channel 24

সর্বশেষ

  • উপজেলা নির্বাচন ছিল একতরফা, যা গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত: ইসি মাহবুব

  • রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে রাশিয়া থেকে ৫২৩ কোটি ৯০ লাখ টাকার...

  • ইউরেনিয়াম কেনার অনুমোদন সরকারের ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির

  • রোহিঙ্গাদের মিয়ানমার ফেরাতে সৌদিতে ৬০ বিদেশি কূটনীতিকের কাছে...

  • সহায়তা চাইলো বাংলাদেশ; রিয়াদে ব্রিফ করেছেন রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহ

  • খালেদা জিয়ার জামিন আটকে রেখেছে সরকার: মির্জা ফখরুল...

  • আদালত মুক্তি দিলে সরকারের কিছু করার নেই: ওবায়দুল কাদের

  • মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স নিয়ে হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছেন...

  • চেম্বার আদালত; আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি ২৩ জুলাই

চীনের কাছে দিন দিন চাহিদা বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের

চীনের কাছে দিন দিন চাহিদা বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের

গেলো বছরে শুরু হওয়া বাণিজ্য দ্বন্দ্বের ধারাবাহিকতায় আরো ২০ হাজার কোটি ডলারের চীনা পণ্যে শুল্ক বাড়ায় যুক্তরাষ্ট্র। চীনের স্মার্ট ডিভাইস উৎপাদক হুয়াওয়ের পণ্য বাজারজাতেও লাগাম টানে মার্কিন প্রশাসন। এর ধারাবাহিকতায় চীনা প্রতিষ্ঠানটির সাথে ব্যবসা বন্ধের ঘোষণা দেয়, মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগল। এতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য আলোচনা বাধাগ্রস্ত হবে বলে জানান বিশ্লেষকরা। এর জন্য ট্রাম্পকে দায়ী করছে দুই পক্ষই।

শুরুটা ২০১৮ সালের ২৯ মে। বাণিজ্য সমতার অযুহাতে ৩ হাজার ২শ কোটি ডলারের চীনা পণ্যে বাড়তি শুল্কারোপ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মাসের ব্যবধানে এ তালিকায় যুক্ত হয় আরো ২ হাজার কোটি ডলারের পণ্য। এর পরিপ্রেক্ষিতে সমপরিমাণ মার্কিন পণ্য থেকে বাড়তি শুল্ক আদায়ের ঘোষণা দেয় চীন।

এ দ্বন্দ্ব নিরসনের লক্ষ্যে গেলো বছরের মাঝামাঝিতে বৈঠকে বসে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল। নিয়মিত বিরতিতে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ে আলোচনা চলছে প্রায় ৯ মাস ধরে।

পেকিং ইউনিভার্সিটির ন্যাশনাল স্কুল অব ডেভেলপমেন্ট ডেপুটি হেড ইয়ু মিয়াওজি বলেন, 'চীন-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য আলোচনা নতুন কিছু নয়। তবে ২০১৮ সালের মে মাসে চীনা পণ্যে ট্রাম্পের বাড়তি শুল্কারোপের পরই নতুন মোড় নেয় আলোচনা। এখন পর্যন্ত বেশ কয়েক বৈঠক করেছে দুই পক্ষ। আলোচনা ধারাবাহিকতায় দুই পক্ষের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ইস্যুগুলোকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে।'

এ আলোচনা আরো দীর্ঘ করতে চান চীন-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। এর মাঝে ট্রাম্পের বাড়তি শুল্ক আদায়ের তালিকা বড় করায় দেখা দিয়েছে নতুন বিপত্তি।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গেং সুয়াং বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সমঝোতার সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। বেশ কিছু ইস্যুতে আলোচনায় দারুণ অগ্রগতি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বেশকিছু দাবি মেনে নিয়েছে বেইজিং। তবু তাদের চাহিদা বাড়ছে। মে মাসেই ২৫ শতাংশ শুল্ক আদায়ের তালিকায় যুক্ত করেছে আরো ২০ হাজার কোটি ডলারের পণ্য। এতে সমাধান প্রক্রিয়া দীর্ঘ হচ্ছে।'

চীন এসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের উপ-পরিচালক লি ইয়ং বলেন, সব সময় স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ করে যুক্তরাষ্ট্র। দ্বন্দ্ব নিরসনে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের আলোচনা চলা অবস্থায় নির্বাহী আদেশে চীনা পণ্যে শুল্ক বাড়িয়েছেন ট্রাম্প। তার এমন আচরণে আলোচনা ব্যাহত হচ্ছে।>

দ্বন্দ্ব নিরসনে দীর্ঘসূত্রিতার জন্য ট্রাম্পকেই দায়ী করছেন, মার্কিন বাণিজ্য বিশ্লেষকরা।

যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক জেফরি সাক্স বলেন, 'দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে খারাপ অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জন্য প্রেসিডেন্টই দায়ী। আমেরিকা ফাস্ট স্লোগানে ক্ষমতায় এসে একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন তিনি। দেশের মানুষের কষ্ট ও বাড়াচ্ছেন ট্রাম্প। একই সাথে আন্তর্জাতিক নীতিও লঙ্ঘন করছেন তিনি।'

বাণিজ্য দ্বন্দ্বের ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ চীনের স্মার্ট ডিভাইস উৎপাদক হুয়াওয়ের পণ্য বাজারজাতে স্বল্পমেয়াদী নিবন্ধন পদ্ধতি চালু করে ওয়াশিংটন। এরপর চীনা প্রতিষ্ঠানটির সাথে ব্যবসা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে, মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগল। একে কেন্দ্র করে আবারো বাণিজ্য উত্তেজনার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

ভিডিও প্রতিবেদন-

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর