channel 24

সর্বশেষ

  • দুর্নীতি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য...

  • ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার

  • পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কোনো ধরনের উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন...

  • ঘোষণা, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমের ওপর...

  • নিষেধাজ্ঞা দিয়ে সরকারকে নির্বাচন কমিশনের চিঠি

  • রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সাথে সভা না করতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগসহ...

  • সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে চিঠি দেবে কমিশন: ইসি সচিব...

  • নির্বাচন কমিশন স্বাধীন প্রতিষ্ঠান, কারও চাপে সিদ্ধান্ত নেয় না

  • শেখ হাসিনা ২টি ও বাকিরা একটি আসনে মনোনয়ন পাচ্ছেন...

  • কক্সবাজারে বদি ও টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে আমানুর রহমান...

  • আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাচ্ছেন না: ওবায়দুল কাদের...

  • ২৪/২৫ নভেম্বর নাগাদ মহাজোটের প্রার্থিতা ঘোষণা

  • সম্পদের তথ্য গোপন: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য...

  • ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার ৩ বছরের কারাদণ্ড

  • এবার সব দলের অংশগ্রহণে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে...

  • কোনো পর্যবেক্ষণ সংস্থা দায়িত্ব পালনে অনিয়ম করলে ব্যবস্থা: ইসি সচিব

  • তৃতীয় দিনের মতো চলছে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার

  • গুলশানে জাপার মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠান চলছে...

  • জাতীয় পার্টি যে জোটে তারাই ক্ষমতায় আসবে: রুহুল আমিন হাওলাদার

চট্টগ্রামে টাকা নিয়ে উধাও সমবায় সমিতির পরিচালক

চট্টগ্রামে টাকা নিয়ে উধাও সমবায় সমিতির পরিচালক

কেউ দোকানি, কেউ পোশাক শ্রমিক কেউ দিনমজুর। কিছু লাভের আশায় টাকা জমানো শুরু করেন সমিতিতে। সমিতির পক্ষ থেকেও বলা হয় সদস্যদের প্রয়োজনে ঋন দেয়া হবে, দেয়া হবে জমানো টাকায় লাভ। কিন্তু দুই বছর পর শতাধিক মানুষের কর্ষ্টাজিত জমানো টাকা নিয়ে উদাও সমিতির পরিচালক হাবিবুর রহমান। ছেড়েছেন নগরীর বাসাও। অথচ অর্থ আত্মসাতের মামলা করারও সামর্থ্য নেই সমিতির সদস্যদের। তাই জমানো টাকা ফেরত পেতে প্রশাসনের সহযোগিতা চান তারা।

চট্টগ্রামের উত্তর কাট্টলির দর্জি মিজানুর রহমান। স্বল্প পুঁজির দোকান, তাই ব্যবসা বাড়াতে লোনের আশায় উদয় কর্মজীবী সমবায় নামে একটি সংস্থায় মাসে দুই হাজার করে টাকা জমাতে শুরু করেন তিনি।

কিন্তু দুবছর পার না হতেই বন্ধ সমিতির কার্যক্রম। লাভ তো দূরের কথা, জমানো টাকা পাওয়া নিয়ে শংকায় এ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ি।

একি অবস্থা পোশাক শ্রমিক জয়শ্রী দাশের। দুই সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে এ সমিতিতে টাকা রাখেন স্বামী হারা এ‌ নারী। কিন্তু এখন নিঃস্ব তিনিও।  

কেবল তারা‌ই নন, এলাকার শতাধিক মানুষের প্রায় ১৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সমিতির পরিচালক হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে।

তবে গেলো জুনে সমিতির সদস্যরা তাদের পাওনা টাকা ফেরত চাইলে এক সপ্তাহের মধ্যে টাকা ফেরত দেয়ার কথা জানান হাবিবুর।

কিন্তু এরপর থেকে লাপাত্তা তিনি। নগরীর পাহাড়তলি পানির কল এলাকায় সমিতির অফিসে গিয়ে দেখা যায়, বন্ধ সব কার্যক্রম। কাউকে কিছু না বলে ছেড়েছেন বাসাটিও। উল্টো হয়রানির উদ্দেশ্যে মামলা করেন সমিতির কয়েকজনের বিরুদ্ধে।

অর্থ আত্মসাতের ব্যাপারে আইনী সহযোগিতা নেয়ারও সামর্থ্যও নেই দরিদ্র এসব মানুষের। তাই কোন মামলাও করেননি তারা। তবে অর্থ ফিরে পেতে চান প্রশাসনের সহযোগিতা।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর