channel 24

সর্বশেষ

  • বাড়ছে না ছুটি, তাই ঈদ শেষে ঢাকামুখি মানুষের ঢল

  • নারায়ণগঞ্জে আ.লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক স্কুল ছাত্র নিহত

  • বৌভাত শেষে ফেরার পথে নৌকা ডুবি, কনের বাবাসহ নিখোঁজ ৪

  • রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড, ৫ রোগীর মৃত্যু

  • ঈদের তৃতীয় দিনেও শূন্যতা নগরীতে

  • রাজধানীতে ফিরছে মানুষ, ৩০ মে'র পর বাড়ছে না ছুটি

  • দুর্যোগে নিরাপদ দুরত্বে অবস্থান করাই বিএনপির রাজনীতি: কাদের

  • নিজের করোনা রিপোর্টে স্বাক্ষর করলেন নিজেই!

  • ৩০ মে'র পর বাড়ছে না সাধারণ ছুটি

  • এক্সিম ব্যাংকের এমডিকে হত্যাচেষ্টা, জানেনা কেন্দ্রীয় ব্যাংক

  • ঈদে থানায় প্রীতি ভোজ: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড়

  • ডলফিনের সবচেয়ে বড় বিচরণক্ষেত্র হালদা নদীই যেন এখন মৃত্যুকুপ

  • করোনায় দেশে আরও ২২ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৫৪১

  • শুরু থেকে লকডাউন দিলে পরিস্থিতি এতোটা ভয়োবহ হতো না: ফখরুল

  • তামিম ইকবালের সাথে একান্ত আলাপচারিতায় চ্যানেল ২৪

যেকোনো করদাতার তথ্য জানা ও জব্দ করার ক্ষমতা চায় দুদক

যেকোনো করদাতার তথ্য জানা ও জব্দ করার ক্ষমতা চায় দুদক

দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তারা প্রয়োজন মনে করলে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে যেকোনো ব্যক্তির তথ্য নিতে পারবেন। এমনকি চাইলে সেগুলো জব্দও করতে পারবেন। এমন সব সুবিধা রেখে দুদক আইনের সংশোধন প্রস্তাব করেছে সংস্থাটি। তবে, বিশ্লেষকরা এটিকে নেতিবাচক হিসেবেই দেখেছেন। তাদের মতে, এতে সৎ ও সাধারণ করদাতারা হয়রানির শিকার হতে পারেন। এমনকি কর আদায়েও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশংকা রয়েছে।

সক্ষম করদাতারা আয় অনুযায়ী কর দেবেন, এটাই নিয়ম। এর ব্যত্যয় হলে কর ফাঁকির দায়ে ওই করদাতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে কর বিভাগ। সারা বিশ্বে এটাই রীতি।

করদাতার সম্পদ ও আয়ের তথ্য কর বিভাগে জমা থাকে। বলা যায়, কর বিভাগ হচ্ছে করদাতার সংবেদনশীল তথ্যের জিম্মাদার। প্রয়োজনের বাইরে ওই তথ্যের ব্যবহার বা অন্য কারও হাতে দেয়ারও সুযোগ নেই।

তবে, এবার কর বিভাগের এ এখতিয়ারে হস্তক্ষেপ পড়তে যাচ্ছে দুদকের। দুদক আইনে একটি সংশোধনী আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

যার ফলে দুদক কর্মকর্তারা কোনো গ্রহণযোগ্য অভিযোগ ছাড়াই যে কারও আয়কর নথি তলব করতে পারবেন। এমনকি যে কারও আয়কর সংক্রান্ত নথিপত্র জব্দও করতে পারবেন। যা আয়কর আইনের সাথে সাংর্ঘষিক। এ প্রস্তাবনা এখন ভেটিং পর্যায়ে রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি বাস্তবায়ন হলে হয়রানির সম্মুখীন হতে পারেন অনেকেই। এনবিআর-দুদক সমনম্বয়ের পাশাপাশি জবাবদিহীতা, স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিশ্চিত করার পরামর্শ তাদের।

এনবিআরের কর কর্মকর্তারা এ বিষয়ে ক্যামেরার সামনে কথা না বললেও তারা জানান, এ ধরনের আইন অনুমোদন হলে, কর আদায়ে বিরূপ প্রভাব পড়বে। করদাতারা আতংকিত হয়ে কর দেয়ায় নিরুৎসাহিতও হতে পারেন। অথচ সরকার হয়রানিমুক্ত ভাবে কর আদায় করতে চাচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর