channel 24

সর্বশেষ

  • নেগেটিভ রোগিকে রাখা হয়েছে করোনা ইউনিটে, আগুনে মৃত্যুর পর দেড় লাখ টাকা বিল দাবি!

  • ৮ জুলাই টেস্ট ম্যাচ দিয়ে মাঠে ফিরছে ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ

  • লালমনিরহাটে বাস শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ

  • করোনায় মারা গেলেন আরও এক পুলিশ সদস্য

  • ঢাকা দ. সিটির দুর্নীতি উৎপাটনের হুঁশিয়ারি তাপসের

  • অবৈধপথে বিদেশ পাড়ি; দালালচক্রের কাছে বন্দি জীবন

  • কক্সবাজারে পূর্ব শত্রুতার জেরে বৃদ্ধকে প্রকাশ্যে নির্যাতন

  • নগদ অর্থ সহায়তা ও ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম: বরখাস্ত আরও ১১ জনপ্রতিনিধি

  • ঝুঁকি নিয়েই স্বাভাবিক চেহারায় দেশ

  • করোনা আক্রান্ত দম্পতির স্থান হয়েছে পরিত্যক্ত মুরগীর খামারে

  • করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দেশে অর্ধলাখ ছাড়িয়েছে

  • চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত ৩ হাজার ছাড়ালো

  • গণপরিবহন বেড়েছে চট্টগ্রামের রাস্তায়

  • সিলেটে বাস শ্রমিকদের দুপক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত কয়েকজন

  • তামাক খাতে দুই স্তরের কর কাঠোমো হলে রাজস্ব বাড়বে দ্বিগুণের বেশি

সঞ্চয়পত্রে স্বপ্নভঙ্গ সাধারণ মানুষের

সঞ্চয়পত্রে স্বপ্নভঙ্গ সাধারণ মানুষের

সঞ্চয়পত্রে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে সাধারণ মানুষের। বিশেষ করে উৎসে কর ৫ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করায় হতাশ মধ্যবিত্ত বিনিয়োগকারীরা। তাদের মতে সরকার সঞ্চয়পত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করার মাধ্যমে প্রকৃত ভোক্তা নির্ধারণ করার ব্যবস্থা নিয়েছে যা ইতিবাচক। কিন্তু উৎসে কর বাড়ানোর মাধ্যমে পেনশনভোগী কিংবা মধ্যবিত্তের পকেটে হাত দিয়েছে যা অনাকাঙ্খিত। বিশ্লেষকরা বলছেন, উৎসে কর ৫ শতাংশ রাখাই যথাযথ।

সোনালী ব্যাংকের সঞ্চয়পত্রের লভ্যাংশ বিতরণ কাউন্টার। বাজেট প্রস্তাবের পর প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত লভ্যাংশ তুলতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের উপচে পড়া ভিড়। যাদের অনেকেরই সংসার চলে এ টাকায়। কিন্তু মুনাফায় উৎসে কর বাড়ানোর খবরে তাদের চোখেমুখে এখন রাজ্যের হতাশা।

বাজেট প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে পয়লা জুলাই থেকে দশ হাজার টাকা মুনাফা তুলতে কর দিতে হবে এক হাজার টাকা। আগে ৫শ টাকা দিলেই চলতো। আর এ বাড়তি কর এড়াতেই এ ভিড়।

সঞ্চয় অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক লতিফ মো. হোসাইন তৌফিক জানায়, এখনও উৎসে কর নিয়ে কোনো নির্দেশনা পাননি তারা। বাজেট প্রস্তাবের পর থেকে ভিড় এতটাই বেড়েছে যে সামাল দিতে রীতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষক নূরুল আমিন মনে করেন, প্রস্তাবিত বাজেটে সঞ্চয়পত্র নিয়ে যেসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে তার বেশিরভাগই ইতিবাচক। তবে খুঁজে পাননি উৎসে কর দশ শতাংশ করার কোনো যৌক্তিকতা।

তার মতে, পেনশনভোগী কিংবা ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারিদের ওপর করের এই বোঝা চাপানো ঠিক হচ্ছে না।

নিউজটির ভিডিও-

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর