channel 24

সর্বশেষ

  • দেশে গণতন্ত্র নেই, অঘোষিত বাকশাল চলছে: মির্জা ফখরুল

  • দুদকের অভিযোগ মিথ্যা, ষড়যন্ত্রের অংশ: মাহী বি চৌধুরী

  • ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাস্টারপ্ল্যান হচ্ছে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

  • সুন্দরবনের ১০ কিলোমিটার সংকটাপন্ন এলাকার মধ্যে...

  • সব স্থাপনা সম্পর্কে মঙ্গলবারের মধ্যে জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট

  • কুমিল্লায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ন্যাপ সভাপতি মোজাফফর আহমদের দাফন

  • সাফ অনূর্ধ্ব ১৫ চ্যাম্পিয়নশিপ: বাংলাদেশ ৭-১ শ্রীলঙ্কা...

  • আল আমিন রহমানের হ্যাটট্রিক

  • হত্যার রাজনীতির পরিণতি কখনোই শুভ হয় না: ওবায়দুল কাদের

  • রোহিঙ্গা ঢলের দুই বছর; ৫ দফা দাবিতে ক্যাম্পে বিক্ষোভ

  • দক্ষ জনশক্তি বিদেশ পাঠাতে হবে, দালালের খপ্পরে পড়ে...

  • কেউ যেন প্রতারণার শিকার না হন, খেয়াল রাখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

  • ডেঙ্গুতে মাদারীপুরে গৃহবধূ ও ঢাকা মেডিকেলে একজনের মৃত্যু...

  • ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ২৯৯ জন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

  • কাবিননামায় 'কুমারী' শব্দ ব্যবহার করা যাবে না: হাইকোর্টের রায়

  • গোপন ভিডিও: জামালপুরের ডিসি আহমেদ কবীরকে ওএসডি...

  • নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে এনামুল হককে নিয়োগ

  • খুলনার সোনাডাঙ্গায় তরুণীকে গণধর্ষণ; থানায় মামলা, গ্রেপ্তার ২

  • সাংবাদিক শিমুল হত্যা: চার্জ গঠনের নতুন তারিখ পয়লা সেপ্টেম্বর

কর্ণফুলীর দুই তীরেই উচ্ছেদ অভিযান চালানোর দাবি

কর্ণফুলীর দুই তীরেই উচ্ছেদ অভিযান চালানোর দাবি

আর এস খতিয়ান অনুযায়ী কর্ণফুলী নদীতীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে আদালতের নির্দেশনা থাকলেও তা পুরোপুরি কার্যকর করা যাচ্ছে না। জেলা প্রশাসক জানান, বন্দোবস্তি ছাড়াও কোন কোন বড় ভবন ভাঙায় নানা জটিলতা থাকায় সেগুলো আংশিক ভাঙা হচ্ছে। তবে পরে আবারও উদ্যোগ নেয়া হবে। এদিকে কর্ণফুলী নদী রক্ষার আন্দোলনকারীরা বলছেন, দুই তীরেই অভিযান চালাতে হবে। নইলে মিলবে না কাঙ্খিত সুফল।

আইনী জটিলতা শেষে সোমবার শুরু হয় কর্ণফুলী নদীর তীর অবৈধ দখলমুক্ত করার কাজ।

আরএস খতিয়ানের ভিত্তিতে নদী এলাকায় গড়ে তোলা অবকাঠামো উচ্ছেদে নির্দেশ দেয় আদালত। সে অনুযায়ী জরিপ চালিয়ে ২ হাজার ১১২টি অবৈধ স্থাপনা সনাক্ত করে জেলা প্রশাসন।

আরও জানতে: রক্তনালীর ব্লকে সঠিক চিকিৎসার অভাবে প্রতি বছর অঙ্গহানি হয় ১০-১২ লাখ মানুষের

চুক্তিপত্র ছাড়াই নাটক-টেলিছবিতে কাজ করছেন কলাকুশলীরা

গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপে দেখা দেয় একলামশিয়া

তবে দেখা গেছে, নদীর মধ্যে থাকা কোন কোন স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়া হলেও কোনটি ভাঙা হচ্ছে আংশিক। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও জেলা প্রশাসক বলছেন, বন্দোবস্তিসহ নানা কারণে সব স্থাপনা এখনই ভাঙা যাচ্ছে না। ভবিষ্যতে আবারো উদ্যোগ নেয়া হবে।

তবে উচ্ছেদের ফলে এখন যে জায়গা খালি হচ্ছে তাতে বন্দরের সম্প্রসারণ ঘটবে বলে মত কর্তৃপক্ষের। যদিও পুরো সুফল পেতে দুই তীরে অভিযান জোরদারের তাগিদ পরিবেশ কর্মীদের।

এদিকে নদীতীরকে জঞ্জালমুক্ত করার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে স্থানীয়রা।

তবে কোন অজুহাতেই যাতে, নদী দখলমুক্ত করার এই উদ্যোগ ব্যাহত না হয় সেই দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর