channel 24

সর্বশেষ

  • সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে চলছে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ কার্যক্রম

  • পাকিস্তান ও ইংল্যান্ড দলে তিন পরিবর্তন; ফিরছেন আমের, জোফরা আর্চার

  • বিমানবন্দরে সাড়ে ছয় কেজি স্বর্ণসহ যাত্রী আটক

  • চাল আমদানি হওয়ায় ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেনা কৃষক

  • যৌন কেলেঙ্কারির মামলায় জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে আটকের দাবি

  • পাকস্থলিতে করে হাজার হাজার ইয়াবা পাচার

  • ট্রেনের টিকিট চেয়ে প্রভাবশালীদের চেষ্টা-তদবির

  • তিউনিসিয়ায় নৌকাডুবি: দেশে ফিরেছেন ১৫ বাংলাদেশি

  • জয়ের বিষয়ে আশাবাদি কংগ্রেসসহ ২১টি বিরোধী দল

  • জাতীয় বাজেটে পৌরসভার বাজেট বাড়ানোর দাবি

  • বিজিবির পোশাকে শো-রুম থেকে ৫০টি মোবাইল ছিনতাই

  • মধুর ক্যান্টিনে হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগের একজনকে স্থায়ী ও ৪ জনকে সাময়িক বহিষ্কার

  • বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে দশটি আন্তর্জাতিক আসর আয়োজনের প্রস্তাব

  • বিশ্বকাপে অংশ নেয়া আফগানিস্তান দলের পরিসংখ্যান

  • লেস্টারে দ্বিতীয় দিনের মতো অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ

বিশ্ববাজারে ১০ বছরে ফার্নিচারের রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১০ গুন

বিশ্ববাজারে ১০ বছরে ফার্নিচারের রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১০ গুন

গত ১০ বছরে রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১০ গুন। অন্যদিকে বিশ্ববাজারে ফার্নিচারের সিংহভাগ সরবরাহকারি চীন গুটিয়ে নিচ্ছে তাদের ব্যবসা। শ্রমঘন এই শিল্পে পোশাক খাতের মতোই সম্ভাবনা দেখছেন ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞরা।

সাভারের জিরানীবাজারে আসবাব তৈরির আধুনিক কারখানা হাতিলের। বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশি আসবাব রপ্তানির ৮০ভাগই করে এই প্রতিষ্ঠানটি। এমনকি ভারত-নেপাল ও ভুটানেও রয়েছে তাদের শো-রুম।

সম্প্রতি কারখানায় রোবট প্রযুক্তি সংযোজন করেছে হাতিলের উদ্যোক্তারা। আসবাব তৈরির কারখানা যে কতোটা পরিবেশবান্ধব ও পরিকল্পিত হতে পারে, তারই নমুনা যেন এই কারখানা। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে, আসবাবের নানা অংশ তৈরি হয় এখানে। একজন বিশেষজ্ঞ বলছেন, বিশ্ববাজারে টিকতে হলে আধুনিক কারখানার কোনো বিকল্প নেই। ফার্নিচার রপ্তানিকারকদের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বলছেন, এই শিল্পের কাঁচামালে আরোপিত শুল্ককে যৌক্তিক পর্যায়ে আনতে হবে।

গত এক দশকে দেশের বাজারে আধুনিক আসবাব তৈরিতে বেশ সাফল্য দেখিয়েছে অটবি, হাতিল, পারটেক্স অথবা নাভানার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো। দেশে এখন আসবাবত্রের বাজার প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার মতো। এই খাতে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি প্রায় ৩০ শতাংশ। উপমহাদেশ ছাড়াও যা যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে। 

তবে রপ্তানির জন্য আধুনিক আসবাব তৈরির বেশিরভাগ কাঁচামালই আমদানি করতে হয় উদ্যোক্তাদের। এজন্য গড়ে শুল্ক ও কর দিতে হয় ৫৫ শতাংশ। অবশ্য রপ্তানির জন্য ১৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা পায় আসবাব শিল্প।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর