channel 24

সর্বশেষ

  • ইংলিশ লিগে আজ মুখোমুখি এভারটন ও টটেনহ্যাম

  • সূচক কিছুটা গতিশীল হলেও বড় পরিবর্তন নেই লেনদেনে

  • রংপুর অঞ্চলে আউশের আবাদে রেকর্ড

  • ইংল্যান্ডে দু'দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছেন পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা

  • করোনার ভুয়া টেস্ট রিপোর্ট দিতো রিজেন্ট হাসপাতাল

  • রিজার্ভ থেকে ঋণ নিয়ে উন্নয়ন কাজে লাগানো যায় কিনা, তা ভেবে দেখার পরামর্শ

  • আর্থিক সংকটে পাইওনিয়ার লিগ খেলা ফুটবলাররা

  • খুলনার সেই সালামকে মুক্তির নির্দেশ আদালতের

  • উপনির্বাচন ইসির এখতিয়ার, এতে সরকারের হাত নেই: কাদের

  • সাঈদ হোসেন চৌধুরীকে ওয়ান ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ

  • মেসির বার্সেলোনা ছাড়ার গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন ক্লাব সভাপতি

  • দিনাজপুরে বিআরটিসির বাসচাপায় নিহত ৫

  • লাপাত্তা হওয়া ক্রেস্ট সিকিউরিটিজর মালিক স্ত্রীসহ আটক

  • চট্টগ্রামে অস্থায়ী ক্যাম্পের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন একদল যুবক

  • মাদক নিয়ন্ত্রণে কাওরান বাজারে রেল লাইনের পাশের বস্তিতে উচ্ছেদ অভিযান

বিশ্ববাজারে ১০ বছরে ফার্নিচারের রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১০ গুন

বিশ্ববাজারে ১০ বছরে ফার্নিচারের রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১০ গুন

গত ১০ বছরে রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১০ গুন। অন্যদিকে বিশ্ববাজারে ফার্নিচারের সিংহভাগ সরবরাহকারি চীন গুটিয়ে নিচ্ছে তাদের ব্যবসা। শ্রমঘন এই শিল্পে পোশাক খাতের মতোই সম্ভাবনা দেখছেন ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞরা।

সাভারের জিরানীবাজারে আসবাব তৈরির আধুনিক কারখানা হাতিলের। বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশি আসবাব রপ্তানির ৮০ভাগই করে এই প্রতিষ্ঠানটি। এমনকি ভারত-নেপাল ও ভুটানেও রয়েছে তাদের শো-রুম।

সম্প্রতি কারখানায় রোবট প্রযুক্তি সংযোজন করেছে হাতিলের উদ্যোক্তারা। আসবাব তৈরির কারখানা যে কতোটা পরিবেশবান্ধব ও পরিকল্পিত হতে পারে, তারই নমুনা যেন এই কারখানা। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে, আসবাবের নানা অংশ তৈরি হয় এখানে। একজন বিশেষজ্ঞ বলছেন, বিশ্ববাজারে টিকতে হলে আধুনিক কারখানার কোনো বিকল্প নেই। ফার্নিচার রপ্তানিকারকদের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বলছেন, এই শিল্পের কাঁচামালে আরোপিত শুল্ককে যৌক্তিক পর্যায়ে আনতে হবে।

গত এক দশকে দেশের বাজারে আধুনিক আসবাব তৈরিতে বেশ সাফল্য দেখিয়েছে অটবি, হাতিল, পারটেক্স অথবা নাভানার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো। দেশে এখন আসবাবত্রের বাজার প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার মতো। এই খাতে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি প্রায় ৩০ শতাংশ। উপমহাদেশ ছাড়াও যা যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে। 

তবে রপ্তানির জন্য আধুনিক আসবাব তৈরির বেশিরভাগ কাঁচামালই আমদানি করতে হয় উদ্যোক্তাদের। এজন্য গড়ে শুল্ক ও কর দিতে হয় ৫৫ শতাংশ। অবশ্য রপ্তানির জন্য ১৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা পায় আসবাব শিল্প।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর