channel 24

সর্বশেষ

  • যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ দলের নেতা নির্বাচিত বরিস জনসন...

  • পেয়েছেন ৯২ হাজার ১৫৩ ভোট; হতে যাচ্ছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী

  • গাজীপুরে ২ ও জামালপুরে নারীকে গণপিটুনি; নবাবগঞ্জে নারীকে পুলিশে সোপর্দ...

  • এ পর্যন্ত গণপিটুনিতে নিহত ৬ জন; ৯টি মামলায় গ্রেপ্তার ৮১...

  • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ালে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • নেতৃত্বের প্রশ্নে জাতীয় পার্টিতে কোনো দ্বন্দ্ব নেই: জি এম কাদের

  • ঘুষ গ্রহণের মামলায় সাময়িক বরখাস্ত হওয়া দুদক পরিচালক...

  • এনামুল বাছিরের জামিন নামঞ্জুর; কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

  • শুধু ডেঙ্গুতে নয়, অন্য রোগ থাকলে মৃত্যুঝুঁকি বাড়ে: ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য বিএসএমএমইউ

  • সার্চলাইটে সংবাদ প্রচারের পর মেহেরপুরে ভুয়া ডাক্তার হান্নানকে...

  • ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও চেম্বার সিলগালা, চিকিৎসা না দেয়ার মুচলেকা

বিশ্ববাজারে ১০ বছরে ফার্নিচারের রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১০ গুন

বিশ্ববাজারে ১০ বছরে ফার্নিচারের রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১০ গুন

গত ১০ বছরে রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১০ গুন। অন্যদিকে বিশ্ববাজারে ফার্নিচারের সিংহভাগ সরবরাহকারি চীন গুটিয়ে নিচ্ছে তাদের ব্যবসা। শ্রমঘন এই শিল্পে পোশাক খাতের মতোই সম্ভাবনা দেখছেন ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞরা।

সাভারের জিরানীবাজারে আসবাব তৈরির আধুনিক কারখানা হাতিলের। বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশি আসবাব রপ্তানির ৮০ভাগই করে এই প্রতিষ্ঠানটি। এমনকি ভারত-নেপাল ও ভুটানেও রয়েছে তাদের শো-রুম।

সম্প্রতি কারখানায় রোবট প্রযুক্তি সংযোজন করেছে হাতিলের উদ্যোক্তারা। আসবাব তৈরির কারখানা যে কতোটা পরিবেশবান্ধব ও পরিকল্পিত হতে পারে, তারই নমুনা যেন এই কারখানা। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে, আসবাবের নানা অংশ তৈরি হয় এখানে। একজন বিশেষজ্ঞ বলছেন, বিশ্ববাজারে টিকতে হলে আধুনিক কারখানার কোনো বিকল্প নেই। ফার্নিচার রপ্তানিকারকদের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বলছেন, এই শিল্পের কাঁচামালে আরোপিত শুল্ককে যৌক্তিক পর্যায়ে আনতে হবে।

গত এক দশকে দেশের বাজারে আধুনিক আসবাব তৈরিতে বেশ সাফল্য দেখিয়েছে অটবি, হাতিল, পারটেক্স অথবা নাভানার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো। দেশে এখন আসবাবত্রের বাজার প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার মতো। এই খাতে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি প্রায় ৩০ শতাংশ। উপমহাদেশ ছাড়াও যা যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে। 

তবে রপ্তানির জন্য আধুনিক আসবাব তৈরির বেশিরভাগ কাঁচামালই আমদানি করতে হয় উদ্যোক্তাদের। এজন্য গড়ে শুল্ক ও কর দিতে হয় ৫৫ শতাংশ। অবশ্য রপ্তানির জন্য ১৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা পায় আসবাব শিল্প।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর