channel 24

সর্বশেষ

  • বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নির্মাণে আড়াই কোটি টাকা খরচে ধোঁয়াশা

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে যুবকের দুই হাতের কব্জি কেটে নিল প্রতিপক্ষ

  • বগুড়া মেডিকেলের সংযোগ সড়ক নির্মাণে গাফলতি, প্রকল্প ব্যায় বাড়লেও নির্মাণ হয়নি সড়ক

  • মারাত্মক ক্ষতিকর ই-সিগারেট

  • রংপুরে ওসি ও ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

  • র‍্যাব সদস্যদের আবাসনের জন্য জমি অধিগ্রহণ; ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কায় ২৫০ পরিবার

  • বিদ্যালয়ের মাঠ পরিস্কার করতে গিয়ে শতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ

  • কানাডায় বঙ্গবন্ধুর খুনি নূরের অবস্থান জানতে বাংলাদেশের আবেদন মঞ্জুর

  • টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে ২ রোহিঙ্গাসহ নিহত ৩

  • বশেমুরবিপ্রবি উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ

  • আজ থেকে শুরু ইউরোপা লিগ

  • থানায় ধর্ষকের সাথে বিয়ে, ওসি বরখাস্ত

  • নোয়াখালীতে আ. লীগের দুগ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১০

  • জুভেন্টাসের সাথে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের ড্র

  • দি মারিয়ার জোড়া গোলে স্বপ্নীল শুরু পিএসজির

বিশ্ববাজারে ১০ বছরে ফার্নিচারের রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১০ গুন

বিশ্ববাজারে ১০ বছরে ফার্নিচারের রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১০ গুন

গত ১০ বছরে রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১০ গুন। অন্যদিকে বিশ্ববাজারে ফার্নিচারের সিংহভাগ সরবরাহকারি চীন গুটিয়ে নিচ্ছে তাদের ব্যবসা। শ্রমঘন এই শিল্পে পোশাক খাতের মতোই সম্ভাবনা দেখছেন ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞরা।

সাভারের জিরানীবাজারে আসবাব তৈরির আধুনিক কারখানা হাতিলের। বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশি আসবাব রপ্তানির ৮০ভাগই করে এই প্রতিষ্ঠানটি। এমনকি ভারত-নেপাল ও ভুটানেও রয়েছে তাদের শো-রুম।

সম্প্রতি কারখানায় রোবট প্রযুক্তি সংযোজন করেছে হাতিলের উদ্যোক্তারা। আসবাব তৈরির কারখানা যে কতোটা পরিবেশবান্ধব ও পরিকল্পিত হতে পারে, তারই নমুনা যেন এই কারখানা। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে, আসবাবের নানা অংশ তৈরি হয় এখানে। একজন বিশেষজ্ঞ বলছেন, বিশ্ববাজারে টিকতে হলে আধুনিক কারখানার কোনো বিকল্প নেই। ফার্নিচার রপ্তানিকারকদের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বলছেন, এই শিল্পের কাঁচামালে আরোপিত শুল্ককে যৌক্তিক পর্যায়ে আনতে হবে।

গত এক দশকে দেশের বাজারে আধুনিক আসবাব তৈরিতে বেশ সাফল্য দেখিয়েছে অটবি, হাতিল, পারটেক্স অথবা নাভানার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো। দেশে এখন আসবাবত্রের বাজার প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার মতো। এই খাতে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি প্রায় ৩০ শতাংশ। উপমহাদেশ ছাড়াও যা যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে। 

তবে রপ্তানির জন্য আধুনিক আসবাব তৈরির বেশিরভাগ কাঁচামালই আমদানি করতে হয় উদ্যোক্তাদের। এজন্য গড়ে শুল্ক ও কর দিতে হয় ৫৫ শতাংশ। অবশ্য রপ্তানির জন্য ১৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা পায় আসবাব শিল্প।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর