channel 24

সর্বশেষ

  • আন্তর্জাতিক বাজারে নিম্নমুখী স্বর্ণের দাম

  • স্বাভাবিক গতি ফিরছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেলের বাজারে

  • করোনাকালেও মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির সরকারি হিসাবে চমক!

  • অলিম্পিককে সামনে রেখে প্রস্তুতি নিয়ে অনিশ্চয়তায় শ্যুটাররা

  • বিমানবন্দরে ভুয়া কর্নেল আটক

  • লেবানন থেকে ৭১ বাংলাদেশিকে নিয়ে দেশে ফিরেছে বিমান বাহিনী

  • গৃহকর্ত্রীর নির্মম নির্যাতনের শিকার ১৩ বছরের শিশু আশা

  • সিনহা হত্যা: পুলিশের মামলার ৩ সাক্ষীকে র‍্যাব হেফাজতে নেওয়া হবে

  • আসনভিত্তিক থোক বরাদ্দে বাড়ছে সংসদ সদস্যদের দুর্নীতি: টিআইবি

  • দুর্নীতি করিনি; যেই করুক, শাস্তি চাই: স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি

  • কুমিল্লায় মূল আসামির পরিবর্তে অন্যজনের কারাভোগের ঘটানায় তদন্ত কমিটি

  • গাইবান্ধায় মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ঠাঁই না পেয়ে রাস্তায় সন্তান প্রসব

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগে পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

  • আধুনিক প্রযুক্তিতে কৃষি জমিতে সার ছিটানো

  • বাংলাদেশে উৎপাদিত হচ্ছে বিদেশি জাতের প্যাশন বা ট্যাং ফল

খাদ্য শৃংখলে দূষণ প্রতিরোধে অভিনব পদ্ধতি ভাসমান খামার

খাদ্য শৃংখলে দূষণ প্রতিরোধে অভিনব পদ্ধতি ভাসমান খামার

দূষণের ছোঁয়া লাগছে খাদ্য শৃংখলেও। এতে খাবারের গুণগত মান নষ্ট হচ্ছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে ব্যতিক্রম প্রকল্প বাস্তবায়ন করেন, নেদারল্যান্ডসের এক প্রকৌশলী। ৩৪ লাখ ডলার ব্যয়ে জলসীমায় স্থাপন করেন একাধিক স্তর বিশিষ্ট ভাসমান খামার। বিশুদ্ধ দুধ ও মাংস উৎপাদনে পেয়েছেন সফলতাও। ভাসমান খামার স্থাপনে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সিঙ্গাপুর, চীন, নিউইয়র্কের উদ্যোক্তারাও।

ভূমির ওপর চাপ কমাতে জলসীমা ব্যবহার বাড়ানোর দিকে নজর উন্নত বিশ্বের। এরই মধ্যে বিভিন্ন দেশে তৈরি হয়েছে ভাসমান আবাসস্থল। চিলিতে স্থাপন করা হয়েছে ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল। এর ধারাবাহিকতায় গেলো মে মাসে ৩৪ লাখ ডলার ব্যয়ে ভাসমান খামার স্থাপন করেন নেদারল্যান্ডসের এক প্রকৌশলী।

বিশ্বব্যাপী বর্ধিত দূষণের ছোঁয়া লাগছে খাদ্য শৃংখলেও। খাবারের গুণগত মান নষ্ট হচ্ছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে খামার ব্যবস্থা পরিবর্তনের এ পরিকল্পনা করা হয়। খাদ্য শৃংখলে বড় সংস্কার আনতে সহায়তা করবে এ ভাসমান খামার।

খামার তৈরি ও নকশায় পরিবেশের সুরক্ষা ও পশু স্বাস্থ্যের ইস্যুকে গুরুত্ব দিয়েছেন এর উদ্ভাবক। সাধারণ খামারের মতোই খাবারের তালিকায় প্রাধান্য পাচ্ছে কাঁচা ঘাস। বাড়তি দুধ বা মাংস উৎপাদনে ব্যবহার করা হচ্ছে না কোনো ধরনের ওষুধ।

জরুরি মুহূর্তে চিকিৎসা সেবার সুযোগও রয়েছে এখানে। অভিনব শিল্প পরিবেশে লালন-পালন করা হচ্ছে এ খামারের পশুগুলো। অনেকেই হয়তো এ পদ্ধতির বিরোধিতা করবেন। তবে এতে উৎপাদিত মাংস ও দুধে সব খাদ্যগুণই থাকে। খামারে পৃথক স্তর থাকলেও এর কোনোটিই কংক্রিটের তৈরি নয়। রাবার দিয়ে ফ্লোর তৈরি করায় এটি গরুর জন্য বেশ আরামদায়ক। প্রতিটি গরুর জন্য আলাদা জায়গা রয়েছে। খামারের মধ্যে গরু বিচরণের জন্যও জায়গা বরাদ্দ আছে।

৪০টি গরু পালনের উপযোগী এ খামারে বর্তমানে রয়েছে ৩৫টি গরু। প্রতিদিন গড়ে সংগ্রহ করা হচ্ছে ৮শ লিটার দুধ। নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় দই তৈরিতে ব্যবহার হচ্ছে এর একাংশ। বাকি দুধ সরাসরি বিক্রি হচ্ছে স্থানীয় রেস্টুরেন্ট ও সুপারমার্কেটে। ভাসমান খামার তৈরিতে ইতোমধ্যে আগ্রহ দেখিয়েছেন সিঙ্গাপুর, চীন ও নিউইয়র্কের উদ্যোক্তারা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর