channel 24

সর্বশেষ

  • করোনায় এনটিভির অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান মোস্তফা কামালের মৃত্যু

  • এসএসসিতে চট্টগ্রামে পাশের হার উর্ধ্বমুখী, পাশ করেছে ৮৪.৭৫

  • এখনই খুলছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: প্রধানমন্ত্রী

  • গণপরিবহনের ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন

  • করোনায় একদিনে সর্বোচ্চ ৪০ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৫৪৫

  • ভাচুর্য়াল আদালত পরিচালনার প্রতিবাদে ঢাকায় আইনজীবীদের বিক্ষোভ

  • গণপরিবহন না থাকায় রাজধানীতে যাত্রী দুর্ভোগ

  • কেমন হওয়া উচিত এবারের কৃষি বাজেট?

  • দেশের শীর্ষ স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুল মোনেম বার্ধক্যজনিত কারণে মারা গেছেন

  • ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ১০ হাজার ২'শ ৫৭টি চিংড়ি ঘের ক্ষতিগ্রস্ত

  • কুমিল্লা নগরীতে করোনা আক্রান্ত এক নারীর মৃত্যু

  • যশোরে র‌্যাবের সাথে 'বন্দুকযুদ্ধে' মাদক ব্যবসায়ী নিহত

  • যশোর শিক্ষা বোর্ডে পাশের হার ৮৭ দশমিক ৩১

  • দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে পাশের হার ৮২ দশমিক ৭৩

  • কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৫ দশমিক ২২; জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ হাজার ২৪৫ জন

বিদ্যুৎ উৎপাদনে কেবল ক্যাপাসিটি চার্জ খরচ ৯ হাজার কোটি টাকা

বিদ্যুৎ উৎপাদনে কেবল ক্যাপাসিটি চার্জ খরচ ৯ হাজার কোটি টাকা

কেবল কেন্দ্রভাড়া বা ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ খরচ ৯ হাজার কোটি টাকা। সবশেষ অর্থবছরে যা গুণতে হয়েছে, বেসরকারি ৮৬টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিপরীতে। আর এক বছরের ব্যবধানে এই খরচ বেড়েছে, ৪০ শতাংশের বেশি। কেন্দ্রগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভাড়া নিয়েছে ৩শ মেগাওয়াট ক্ষমতার ডিজেল চালিত কেন্দ্র এপিআর এনার্জি; পৌনে পাঁচশ কোটি। এছাড়া, শীর্ষতালিকায় সামিটের বেশ কয়েকটি কেন্দ্র।

বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই, এটি ৩শ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র। ঢাকার কেরাণীগঞ্জে, এপিআর এনার্জির মালিকানাধীন এই কেন্দ্রটি উৎপাদনে আসে মাস ছয়েক আগে। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই বন্ধ থাকায়,  ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ব্যবহৃত হয়েছে মাত্র ৩ শতাংশ ক্ষমতা। অর্থাৎ প্রায় সারাবছরই একরকম অলস বসে ছিল কেন্দ্রটি। কিন্তু তার বিপরীতে সরকারের কাছ থেকে শুধু ভাড়া বাবদ নিয়েছে প্রায় পৌনে ৫শ কোটি।

সাড়ে তিনশ মেগাওয়াট ক্ষমতার দ্বৈত জ্বালানির সামিট মেঘনাঘাটও এই সময়ে নিয়েছে ৩শ ৯০ কোটি টাকা। অথচ সেখান থেকেও সরকার বিদ্যুৎ কিনতে পেরেছে সক্ষমতার মাত্র ৯ শতাংশ। অলস বসিয়ে রেখে ভাড়া পরিশোধের এই তালিকায় সামিটের আরো কয়েক প্রতিষ্ঠান। সব মিলিয়ে, ৮৬টি বেসরকারি ভাড়াভিত্তিক এবং স্বাধীন কেন্দ্রের বিপরীতে কেবল ভাড়া হিসেবে দিতে হয়েছে ৮ হাজার ৯শ কোটি টাকা।

এ বিষয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, সরকার যখন টাকা দেয় তখন সেখানে অপচয় বলতে কিছু নেই। বিদ্যুতের দামকে সুবিধাজনক করার জন্যই বিদ্যুৎ বিভাগকে ৬ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ম তামিম বলছেন, বেশি দামে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে সেই বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে যে ভর্তূকিটা আছে, বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসিয়ে রেখে ক্যাপাসিটি খরচ দেওয়াতেও কিন্তু ব্যয় কম হয়। তো বেশি ক্যাপাসিটি রাখাটা জরুরি। তবে আমাদের বর্তমান পরিস্থিতিতে এটা পরিকল্পনা করে হয়নি।

বর্তমানে দেশে কেন্দ্র দেড়শর বেশি। যেখান থেকে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বিদ্যুৎ কেনা বাবদ খরচ হয়েছে ৪০ হাজার কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে, কেবল ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ দেয়া হয়েছে নয় হাজার কোটি। আর অলস বসিয়ে টাকা গোণার এই হার এক বছরে বেড়েছে ৪০ শতাংশ বা পৌনে তিন হাজার কোটি। অথচ, একই সময়ে সেই সব কেন্দ্রগুলোর প্ল্যান্ট ফ্যাক্টর বা ক্ষমতার ব্যবহার কমেছে ৮ শতাংশ।

পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক বলছেন, শীতকালে আমাদের চাহিদা নেমে যাচ্ছে ৫ হাজার মেগাওয়াটেরও নিচে। আর সেটাই গরমকালে হয় ১৩ হাজার। এইযে তিনগুনের যে তফাৎ, আমাদের কিন্তু ১৩ হাজার টার্গেট করেই বানাতে হচ্ছে। যার কারণে গড়ে প্ল্যান্ট ফ্যাক্টর কমে আসছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. এম শামসুল আলম বলছেন, যখন বিদ্যুৎ উদপাদন করার আর প্রয়োজন নেই, তারপরেও অব্যাহত ভাবে তেল বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বাড়িয়েছি। সেই বিদ্যুৎ উৎপাদন না করলেও তাদের ক্যাপাসিটি খরচ দিয়ে বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি অব্যাহত রেখেছে।

বর্তমানে মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১৯ হাজার মেগাওয়াটের মতো। বিপরীতে সর্বোচ্চ উৎপাদন করা গেছে পৌনে ১৩ হাজার।

প্রত্যাশা অনুযায়ী উৎপাদন করতে না পারায় এবং বিদ্যুৎ বিক্রি করতে না পারার কারণে প্রতি বছরই গুনতে হচ্ছে মোটা অংকের লোকসান। যা সংকটে ফেলছে সরকারের মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার বাস্তবায়নকে। 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর