিছুটা গতিশীল হলেও বড় পরিবর্তন নেই লেনদেনে

  • রংপুর অঞ্চলে আউশের আবাদে রেকর্ড

  • ইংল্যান্ডে দু'দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছেন পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা

  • করোনার ভুয়া টেস্ট রিপোর্ট দিতো রিজেন্ট হাসপাতাল

  • রিজার্ভ থেকে ঋণ নিয়ে উন্নয়ন কাজে লাগানো যায় কিনা, তা ভেবে দেখার পরামর্শ

  • আর্থিক সংকটে পাইওনিয়ার লিগ খেলা ফুটবলাররা

  • খুলনার সেই সালামকে মুক্তির নির্দেশ আদালতের

রোহিঙ্গাদের দেওয়া দেশি-বিদেশি ত্রাণ মিলছে খোলাবাজারে

রোহিঙ্গাদের দেওয়া দেশি-বিদেশি ত্রাণ মিলছে খোলাবাজারে

দেশি-বিদেশি সংস্থা নিয়মিত ত্রাণ দিচ্ছে কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের। তবে, সেই ত্রাণ এখন মিলছে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন খোলাবাজারে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এনজিওগুলোর সমন্বয়হীনতা, তদারকির অভাব ছাড়াও রয়েছে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ত্রাণ দেয়া। ফলে ক্যাম্প থেকে এসব ত্রাণ চলে যাচ্ছে বাইরে। যদিও এ ব্যাপারে নজরদারি বাড়ানোর কথা বলছে প্রশাসন।

উখিয়া, টেকনাফ ছাড়াও কক্সবাজারের নানা জায়গায় এভাবেই প্রকাশ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিক্রি করছেন রোহিঙ্গারা।

আরও জানতে: আপনার হাতে কি দু’টি বিবাহরেখা? জানেন এর অর্থ?

প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা কার্ডে প্রতিবন্ধি মাসুমার আঁকা ছবি

বাংলাদেশি 'লায়লা' হচ্ছেন আঁখি আলমগীর

শুধু কক্সবাজারই নয়, এসব সামগ্রী আসছে দেড়শ কিলোমিটার দূরে, চট্টগ্রামেও। এখানকার অনেক এলাকায় মিলছে রোহিঙ্গাদের জন্য বরাদ্দ করা চাল, ডাল, তেল, গুড়োদুধসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র।

রোহিঙ্গাদের প্রতিটি পরিবারকে ৩০ কেজি করে চাল ছাড়াও নানাধরনের সামগ্রী দেয় দেশি-বিদেশী বিভিন্ন সংস্থা। কিন্তু তার একটি অংশ চলে যাচ্ছে ক্যাম্পের বাইরে। যা রোহিঙ্গারাই বিক্রি করে দিচ্ছে বলে জানালেন কয়েকজন বিক্রেতা।

পণ্যগুলো মানসম্মত এবং দামে সস্তা হওয়ায় অনায়াসে কিনছেন স্থানীয়রা।  

এজন্য এনজিওগুলোর সমন্বয়হীনতা আর তদারকির অভাবকে দায়ী করছেন পর্যবেক্ষকরা। তবে এনজিও ফোরাম বলছে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ত্রাণ দেয়ায় এই অবস্থা।    

তবে এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানালেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন।

ইন্টার সেক্টর কো-অর্ডিনেশন গ্রুপের হিসাব অনুসারে কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা পরিবারের সংখ্যা ২ লাখ ১৬ হাজার। তাতে মানুষ আছে ১১ লাখের বেশি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর