channel 24

সর্বশেষ

  • কিউই তোপে উড়ে গেল ভারত

  • শেষ দিনের মতো চলছে ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রি

  • চাঁদপুরে পানীয় তৈরির নকল কারাখানা সিলগালা

  • ইয়েমেনে সৌদি জোটের বিমান হামলায় নিহত ১০

  • বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশ

  • পাম ডি' অর জিতলেন নির্মাতা বং জুন হো

  • বান্দরবানে আজ আধাবেলা হরতাল

  • সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে হিউম্যান সেফটি ফাউন্ডেশন

  • বারো লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বিকল্প বাজেট প্রস্তাব অর্থনীতি সমিতির

  • অপহরণের তিনদিন পর আওয়ামী লীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

  • ছাত্রলীগের বাঁধায় ডাকসুর ভিপির ইফতার মাহফিল পণ্ড

  • থাইল্যান্ডে জেমি ডে শিষ্যদের অনুশীলন

  • কাল বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করছে বাংলাদেশ

  • বিশ্বকাপে পাকিস্তান দলের পরিসংখ্যান

  • বিশ্বকাপে মাহমুদুল্লাহ হতে পারে ঠান্ডা মাথার ফিনিশার

সাগরগর্ভে বিলীনের পথে কুয়াকাটা সৈকতের সবুজ বেষ্টনী

সাগরগর্ভে বিলীনের পথে কুয়াকাটা সৈকতের সবুজ বেষ্টনী

সাগরগর্ভে সম্পূর্ণ বিলীনের পথে কুয়াকাটা সৈকতের বিশাল সবুজ বেষ্টনী। হুমকির মুখে সমুদ্রতীরের পরিবেশ। বছর-বছর বর্ষার ভাঙন ভাসিয়ে নিয়েছে কুয়াকাটা জাতীয় উদ্যানের প্রায় ৭০ শতাংশ। আসছে বর্ষায় বাকিটুকুর অস্তিত্ত্বও শঙ্কার মুখে। উদ্যান রক্ষায় বনবিভাগ প্রকল্প হাতে নিলেও, তা আশার মুখ দেখছে না।

সাগর পাড়ে সবুজের বাগান। প্রকৃতির এক অনবদ্য আয়োজন।

প্রায় ৪ হাজার একর আয়তনের এই সবুজ বেষ্টনী আগলে রাখে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতকে। ২০১০ সাল থেকে যার অন্য নাম কুয়াকাটা জাতীয় উদ্যান।

কেওড়া আর ঝাউগাছের হাতছানিতে এক সময় ছুটে আসতো হাজারো পর্যটক। কিন্তু এর বেশিরভাগজুড়েই এখন ধুঁধুঁ বালুচর।

উদ্যানের সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা হয় ২০০৭ সালের ঘুর্ণিঝড় সিডরে। আর প্রতি বছরের ভাঙ্গন তো আছেই। সবমিলিয়ে উদ্যানটির ৭০ শতাংশই বিলীন হয়ে গেছে সমুদ্র গর্ভে।

১৯৬০ সালে সৈকতের কোল ঘেষে প্রায় দুশো একর জুড়ে ছিলো প্রকৃতি প্রেমী ফয়েজ মিয়ার নারকেল বাগান। কিন্তু জোয়ারের পানিতে বালুক্ষয়ে বিলীন হতে থাকে বাগানটি। বাকি যেটুকু ছিলো ২০১৭ সালের বর্ষা মৌসুমে তা আর টিকে থাকতে পারেনি।

কুয়াকাটা জাতীয় উদ্যান রক্ষায় একটি প্রকল্প, বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে পটুয়াখালী বনবিভাগ।

বিলীন হচ্ছে সমূদ্র সৈকত, আর সৈকত হারাচ্ছে তার সবুজ বেষ্টনী। জলদি ব্যবস্থা নেয়া না হলে হয়তো কুয়াকাটাবাসীর শঙ্কাটাই সত্যি হবে। বদলে যাবে সমুদ্রকন্যার মানচিত্র, ঘোর সংকটে পড়বে সাগরপাড়ের জীবন ও প্রকৃতি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর