channel 24

সর্বশেষ

  • রেমিটেন্সের বিপরীতে প্রণোদনার টাকা ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক

  • তৃতীয় বছরে দৈনিক বিজনেস বাংলাদেশ

  • শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা

  • আট উপজেলা ও দুই পৌরসভা নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে

  • যশোরের যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ৫ আসামিকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

  • আবরার হত্যা: আসামি অমিত সাহাকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার

  • জম্মু-কাশ্মীরে ৭২ দিন পর সচল করা হলো পোস্টপেইড মোবাইল সার্ভিস

  • কুড়িগ্রামের রেল স্টেশন ভবনের বেহাল দশা

  • লোভ আর চাপে ক্যাম্পাসে রাজনীতিতে জড়াচ্ছে মেধাবীরা

  • আবরার হত্যার সুষ্ঠু বিচার চায় সিপিবির নারী সেল

  • তীব্র স্রোত ও নাব্য সংকটে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ

  • থানার ভেতরেই ওসির যোগদানের বর্ষপূর্তি আয়োজন!

  • মালয়েশিয়ায় ১৭৭ বাংলাদেশি অবৈধ অভিবাসী আটক

  • দেশে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ ৫ হাজার মেগাওয়াট; নেই প্রকৃত চাহিদার সুনির্দিষ্ট জরিপ

  • ওয়ার্ল্ড ব্যাংক গ্রুপ ও আইএমএফের বার্ষিক সভা শুরু হচ্ছে আজ

পেঁয়াজের ঝাঁজে দিশেহারা পুরো দেশ

পেঁয়াজের ঝাঁজে দিশেহারা পুরো দেশ

পেঁয়াজের ঝাঁজে দিশেহারা পুরো দেশ। হঠাৎ করেই কেজিতে দ্বিগুন দাম বাড়ায় হিমশিম অবস্থা ক্রেতাদের। বিক্রেতারা বলছেন, পাইকার ও আড়তদারদের কাছ থেকে বেশি দামে কিনতে হয়েছে বলে চড়া মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। আর আড়তদারদের দাবি, দামের এমন উর্ধ্বগতিতে হাত নেই তাদের। এজন্য আমদানিকারকদের সাথে সরকারের বসার আহবান তাদের।

রংপুর নগরীর বড় পাইকারী বাজারে পেঁয়াজের পাল্লা বিক্রি হচ্ছে ৫'শ টাকায়। দুদিন আগে যার মূল্য ছিল আড়াইশো টাকা। একই অবস্থা পেয়াজ উৎপাদনে পরিচিত জেলা, ফরিদপুরের। এছাড়া স্থল বন্দর এলাকা যশোর, দিনাজপুরেও পণ্যটির দাম লাগামহীন।

ক্রেতারা বলছেন, দেশে যেমন ক্যাসিনো জুয়া খেলা হচ্ছে, পেঁয়াজ নিয়েও হচ্ছে তেমনি জুয়া খেলা। বিক্রেতারা যেভাবে দাম বলছেন সেভাবেই দিতে হচ্ছে ক্রেতাদের। তাই এই বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি কামনা করছেন ক্রেতারা।

খুচরা বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকায়। এতে রীতিমত হিমশিম অবস্থা ক্রেতাদের।

ক্রেতারা আরও বলছেন, পেঁয়াজই যদি এত টাকা দিয়ে কিনি তবে অন্যান্য জিনিস কিভাবে কিনবো। আবার অনেকেই ক্রয়সীমার বাইরে চলে গেছে পেঁয়াজের দাম বলেও অভিযোগ করছেন।

বিক্রেতারা বলছেন, পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণে লোকসানে পড়তে হচ্ছে তাদেরও। আগে যে পরিমাণ বিক্রি হতো তা এখন নেমে দাঁড়িয়েছে অর্ধেকে।

বাজারের এ অস্থিতিশীল পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠক করেছে, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।

আড়তদারদের দাবি, দামের এমন উর্ধ্বগতিতে হাত নেই তাদের। তাই এটি নিয়ন্ত্রণ করতে হলে, আমদানিকারকদের সাথে বসার পরামর্শ তাদের।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর