channel 24

সর্বশেষ

  • যুবলীগ নেতা খালেদ ভূঁইয়া দল থেকে বহিষ্কার

  • যুবলীগ নেতা জি কে শামীম ৭ দেহরক্ষীসহ আটক, ২শ' কোটি টাকার এফডিআর, নগদ টাকা, অস্ত্র উদ্ধার

  • অপকর্মে জড়িত নেতারা নজরদারিতে: কাদের

  • দুর্নীতিতে দেশ ছেয়ে গেছে, আর এতে মদদ দিচ্ছে সরকার: ফখরুল

  • ঢাবি শিক্ষার্থীরা পরবর্তীতে কোন প্রক্রিয়ায় ভর্তি হবেন, সে সিদ্ধান্ত অনুষদের: উপাচার্য

  • ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার

  • রাজশাহীর বড়াল নদী থেকে ৪ জনের গলিত মরদেহ উদ্ধার

  • ত্রিদেশীয় সিরিজে আজ মুখোমুখি আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়ে

  • যুবলীগ নেতা খালেদের মামলা তদন্ত করবে ডিবি উত্তর

যুদ্ধের ঘনঘটা বিশ্ব অর্থনীতিতে

যুদ্ধের ঘনঘটা বিশ্ব অর্থনীতিতে

যুদ্ধের ঘনঘটা বিশ্ব অর্থনীতিতে। শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলো এখন ব্যবসা দ্বন্দ্বে ব্যস্ত। নিজ দেশের অর্থনীতির চাঙা করতে গিয়ে একগুয়েমিতে আটকে থাকা রাষ্ট্র নেতাদের মনোভাব প্রভাব ফেলছে সকল ধরণের ব্যবসায়। বিশ্লেষক ও ব্যবসায়ীরা এ নিয়ে চিন্তিত। তাদের মতে, আগামী কয়েকমাসের মধ্যে বড় ধরণের বিপর্যয় লক্ষ্য করা যাবে। এ থেকে বেরিয়ে আসতে শক্তিশালী অর্থনীতির দেশগুলোকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে নজর দিতে বলা হচ্ছে। পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের মাঝে আস্থা বাড়ানো তাগিদও তাদের।

১৮ মাস আগে 'আমেরিকা ফাস্ট' প্রচারণা শুরু করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজ দেশের অর্থনীতি বাঁচাতে ইস্পাত আমদানির উপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয় চীন, ইউরোপিয় ইউনিয়ন, ভারত, কানাডা ও মেক্সিকোর উপর। ফলাফল, পাল্টাপাল্টি শুল্কারোপ। থমকে যেতে থাকে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি। বাড়তে শুরু করে খরচের বোঝা।

এরপরই আগুনে ঘি ঢালে ব্রেক্সিট ইস্যু। যুক্তরাজ্যের সাথে ইইউর বাণিজ্য সংঘাত আঘাত হানে প্রায় প্রতিটি দেশে। জার্মানি, আর্জেন্টিনা, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক ও ভেনিজুয়েলার পরিস্থিতির সাথে হালে নতুন হাওয়া ইরান, ভারত ও ব্রাজিল। তাইতো বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো এখন প্রস্তুত হচ্ছে বাণিজ্য যুদ্ধের ধাক্কা সামাল দিতে।

জারগ্যান স্ট্যাকম্যান ভক্সওয়াগনের হেড অব সেলস এন্ড মার্কেটিং বলেন, বিশ্ব বাণিজ্যে পরিস্থিতি প্রতিনিয়ত ঘোলা হচ্ছে। ২০২০-এর শুরুতে যে ধাক্কার কথা চিন্তা করা হচ্ছে তার জন্য আমরা আসলেই প্রস্তুত নই। চাকুরি ছাটাই কিংবা উৎপাদন হ্রাস সমস্যা সমাধান করবে না। প্রয়োজন উৎপাদন ব্যবস্থাপনায় স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির ব্যবহার বাড়ানো। তবে, পরিস্থিতি ঘোলাটে হচ্ছে যা ২০০৮ সালকেও হার মানাবে।

গবেষকরাও সন্দিহান বিশ্ব নেতাদের একগুয়েমি আচরণে। জি-৭ সম্মেলন থেকে কোন মূলধারায় নিয়মের পরিবর্তন, পরিমার্জন না হওয়াকে বিশ্ব অর্থনীতির জন্য ঝড়ের পূর্বাভাস হিসেবে দেখছেন তারা। তাইতো, পুঁজিবাজারে ধ্স, মুদ্রার অবমূল্যায়ন, তেল কিংবা স্বর্ণের দামের হুটহাট পরিবর্তনের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা আবারো উস্কে দিচ্ছে আরেকটি বাণিজ্য যুদ্ধকে।

বাদার ব্যাংকের হেড অব মার্কেট রিসার্চ রবার্ট হ্যালভার বলেন, 'ব্রেক্সিট ইস্যুর দিকে এখন সবার নজর। চুক্তি হলে ব্রিটিশ অর্থনীতির ধাক্কা তাদের বাণিজ্য সহযোগী দেশগুলোর দিকে যাবে। ফলে, ছোট অর্থনীতির দেশগুলো হয়ে উঠবে সংঘাত পূর্ণ। কর্মী ছাটাই ও বেকারত্বে ছেয়ে যাবে বিশ্ব। ব্যাংক ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ যোগান দিতে হিমশিম খাবে রাষ্ট্রযন্ত্র।'

বিশ্লেষকদের শংকা, এবারের বাণিজ্য যুদ্ধ যদি দীর্ঘস্থায়ী হয় তাহলে বিশ্ব অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে বেশ বেগ পেতে হবে। আর ২০০৮ এর অর্থনীতির ধ্বংসস্তুপ থেকে কয়টি দেশ বেরিয়ে আসতে পেরেছে তা ইতিহাস স্বাক্ষী দিচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর