channel 24

সর্বশেষ

  • ছাত্রলীগের এমন ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য লজ্জার: ভিপি নুর

  • জঙ্গিবাদ-মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

  • শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শোভন-রাব্বানীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: কাদের

  • ছাত্রলীগের ভাবমূর্তি নষ্ট হলে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায়...

  • পুনরুদ্ধারে কাজ করার অঙ্গীকার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের

  • আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের জন্য সতর্কবার্তা: শেখ সেলিম

  • ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এমন সিদ্ধান্ত: ঢাবি উপাচার্য

  • পুলিশের সেবা নিতে গিয়ে কেউ যেন হয়রানি না হয়: ডিএমপি কমিশনার

  • রংপুর-৩ উপনির্বাচনে প্রার্থিতা নিয়ে আওয়ামী লীগের সাথে...

  • আলোচনা হয়েছে, কালকের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত: রাঙ্গা

  • ৩ মাসের মধ্যে পুঁজিবাজারে নিবন্ধিত হতে হবে সব বিমা কোম্পানিকে...

  • অর্থমন্ত্রীর সাথে বৈঠক শেষে আইডিআরএ চেয়ারম্যান

  • ঋণ পুনঃতফসিলীকরণ নিয়ে টিআইবির বিবৃতিতে কোম্পানির ভাবমূর্তি...

  • ক্ষুণ্ন হওয়ায় প্রতিবাদ জানিয়েছে বেক্সিমকো গ্রুপ

চামড়ার বর্জ্য শোধন: প্রকাশ্য অসন্তোষ সরকার ও ট্যানারি মালিকদের মধ্যে

চামড়ার বর্জ্য শোধন: প্রকাশ্য অসন্তোষ সরকার ও ট্যানারি মালিকদের মধ্যে

চামড়া শিল্পনগরীর সিইটিপি বা কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার ইস্যুতে এক রকম প্রকাশ্য অসন্তোষ সরকার এবং ট্যানারি মালিকদের মধ্যে। শিল্প সচিব বলছেন, ৯৭ শতাংশ কাজ শেষ। তাই লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপসহ আন্তর্জাতিক যে কোনো পরীক্ষায় এখন উত্তীর্ণ হবে এই প্রকল্প। তবে সচিবের এই যুক্তি মানছেন না ব্যবসায়ীরা। বলছেন, এক শতাংশ কাজ বাকি থাকলেও পরিবেশ ইস্যুতে সেটাকে সফল বলার সুযোগ নেই। এমন অবস্থায় এটি পরিচালনায় বিদেশি বিশেষজ্ঞ আনার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

ধলেশ্বরীর তীরে কয়েক বছর ধরেই পাখির চোখে পুরো দৃশ্যমান কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার- সিইটিপি। যার মাধ্যমে পরিবেশ সম্মত উপায়ে পরিষ্কার হওয়ার কথা ট্যানারির কঠিন ও তরল আবর্জনা। কিন্তু, কয়েক ধাপে সময় এবং ব্যয় বাড়ানোর পরও শেষ করা যায়নি প্রকল্পের কাজ। ফলে হাজারীবাগ থেকে পুরো শিল্পকে সাভারে সরানো হলেও, পরিবেশের উন্নয়নে আসেনি তেমন কোনো গুণগত পরিবর্তন। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে পুরো চামড়া খাতে।

এক প্রকল্প বাস্তবায়নেই চলে গেছে ১৬ বছর কিন্তু তারপরেও শেষ হয় নি কাজ। এরই মধ্যে খরচ বেড়েছে কয়েক গুণ। এটাই হচ্ছে সাভার চামড়া শিল্প নগরী এবং সিইটিপির সংক্ষিপ্ত গল্প।

সবশেষ তথ্য বলছে, সিইটিপির পূর্ত কাজ শেষ হয়েছে ৯৭শতাংশ। পুরোদমে চালু হয়নি ক্রোম রিকভারি ইউনিট। বাকি রয়ে গেছে পরীক্ষাগার, জেনারেটর এবং কন্ট্রোল ও মনিটরিং সিস্টেমের কাজও। এমনকি, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়ও নেই তেমন কোনো তৎপরতা। তারপরও, প্রকল্পের অগ্রগতিতে সন্তুষ্ট শিল্প সচিব।

ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছেন, কেবল সিইটিপি কাজ না করায়, তারা সনদ পাচ্ছেন না লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপ থেকে। ফলে, দেশি চামড়া বিক্রি করা যাচ্ছে না বড় ক্রেতাদের কাছে। এছাড়া পরিবেশের অন্যান্য ইস্যুতেও সরকারের উদ্যোগে আপত্তি তাদের। এমন বাস্তবতায়, সরকার মনে করছে, নতুন করে আবেদন করা হলে এটি কোনো সমস্যা করবে না উদ্যোক্তাদের।

এরই মধ্যে আলাদা ইটিপি নির্মাণের অনুমতি চেয়ে আবেদন করে দুটি ট্যানারি। সচিব বলছেন, এই মুহূর্তে সে রকম কোনো চিন্তা নেই সরকারের।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর