channel 24

সর্বশেষ

  • বনানী কবরস্থানে শ্রীলঙ্কায় নিহত শিশু জায়ানের দাফন সম্পন্ন

  • লন্ডনে অর্থপাচার মামলায় তারেক রহমানের বন্ধু ব্যবসায়ী...

  • গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের ৭ বছরের কারাদণ্ড; ১২ কোটি টাকা জরিমানা

  • শ্রীলঙ্কা ট্র্যাজেডি: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫৯; আটক ৫৮...

  • নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হবে: প্রেসিডেন্ট...

  • ক্রাইস্টচার্চের ঘটনার প্রতিশোধ নিতেই শ্রীলঙ্কায় হামলা...

  • এমন কোনো গোয়েন্দা তথ্য ছিল না: নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

  • মানবতাবিরোধী অপরাধ: নেত্রকোণার সোহরাব ফকিরসহ ২ জনের মৃত্যুদণ্ড..

  • একাত্তরের গণহত্যার স্বীকৃতি দিতে বিশ্বসম্প্রদায়ের প্রতি...

  • আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আহবান

  • পাবনায় ৩ পুলিশ হত্যা মামলায় ৮ জনের যাবজ্জীবন; খালাস ৩

  • রাজধানীর নিউমার্কেট মোড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত...

  • সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের আজও অবস্থান; যান চলাচল বন্ধ

  • চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া যত্রতত্র অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধ চেয়ে রিট

আবারও শুরু কর্ণফুলী নদীতে ক্যাপিটেল ড্রেজিংয়ের কাজ

আবারও শুরু কর্ণফুলী নদীতে ক্যাপিটেল ড্রেজিংয়ের কাজ

কর্ণফুলী নদীতে চট্টগ্রাম বন্দরের ক্যাপিটেল ড্রেজিং প্রকল্পের কাজ, আবারও শুরু হয়েছে। তবে ই-ইঞ্জিনিয়ারিং নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে পুরো কাজ দেয়া হলেও তারা নিয়োগ দিয়েছে আরো ৩টি প্রতিষ্ঠানকে। এর মধ্যে বিদেশি প্রতিষ্ঠানটি গেল ৫ মাসে কাজে যোগই দিতে পারেনি। ফলে জানুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ৪০ শতাশ কাজ শেষ হবার কথা থাকলেও হয়েছে অর্ধেকেরও কম। এতে নির্ধারিত সময়ে মূল কাজ শেষ আর পরবর্তী ৪ বছরে যথাযথ রক্ষণাবেক্ষন নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়।

প্রায় ৫ বছর বন্ধ থাকার পর আবারো চলছে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে ক্যাপিটেল ড্রেজিংয়ের কাজ। যা শুরু হয় গেল সেপ্টেম্বরে।   

শাহ আমানত সেতুর উজানে বাকলিয়ার চর পর্যন্ত ১ দশমিক ৪ কিলোমিটার আর ভাটিতে সদরঘাট জেটি পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার এলাকায় বন্দর কর্তৃপক্ষ এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ২শ ৫৮ কোটি টাকায়। যার আওতায় চলছে নদী খনন, সংযুক্ত ৮টি খাল সংষ্কার এবং সদরঘাটে লাইটার জেটি এলাকার মাটি অপসারণ কাজ।

আরও জানতে: ডিএনডি বাঁধ এলাকায় চলছে দখল হওয়া খাল উদ্ধারের কাজ

বিমানে বিপদজনক যাত্রীর ক্ষেত্রে হাতকড়া ব্যবহারের সিদ্ধান্ত

প্রশ্ন ফাঁস চক্রের ৫ সদস্য আটক

প্রকল্পটি তদারক করছে নৌ-কল্যাণ সংস্থা। তারা সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ঠিকাদার নিয়োগ দেয় সাইফ পাওয়ারটেক গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ই ইঞ্জিনিয়ারিংকে। এই ঠিকাদাররা সহযোগী হিসেবে নিয়েছে দেশি বিদেশি আরো ৩টি প্রতিষ্ঠানকে। তাই, নিজে একা কাজ না করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করায় ঠিকাদারের সক্ষমতা এবং পুরো কাজের মান ও সময়মত শেষ হওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এরআগে ২০১১ সালে ২শ ৩০ কোটি টাকায় এই ড্রেজিংয়ের কাজটি পায় মালেয়শিয়ান প্রতিষ্ঠান এমএমডিসি। তারা নিজেরা কাজ না করে দায়িত্ব দেয় প্যাসিফিক মেরিন নামের স্থানীয় একটি প্রতিষ্ঠানকে। অদক্ষতায় যারা কাজ বন্ধ করে দেয় ২০১৩ সালে। তবে উত্তোলন করে নেয় ১শ ৬৫ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর